• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    অপারেশন ‘ঈগল হান্ট’ সমাপ্ত, ৪ লাশ উদ্ধার

    আজকের অগ্রবাণী ডেস্ক: | ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ৮:১৬ অপরাহ্ণ

    অপারেশন ‘ঈগল হান্ট’ সমাপ্ত, ৪ লাশ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ‘জঙ্গি আস্তানা’ থেকে রফিকুল আলম আবুসহ চারজনের লাশ পাওয়া গেছে, যারা নিজেদের বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।


    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ সমাপ্ত ঘোষণা করে এক ব্রিফিংয়ে একথা জানান রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি খুরশেদ হোসেন।

    ajkerograbani.com

    এর আগে আহত অবস্থায় আবুর স্ত্রী ও এক মেয়েকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, “অন্য অপারেশনের চেয়ে এটা আমরা সফলভাবে শেষ করতে পেরেছি। এ অভিযানে আমরা আবুর স্ত্রী ও মেয়েকে জীবিত বের করে আনতে সমর্থ হয়েছি।”

    তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে জানিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ভেতরে থাকা নারী ও শিশুদের কথা চিন্তা করে তাদের বার বার বের হয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। সর্বশেষ বিকালেও মাইকিং করে তাদের বের হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

    সোয়াতের অপারেশন শেষ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে এখন বোমা ডিসপোজাল দল কাজ করবে বলে জানান রাজশাহী রেঞ্জের এ ডিআইজি।

    উপজেলার শিবনগর-ত্রিমোহনীগ্রামে আমবাগান ঘেরা ওই একতলা ওই বাড়িতে মাস তিনেক ধরে রফিকুল আলম আবু (৩০) নামের এক ব্যক্তি এবং তার স্ত্রী-সন্তানসহ চারজন থাকতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানায় পুলিশ। তবে আবুর আরেক সন্তান তার নানির বাড়িতে রয়েছেন বলে অভিযানের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    কে এই আবু

    শিবনগর-ত্রিমোহনী গ্রামে আমবাগানের মধ্যে একতলাওইবাড়ির মালিক ৭৫ বছর বয়সী সাইদুর রহমান ওরফে জেন্টু বিশ্বাস। তিনি এলাকায় ধনী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। নিজের পরিবার নিয়ে পাশেই আরেকটি বাড়িতে তিনি থাকেন।

    স্থানীয়রা জানান, মাস তিনেক আগে চাচরা গ্রামের দিনমজুর আফসার আলীর ছেলে রফিকুল আলম আবুকে ভাড়া ছাড়াই ওই বাসায় থাকতে দেন জেন্টু বিশ্বাস।

    একসময় মাদ্রাসায় পড়া আবু একজন ভ্রাম্যমাণ মসলা বিক্রেতা। আট ও ছয় বছর বয়সী দুটি মেয়ে রয়েছে তার।

    ত্রিমোহনীর ওই বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে চাচরা গ্রামে আবুর বাবা-মা থাকেন। সকালে সাংবাদিকরা সেখানে গেলে আবুর মা ফুলছানাবেগমের সঙ্গে তাদের কথা হয়।

    তিনি বলেন, প্রায় নয় বছর আগে সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে বিয়ের পর একই উপজেলার আব্বাস বাজারে শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন আবু। মাস তিনেক আগে তিনি জেন্টুর বাড়িতে ওঠেন।

    ছেলেবেলায় আবু চাচরা গ্রামের মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন বলে জানালেও কোন শ্রেণি পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা করেছেন- সে বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি তার মা।

    তিনি জানান, আবু দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড়। বোনের বিয়ে হয়েছে। আর ছোট ভাই আবদুস সবুর রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।

    সকালে পুলিশ আবুর বাসা ঘিরে ফেলার আগেই কানসাট ইউনিয়নের আব্বাস বাজার এলাকার তিনটি বাড়ি ঘেরাও অভিযান চালানো হয়। তবে সেখানে কাউকে গ্রেপ্তারের কথা পুলিশ স্বীকার করেনি।

    সম্প্রতি চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি বাড়িতে অভিযান চালানোর পর পুলিশ গত শুক্র ও শনিবার ঝিনাইদহের একটি বাড়ি ঘিরে অভিযান চালিয়ে ‘বিপুল বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম’ উদ্ধার করে।

    এরপর মঙ্গলবার দিনভর রাজশাহীর একটি এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ঘিরে ‘ব্লক রেইড’ চলে। তবে সেখানে কোনো জঙ্গি আস্তানার খোঁজ পায়নি পুলিশ।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757