• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    কাশিয়ানীতে সকলের প্রিয় মুখ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোক্তার হোসেন

    নিজস্ব প্রতিনিধি | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ২:৩৮ অপরাহ্ণ

    কাশিয়ানীতে সকলের প্রিয় মুখ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোক্তার হোসেন

    উপজেলা নিবার্চন যত কাছে আসছে ততবেশী আলোচনার ঝড় উঠছে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার সর্ব্বোত্রই। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী। এ নিয়ে আলোচনার কমতি নেই কোথাও। হাটে বাজারে রাস্তাঘাটে এমনকি যানবাহনে ঘুরে ফিরে একই আলোচনা আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী।
    আলোচনায় প্রথমেই উঠে আসছে কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোক্তার হোসেনের নাম।
    গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ত্যাগী নেতাদের অধিকাংশই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ত্যাগী এই নেতাকে দেখতে চান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসাবে। কারণ হিসাবে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বলেন, বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শত প্রতিকুল অবস্থাতে ও দল পরিবর্তন করেননি। দলের জন্য তিনি একজন নিবেদিত সৈনিক।
    অনেক নেতাকর্মী এ প্রতিবেদককে জানান, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোক্তার হোসেন কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া গ্রামের সমভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়ায় হাতে খড়ি দেন এই নেতা। রামদিয়া শ্রীকৃষ্ণ শশী কোমল বিদ্যাপীঠ থেকে তিনি এস এস সি পাস করেন। তিনি এ সময়েই ছাত্রলীগ নেতা হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন এলাকায়। রামদিয়া এস.কে কলেজ থেকে এইচ,এস,সি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে ভর্তি হয়ে সক্রিয় ভাবে ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দেয় তিনি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতু ও পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এবং বাহালুল মজনু চুন্নু সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন সেই কমিটিতে কাশিয়ানীর এই ত্যাগী নেতা মোঃ মোক্তার হোসেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একাদশ শ্রেণীর ছাত্র থাকা অবস্থায় জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন এই বীরমুক্তি যোদ্ধা। তিনি ভারত থেকে প্রশিক্ষন শেষে প্রথমে খুলনা এবং পরবর্তীতে নিজ এলাকা কাশিয়ানীতে অসংখ্য খন্ড যুদ্ধে অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষে মাটির টানে আবার তিনি ফিরে আসেন গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীতে। তিনি প্রথমে উপজেলা (ততকালীন থানা) আওয়ামীলীগের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সফল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দুইবার এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে একবার নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। দলীয় নেতাকর্মীরা তার সাংগঠনিক দায়িত্ব বোধের কারণে ২০০৪ সালে দলীয় তাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন। তার দলীয় কাজে সন্তষ্ট হয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ২০১৫ সালে উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করে। বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোক্তার হোসেনকে জাতীয় পাটির শাষন আমলে জাতীয় পাটিতে যোগ দিতে অব্যাহত চাপ সৃষ্টি করে। এই ত্যাগী নেতা জাতীয় পাটিতে যোগ না দেবার অপরাধে তৎকালীন সময়ে তার ঠিকাদারী কাজ শেষে বিভিন্ন অজুহাতে তার বিল আটকে দেয়। তৎকালিন সময়ে তার ঠিকাদারী বিলের মোট নয় লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত করে দেয় এল.জি.ই.ডি প্রকৌশল বিভাগ। পিতার জমি বিক্রি করে শ্রমিক ও মালামালের টাকা পরিশোধ করেন তিনি। অসহায় এই নেতার সংসার চালানোর দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন স্ত্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফেরদৌসি আক্তার। এরশাদ পতন আন্দোলনে তিনি সক্রিয় নেতৃত্ব দেন। তার দলীয় কর্মকান্ড এরশাদ পতন আন্দোলন,বি,এন,পি আমলে অসহোযোগ আন্দোলনে তার ভূমিকা,জাতীয় পাটিতে যোগ না দেবার কারণে তার উপর আর্থিক নির্যাতন তার সফল রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব বিবেচনা করলে তিনি আসন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পেতে পারেন বলে নেতাকর্মীরা ও উপজেলার সচেতন মহলের ধারণা। সব মিলে তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ। তিনি এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসাবে আসতে পারেন বলে সব মহল ধরণা করছে।
    উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোক্তার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন,আমার দলীয় কর্মকান্ড এলাকার সবাই জানে। দলীয় সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী