• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান

    ইঞ্জিনিয়ার এম এম আবুল হোসেন | ২২ জুন ২০১৭ | ৮:৫১ অপরাহ্ণ

    আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান

    দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুক্রবার। ১৯৪৯ সালের এই দিনে পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনের এক সমাবেশ থেকে আত্মপ্রকাশ করে ঐতিহ্যবাহী এই রাজনৈতিক দলটি। প্রতিষ্ঠাকালে এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। প্রতিষ্ঠালগ্নে সংগঠনটির সভাপতি ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। পরে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে সংগঠনটির নামকরণ হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সভাপতি নির্বাচিত হন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই পরিচালিত হয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধ। এ কারণেই দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের নাম। জন্মলগ্ন থেকেই দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি দায়বোধ নিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে নানা চড়াই-উৎরাই পাড়ি দিয়ে আজকের অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দলটি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসীন রয়েছে আওয়ামী লীগ। নানা আয়োজনে এবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে দলীয়ভাবে।
    ভাষা আন্দোলন, খাদ্য আন্দোলন, মুসলিম লীগবিরোধী ২১ দফা প্রণয়ন ও যুক্তফ্রন্ট গঠন, ’৫৪-এর নির্বাচনে বিজয় ও মুসলিম লীগের ভরাডুবিসহ তৎকালীন ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে ’৫০-এর দশকেই আওয়ামী লীগ হয়ে ওঠে পূর্ববাংলার রাজনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর জাতিগত নিপীড়ন, শোষণ, বঞ্চনা, বৈষম্য এবং অব্যাহত স্বৈরশাসন ক্রমশ বাঙালি জাতির মোহমুক্তি ঘটায়। সামপ্রদায়িক ভাবধারার আচ্ছন্নতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে আত্মসম্বিৎ ফিরে পায় বাঙালি জাতি। এরই পটভূমিকায় বাঙালি জাতীয়তাবোধের স্ফূরণ, বিকাশ ও বাঙালির স্বতন্ত্র জাতিরাষ্ট্রের ধারণাকে জনচিত্তে প্রোথিত করা এবং অপ্রতিরোধ্য করে তোলার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ পালন করে নিয়ামক ভূমিকা। ’৬০-এর দশকে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ৬ দফা দাবি হয়ে ওঠে স্বাধিকার আন্দোলনের ম্যাগনাকার্টা, পূর্ণ স্বাধীনতাই ছিল যার যৌক্তিক পরিণতি। ৬ দফাভিত্তিক ছাত্র সমাজের ১১ দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সৃষ্ট ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচনে ৬ দফার পক্ষে গণরায় এবং আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় পাকিস্তানের রাজনৈতিক ভারসাম্য বদলে দেয়। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে পালন করে যুগান্তকারী ভূমিকা। আওয়ামী লীগ আত্মপ্রকাশ করে কেবল পূর্ব বাংলার নয়, পাকিস্তানেরও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে। স্বাধীনতার আন্দোলনে দলটি পালন করে অগ্রণী ভূমিকা। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসেন। শুরু করেন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনের দুরূহ কর্মযজ্ঞ। মাত্র সাড়ে তিন বছরে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধের ক্ষত মুছে বাংলাদেশকে উন্নয়ন অভিযাত্রায় শামিল করেন। স্বল্পতম সময়ে ভারত থেকে স্বদেশে প্রত্যাগত এক কোটি শরণার্থী এবং গ্রাম ও ভিটেমাটি ছাড়া প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়ানো দুই কোটি অভ্যন্তরীণ ভাসমান উদ্বাস্তুকে তিনি নিজ নিজ গ্রামে সগৃহে পুনর্বাসিত করেন। তিন লক্ষাধিক নির্যাতিত নারীর সম্মানজনক পুনর্বাসনের কাজও সম্পন্ন করেন। নতুন সংবিধানের ভিত্তিতে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয় সংসদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় স্বৈরশাসনের ধারা।
    একাত্তরের পরাজিত শক্তির সুগভীর ষড়যন্ত্রে প্রাণ হারাতে হয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতিকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে প্রকারান্তরে খুনিচক্র বাঙালি জাতির আÍাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। মুয়াবিয়াপুত্র ইয়াজিদের হাতে হজরত ইমাম হোসেন (রা.) ও মীরজাফরের ষড়যন্ত্রে নবাব সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকাণ্ডের পর ১৫ আগস্ট ইতিহাসের একটি মর্মান্তিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।
    এ ঘটনার মাধ্যমে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি জাতির ঘাড়ে চেপে বসে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম মহানায়ক। সেরা মুক্তি সংগ্রামী, সেরা রাষ্ট্রনায়ক। জননন্দিত নেতা হিসেবে তার তুলনা ছিলেন তিনি নিজেই। দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা ও দায়বোধ তাকে মহীরূহে পরিণত করেছিল। ব্যক্তি শেখ মুজিব হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু। বাঙালি জাতি, বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অস্তিত্বের শত্র“রা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে প্রকারান্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকেই হত্যা করতে চেয়েছিল।
    বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যদি লিখতে হয় তবে সর্বপ্রথম লিখতে হবে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক নেতা, পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পুরোধা এবং বাংলাদেশের জাতির জনক। জনসাধারণের কাছে তিনি শেখ মুজিব নামে বেশি পরিচিত এবং তার উপাধি হচ্ছে বঙ্গবন্ধু।
    বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম মহানায়ক। সেরা মুক্তি সংগ্রামী, সেরা রাষ্ট্রনায়ক। জননন্দিত নেতা হিসেবে তার তুলনা ছিলেন তিনি নিজেই। দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা ও দায়বোধ তাকে মহীরূহে পরিণত করেছিল। ব্যক্তি শেখ মুজিব হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু। বাঙালি জাতি, বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অস্তিত্বের শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে প্রকারান্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকেই হত্যা করতে চেয়েছিল।
    ১৫ আগস্টের ঘটনা জাতীয় রাজনীতিতে অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা পরিবর্তনের যে কালো অধ্যায়ের সূচনা করে তার পরিণতিতে বারবার বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে যে সা¤প্রদায়িকতা ও দ্বিজাতিতত্তে¡র বিভেদ নীতিকে বাংলাদেশের মানুষ কবর দিয়েছিল, তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়াস চলে ১৫ আগস্টের পর থেকে। এমনকি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধে তারা কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। বাংলাদেশের মানুষ খুনিচক্র এবং তাদের দোসরদের সে ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়নি। ১৯৯৬ সালে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল হয় দেশবাসীর প্র্যাশার পরিপূরক হিসেবে। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার এবং খুনিদের পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ৪১ বছর আগে প্রাণ হারিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির এজেন্টদের হাতে।
    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা এবং স্বাধীনতার চেতনাকে মুছে ফেলার অপচেষ্টায় এক কালো অধ্যায়ের সূচনা করে অপরিণামদর্শী ঘাতকরা। অকৃতজ্ঞ ঘাতকরা ১৫ আগস্ট কালোরাতে শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, ঘৃণ্য নরপশুরা একে একে হত্যা করেছে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামালকে। জঘন্যতম এই হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেনি বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মণি, কর্নেল জামিলসহ ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয় স্বজনকে।
    ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নির্মম ও কলঙ্কজনক অধ্যায়ের দিন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট যা ঘটেছিল তা মানবেতিহাসের ঘৃণ্যতম অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সর্বোপরি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি এ ঘটনা ছিল ভয়ঙ্কর কুঠারাঘাত।
    এরপর থেকে দেশকে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে দলটি। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা দলের হাল ধরেন। গণতান্ত্রিক ধারায় দেশকে ফিরিয়ে আনতে শুরু হয় তার আপসহীন সংগ্রাম। দেশে ফেরার পর থেকে তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে ১৯৯৬ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার পরিচালনার দায়িত্বগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ। দায়িত্ব গ্রহণের পর নানা চড়াই উৎরাই পার করে সরকার পরিচালনা করছে দলটি। আর সবকিছুর সামনে দৃঢ়তার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
    আওয়ামীলীগ দেশের মানুষের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের জীবনমান পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের দুরদর্শী পরিকল্পনার কারনেই আজ দেশের জিডিপি বেড়ে ৭.২৪% হয়েছে, মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৬০২ মার্কিন ডলার হয়েছে, দারিদ্র্য আগের চেয়ে অর্ধেকে কমে ২২% এ নেমে এসেছে।
    আমরা সামাজিক নিরাপত্তা জালের মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি মানুষের জীবন মান বদলে দিয়েছি। ২০১৭ এপ্রিলের হিসেব অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩২০০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। মাছ, ধান এবং শীতকালীন সবজীর বাম্পার ফলনে দেশ খাদ্য নিরাপত্তায় স্বয়ংসম্পুর্ণ হয়েছে।
    আমাদের সরকার প্রবাসে কাজের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করে প্রায় ৩০ লক্ষ লোক বিদেশে পাঠিয়েছে। গত ৫ বছরে প্রবাসীরা নয় হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি দেশে পাঠিয়েছে।
    আওয়ামীলীগের প্রতিশ্রুতি ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ তৈরি করা। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে ইন্টানেটের সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরে, আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে তাঁদের বিচার করছি। তাঁদের পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ইতোমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে।
    আওয়ামীলীগই বিশ্বে প্রথম জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি গ্রহণ করেছি। লিঙ্গভিত্তিক সমতায় আমরা বৈশ্বিক মাপকাঠিতে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছি। ‘২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্যে বিদ্যুৎ’ এই প্রতিশ্রুতিতে আমরা ইতোমধ্যেই দেশের ৮০% জনগণের জন্যে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছি। সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যে ২২৮ কোটি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। সাক্ষরতার হার বেড়ে হয়েছে ৭০%।
    বিএনপিকে জনগণ দুই বার বিশ্বাস করে সরকার গঠন করতে দিয়ে বুঝেছে তাদেরকে আর বিশ্বাস করা যায় না। তাঁদের গতবারের শাসনামলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপরে গ্রেনেড হামলা করা হয়। ৬৪ জেলায় জঙ্গিরা বোমা হামলা করে। দেশে নারী স্বাধীনতার অবস্থা ছিলো করুণ। তাঁদের এই শাসনামলে, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের পতাকা সেই স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে তুলে দেয়া হয়েছিলো তাদেরকে মন্ত্রী করে। এখন সেইসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে।
    স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে থাকুন। উন্নত অর্থনীতি, নারী স্বাধীনতা ও রূপকল্প ২০২১ অর্জন করতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

    লেখক : ইঞ্জিনিয়ার এম এম আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ।


    Facebook Comments Box


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757