• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আইটি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৫২ শতাংশ ব্যাংক

    আজকের অগ্রবাণী ডেস্ক: | ০৭ মে ২০১৭ | ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

    আইটি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৫২ শতাংশ ব্যাংক

    ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ মোবাইল ও অনলাইনভিত্তিক লেনদেন বাড়ায় দেশের ৫২ শতাংশের বেশি ব্যাংক তথ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। এর মধ্যে ১৬ শতাংশ রয়েছে খুবই উচ্চ ও ৩৬ শতাংশ উচ্চনিরাপত্তা ঝুঁকিতে।


    বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) পর্যালোচনায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। শুক্রবার ‘রিভিউ ওয়ার্কশপ পেপার অন আইটি অপারেশন অব ব্যাংকস’শীর্ষক সেমিনারে গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

    ajkerograbani.com

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালে দেশে প্রায় ৩২ হাজার ২০০ কোটি টাকা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। এ ছাড়া এটিএম বুথের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। আর্থিক লেনদেনের উল্লেখযোগ্য অংশ এ পদ্ধতিতে লেনদেন হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট দুর্বল।

    ১৬ শতাংশ ব্যাংক মনে করে, তাদের বর্তমান আইটি নিরাপত্তা যথেষ্ট নয়। তারা উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। ৩৬ শতাংশ ব্যাংক মনে করে, যেকোনো মুহূর্তে তাদের তথ্য চুরি হতে পারে। এ ছাড়া ৩২ শতাংশ ব্যাংক কিছুটা কম ঝুঁকিতে এবং ১২ শতাংশ ব্যাংক কম ঝুঁকিতে রয়েছে। আর ৪ শতাংশ মনে করে, তথ্যপ্রযুক্তিতে তাদের ব্যাংক কোনো ঝুঁকিতে নেই।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বিআইবিএমের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান।

    তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো বিদেশি সফটওয়্যার ব্যবহারে ঝুঁকছে। এর পেছনে বড় অংকের অর্থ খরচ হলেও ব্যাংকগুলো এখনো ঝুঁকিমুক্ত হয়নি। বাংলাদেশের সব ব্যাংকে একই সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করলে সাইবার ঝুঁকি ও আর্থিক ক্ষতি দুটোই কমানো সম্ভব। কিছু কিছু ব্যাংক তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। এ খাতে তাদের বাজেট যেমন কম, তেমনি কেনাকাটায়ও দেরি করছে। কর্মীদের প্রশিক্ষণও সেভাবে দিচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে ব্যাংকগুলোকে বেরিয়ে আসতে হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি আইটি সিকিউরিটি গাইডলাইন তৈরি করেছে। দেশের ব্যাংকগুলোর আইটি নিরাপত্তা বাড়াতে ও সচেতনতা তৈরির ওপর জোর দিতে হবে। আইটি খাতে যথাযথ বিনিয়োগ করা হলে ব্যাংকের বাড়তি খরচ কমে যাবে। কেননা, যথাযথ প্রযুক্তির সঙ্গে একজন দক্ষ কর্মী দিলে তিনি ১০ জনের সমান কাজ করতে পারবেন।

    কয়েক বছর ধরেই ব্যাংকিং খাতে আইটি ও সাইবার নিরাপত্তাসহ সাতটি বিষয়ের ওপর গবেষণা করে আসছে বিআইবিএম। ব্যাংকিং খাতের সেবার মান বাড়াতে বিআইবিএমের সুপারিশের আলোকে ব্যাংকগুলো ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জানান বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী।

    ব্যাংক অডিটে দক্ষ আইটি বিশেষজ্ঞ রাখার ওপর জোর দেন পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী।

    তিনি বলেন, ব্যাংক অডিটে প্রত্যেক টিমের মধ্যে একজন করে দক্ষ আইটি বিশেষজ্ঞ রাখতে হবে। অডিটের সময় আইটি দুর্বলতা ধরা না পড়ার কারণে বড় বড় জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে। ব্যাংকারদের তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে যথেষ্ট দক্ষ হতে হবে।

    ব্যাংকিং খাতে কয়েক ধরনের জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলী বলেন, এসব জালিয়াতির জন্য কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংকাররা দায়ী। আবার কিছু ঘটনা গ্রাহকদের অসচেতনতার কারণে ঘটছে। সুতরাং উভয় পক্ষকেই সচেতন হতে হবে।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757