• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    পদ-পদবী নয়, ব্যক্তি হিসেবেই যারা জনপ্রিয়

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ২:৫৯ অপরাহ্ণ

    পদ-পদবী নয়, ব্যক্তি হিসেবেই যারা জনপ্রিয়

    সংসদীয় গণতন্ত্রের সরকারে নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে ক্ষমতাবান। তারপরেই ক্ষমতাবান হন মন্ত্রী বা উপদেষ্টারা। কিন্তু বর্তমান সংসদে এমন কয়েকজন এমপি আছেন, যারা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি ক্ষমতাবান। মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি তারা সম্মানিত হন। ব্যক্তি হিসেবেই তারা জনপ্রিয়। তারা কোথাও কোন অনুরোধ করলে কেউ উপক্ষো করতে পারেন না। এদেরকে বলা হয় ক্ষমতাবান এমপি। এদের সরকারে কোন পদ-পদবি নেই। তারা নিজেরাই একটা করে ব্রান্ড, একেকটা প্রতিষ্ঠান। যে কারণে অনেকেই মনে করেন তাদের গুরুত্ব, মন্ত্রীদের চেয়ে বেশি।

    এদের মধ্যে কয়েকজন হলেন:

    শেখ ফজলুল করিম সেলিম :
    আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টানা ৮ বারের মত নির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ সেলিম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বোনের ছেলে শেখ ফজলুল হক মনির ছোট ভাই। সংসদে যেকোনো বিষয়ে তিনি জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

    শেখ সেলিম প্রথমবার এমপি হন ১৯৮০ সালে। ওই নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-২ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন তিনি। এরপর আর কোনো ভোটে হারেননি তিনি।

    এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-২ আসন থেকে তিনি ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বিগত সব নির্বাচনে তাঁর বিপরীতে দাঁড়ানো প্রার্থীদের ভোট এত কম পড়ে যে, প্রতিবারই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

    লে: কর্ণেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান :

    কাশিয়ানী মুকসুদপুরের উন্নয়নের অগ্রসৈনিক লে: কর্ণেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি। তার ঐকান্তিক প্রচষ্টোয় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে গোপালগঞ্জ-১ তথা মুকসুদপুর-কাশিয়ানীতে। জননেতা ফারুক খান তার ঢাকা-মাওয়া-খুলনা রাস্তার মুকসুদপুর কাশিয়ানীর অংশসহ প্রতিটি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছেন। মুকসুদপুর কলেজ সরকারীকরন, এসজে হাই স্কুলকে মডেলপ্রকল্পে নেয়াসহ অসংখ্য শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজ করেছেন। প্রতিটি ইউনিয়নে প্রায় ৮০% এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপন করেছেন। মুকসদপুর উপজেলার টেংরাখোলা, বনগ্রাম বাজার, কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়া পাড়া নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। মুকসুদপুর হাসপাতালকে ৩৯ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরনসহ কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্যানিটেশন কার্যক্রমের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তিনি ৬ জানুয়ারি ২০০৯ এ সরকারের একজন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং ৭ জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় প্রধানমন্ত্রী তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণলয়ের মন্ত্রী হিসেবেও তাকে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন। লে: কর্ণেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি ছিলেন একজন সফল মন্ত্রী। তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার মন্ত্রণালয়ে কখনো বিশৃঙ্খলা ঘটেনি।

    শেখ হেলাল:

    তিনি বাগেরহাটের এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর নিকাটাত্নীয়। তিনি বহুবার এমপি হলেও এখন পর্যন্ত মন্ত্রী বা সরকারের কোন দায়িত্ব পালন করেনি। সরকারের দায়িত্ব পালন না করলেও তিনি অত্যান্ত ক্ষমতাবান এবং তাঁর কোন পরামর্শ বা তার কোন উপদেশ অনেক মন্ত্রণালয়ের জন্য শিরোধার্য। মন্ত্রণালয় তার সম্মান রক্ষার্থে চেষ্টা করে। তিনি মন্ত্রীদের কাছেও অনেক সম্মানিত। বলা হয় তিনি যেকোন মন্ত্রীর চেয়ে ক্ষমতাবান।

    শেখ ফজলে নূর তাপস:

    তৃতীয়বারের মত এবার এমপি হয়েছেন। তিনি শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে। তাঁর চেয়েও বড় পরিচয় হলো তিনি আওয়ামী লীগের দু:সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনজীবি হিসেবে সকলের নজর কেড়েছেন। তিনি মূলত আইনপেশায় নিয়োজিত থাকলেও তাপস কোন মতামত দিলে তা উপেক্ষা করা যে কারো জন্য কঠিন হয়। তাকে সবাই সম্মানের চোখে দেখেন। তিনিও অনেক মন্ত্রীর চেয়ে ক্ষমতাবান।

    তাঁরা ক্ষমতাবান হলেও দেখা যায় যে, ক্ষমতাকার্য শুধুমাত্র ভূক্তভোগি বা জনগনের কল্যানেই প্রয়োগ করেন। ভুক্তভোগি জনগনের পক্ষে তাঁরা বিভিন্ন বিষয়ে সবসময় কথা বলেন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাঁরা তৎপর হন বলেও জানা যায়।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী