• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    ৩ এপ্রিল পবিত্র শবে মেরাজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ মার্চ ২০১৯ | ১০:০৬ অপরাহ্ণ

    ৩ এপ্রিল পবিত্র শবে মেরাজ

    লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী, যা সচরাচর শবে মেরাজ হিসাবে আখ্যায়িত, ইসলাম ধর্মমতে যে রাতে ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) অলৌকিক উপায়ে উর্ধ্বাকাশে আরোহণ করেছিলেন এবং স্রষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

    রজব মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী ৯ মার্চ শুরু হবে হিজরি সনের রজব মাস। সেই অনুযায়ী আগামী ৩ এপ্রিল (২৬ রজব) পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠেয় সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

    মুসলমানরা এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে এই রাতটি উদযাপন করেন। ইসলামে মেরাজের বিশেষ গুরুত্ব আছে, কেননা এই মেরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয় স্তম্ভ অর্থাৎ নামায মুসলমানদের জন্য অত্যাবশ্যক অর্থাৎ (ফরজ) নির্ধারণ করা হয় এবং দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের বিধান নির্দিষ্ট করা হয়।

    এই রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মেরাজ গমন করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সান্নিধ্য লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা হিজরি ২৬ রজব দিবাগত রাতে শবে মেরাজ উদযাপন করেন। ফার্সি ভাষায় শব-এর অর্থ হচ্ছে রাত আর আরবি ভাষায় মেরাজ অর্থ হচ্ছে সিঁড়ি বা ঊর্ধ্বারোহণ।

    অর্থাৎ রাতে ঊর্ধ্ব জগতে আরোহণ। ইসলামে এই রাতকে বিশেষ ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া কবুলের পবিত্র রাত হিসেবে গণ্য করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি কাটাবেন।

    এই উপলক্ষে অনেকে নফল রোজা রাখেন, দান-সদকাও করেন। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় মসজিদুল হারাম হতে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত সফরকে ‘ইসরা’ এবং মসজিদুল আকসা হতে সাত আসমান পেরিয়ে আরশে আজিম সফরকে ‘মেরাজ’ বলা হয়।

    ইতিহাসের নিরিখে নবুওয়াত লাভের দশম বছর ৬২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ রজব দিবাগত রাতে মহানবী (সা.) মেরাজ গমন করেন। পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ঈসরাইল ও সূরা নজমের আয়াতে, তাফসিরে এবং সব হাদিস গ্রন্থে মেরাজের ঘটনার বর্ণনা রয়েছে।

    পবিত্র এই রাতে হজরত জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে নবীজী প্রথমে বায়তুল্লাহ শরিফ থেকে বোরাকে চড়ে বায়তুল মুকাদ্দাসে যান। সেখানে হজরত আদম (আ.)সহ নবীদের (আ.) নিয়ে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। তারপর সেখান থেকে তিনি এই রাতেই সপ্তম আকাশ পেরিয়ে সিদরাতুল মুনতাহায় উপনীত হন।

    এরপর রফরফ নামক বাহনে চড়ে আল্লাহর প্রিয় হাবিব মহান প্রভুর অনুগ্রহে আরশে আজিমে পৌঁছেন। আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ ও সরাসরি কথোপকথন শেষে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী