• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    অধ্যাপক তাহমিনা আখতারের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা

    খালিদ ফেরদৌস, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার | ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ | ১০:৩০ অপরাহ্ণ

    অধ্যাপক তাহমিনা আখতারের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা

    অধ্যাপক তাহমিনা আখতারের পরিচালক হিসেবে যোগদান
    সত্য বহমান নদীর স্রোতধারার মত চলমান। চলার পথে মাঝে মাঝে বাঁধা-বিপত্তি আসলেও শেষতক বিশাল সাগরের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে সৃষ্টি করে মহান বিজয়ের মান-মন্দির। তেমনি সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অধ্যাপক তাহমিনা আখতার টফি আজ ৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন। তাঁর যোগদান উপলক্ষ্যে শিক্ষকবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে অভিনন্দিত করে। ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে সবাইকে খুশিতে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে।
    উল্লেখ্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে খুব দৃঢ়চেতা ও আত্মপ্রত্যয়ী। ভালো সংগঠক ও একাডেমিশিয়ান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সুনাম বিদিত। শিক্ষাজীবনে তিনি অসামান্য ফলাফল অর্জন করেন। এসএসসি, এইচএসসিতে তিনি বোর্ড স্টান্ড করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হবার গৌরব অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি অনেক সামাজিক সংগঠন ও সেবাপ্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছেন। তিনি একাধারে একজন উদ্যোক্তা, লেখক, কলামিস্ট, সংগঠক ও সমাজকর্মী। ইতোমধ্যে তিনি তাঁর কর্মজীবনে নানান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী ও বেগম রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষা হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে তিনি ছিলেন সফল। তিনি নিজ উদ্যোগে অনেক সামাজিক সংঠনের জন্ম দিয়েছেন। নারীশিক্ষার প্রসারসহ শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের ভেতর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি একক প্রচেষ্ঠায় মেন্ডি ডেন্টাল কলেজ এণ্ড হাসপাতাল গড়ে তোলেন। বর্তমানে তিনি এই চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি নানা কর্ম ব্যস্ততার ভেতরও নিজ এলাকা ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলার মানুষের কথা ভুলে যাননি। মাঝে মাঝে সময় করে তিনি তাদের মাজে ছুটে যান। বিপদ-বিপদে তাদের পাশে দাঁড়ান। সেখানে তিনি দু:স্থ-অসহায় মানুষের সেবা ও এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
    তিনি দেশি-বিদেশি অনেক আন্তর্জাতিক সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। জাতীয় ও অান্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন জার্নালে তাঁর শতাধিক নিবন্ধ ও গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর জ্ঞানীয় তত্ত্বাবধানে অনেকে পিএইচডি, এমফিলসহ উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুনাম বয়ে এনেছে। তাঁর যোগদান উপলক্ষ্যে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমি জীবনে অনেক কিছু পেয়েছি। এখন ব্যক্তিগতভাবে আমার কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। বাকিটা জীবন আমি মানুষের সেবা করে যেতে চাই। এ জন্য সবার ঐকান্তিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমার বিশ্বাস, সবাই যদি আমাকে সহযোগিতা করে তবে সদ্যপ্রাপ্ত পরিচালক পদে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থ সংরক্ষণে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।
    যা হোক, দীর্ঘদিন পর তিনি সপদ ফিরে পাওয়ায় ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে উৎসবের পরিবেশ বিরাজ করতে দেখা গেছে। তাদের সাথে কথা বললে- তাদের প্রিয় শিক্ষক অধ্যাপক তাহমিনা আখতার টফির ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। তারা তাকে যোগ্য ও প্রশাসনিকভাবে দক্ষ মানুষ হিসেবে অভিয়িত করেন। তাদের বিশ্বাস তিনি ইনস্টিটিউটের ভাবমূর্তি পূনরুদ্ধার ও সার্বিক উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী