• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আওয়ামী লীগ- বিএনপিতে তরুণ প্রার্থী যারা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: | ১৪ জুলাই ২০১৭ | ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ

    আওয়ামী লীগ- বিএনপিতে তরুণ প্রার্থী যারা

    প্রতিবারের মতো এবারও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন তরুণ নেতারা। কর্মকাণ্ডের জন্যই কিছু সংসদ সদস্য ও সিনিয়র নেতারা নিজ এলাকায় সমালোচিত ও বিতর্কিত হয়ে পড়েছেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাসহ স্থানীয় ভোটারদের কাছে তারা গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন। এ ধরনের আসনগুলোসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তরুণরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে স্থানীয়দের কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।


    ২০০৮-এ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৮০ জনের মতো তরুণ প্রার্থীকে প্রথমবারের মতো মনোনয়ন দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। এদের প্রায় সবাই বিজয়ী হয়েছিলেন। অনেকেই বাঘা বাঘা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। তবে, বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা জয়পুরহাট-১ এ অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন।

    ajkerograbani.com

    বিপরীতে অপর সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী দিনাজপুর-২ এ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমানকে পরাজিত করেন। ওই নির্বাচনে বিজয়ী অনেক তরুণ সংসদকে মন্ত্রিসভাতেও স্থান দেয়া হয়। এদের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম রাজশাহী-৬, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম প্রমুখ। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রথমবার মনোনয়ন পেয়ে এমপি হয়েছেন অন্তত ২০ জন। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও অনেক তরুণ প্রার্থী দলের হয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য মাঠ তৈরিতে যারা ব্যস্ত তাদের একজন দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।

    নেত্রকোনা-৩ আসন থেকে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন। তিনি মনে করেন নির্বাচনের মাঠ তার পক্ষে। এছাড়া দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী (চাঁদপুর-৩), সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন (চট্টগ্রাম-১৫), কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট এবিএম রিয়াজুল কবীর কাউসার (নরসিংদী-৫), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), আমিরুল আলম মিলন (বাগেরহাট-৪), মারুফা আক্তার পপি জামালপুর (জামালপুর-৫) থেকে মনোনয়ন চাইবেন।

    এদের মধ্যে সুজিত রায় নন্দী ও এনামুল হক শামীমের এলাকায় খুব ভালো অবস্থান রয়েছে। চাঁদপুর-৩ এর তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুজিত রায় নন্দীর নিবিড় যোগাযোগ আছে। কিন্তু বর্তমান এমপি দীপু মনি দলের বড় নেতা হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সুজিত রায় নন্দীর মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না।

    অপরদিকে এনামুল হক শামীমের আসনের বর্তমান এমপি কর্নেল (অব.) শওকত আলী বয়োবৃদ্ধ। শরীয়তপুর-২ এর নেতাকর্মী এবং সংগঠনেও রয়েছে শামীমের প্রভাব।

    ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সাবেক সভাপতি মাইনুদ্দিন হাসান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), শাহে আলম (বরিশাল-২), বাহাদুর বেপারি (শরীয়তপুর-৩), মাহমুদ হাসান রিপন (গাইবান্ধা-৫), সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে ইসহাক আলী খান পান্না (পিরোজপুর-১), অজয় কর খোকন (কিশোরগঞ্জ-৫) প্রমুখ এবার মনোনয়ন যুদ্ধে নামবেন।

    এদিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং কার্যনির্বাহী সংসদের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদকদের মধ্যে শফি আহমেদ (নেত্রকোনা-৪), বলরাম পোদ্দার (বরিশাল-৩), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), সাখাওয়াত হোসেন সফিক (বগুড়া-৬), আতিকুল ইসলাম (পাবনা-৩), ইসতিয়াক আহমেদ শিমুল (ফরিদপুর-১), আবদুস শুকুর ইমন (মেহেরপুর-১), রশিদুল বাসার ডলার (নড়াইল-২), মাকসুদুর আলম ডাব্ল– (মুন্সীগঞ্জ-১), আরিফা রহমান রুমা (গোপালগঞ্জ-১), পনিরুজ্জামান তরুণ (ঢাকা-১), মাজহারুল ইসলাম মানিক (পাবনা-১), আমেনা কোহিনুর আলম (নীলফামারী-৩), নুরুল আলম পাঠান মিলন (ময়মনসিংহ-৭), সফেদ আশফাক তুহিন (দিনাজপুর-৫), এইচএম মিজানুর রহমান জনি (বাগেরহাট-৪), আ ক ম মাহবুবুল হাসান (নরসিংদী-৩)-এর জন্য মনোনয়ন চাইবেন।

    এদিকে ঢাকা-২০ এর এমপি আবদুল মালেকের এলাকাতে নিয়মিত উপস্থিতি থাকলেও নানা কারণে তিনি আলোচিত-সমালোচিত। বিশেষ করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক দূরত্ব রয়েছে তার। এমনকি ঢাকা জেলার বর্ধিত সভায় জেলা সভাপতির সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শফিক আনোয়ার গুলশান যুগান্তরকে বলেন, আগের এবং বর্তমান এমপি নিজের আখের গুছিয়েছেন।

    তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চর্চা বা শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করার পরিবর্তে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। তিনি বলেন, এ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হওয়া উচিত। নেতাকর্মীরা এমপিকে নিয়ে হতাশ এবং বিরক্ত। তরুণ কেউ এলে জনগণ কিছুটা হলেও উপকৃত হবে বলে মনে করি।

    এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু (ঢাকা-১৫), দুই সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপু (রাজবাড়ী-১), সাজ্জাদ সাকিব বাদশা (পিরোজপুর-১), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নাফিউল করিম নাফা (নীলফামারী-৪), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অ্যাডভোকেট রবিউল আলম বুদু (পাবনা-৩) এবার মনোনয়ন চাইবেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ড. আওলাদ হোসেন (ঢাকা-৪) আসনের জন্য নিজের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ (ময়মনসিংহ-২) থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    এদিকে বিএনপিতে বিএনপি সব সময় তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে থাকে। দলের পাশাপাশি মনোনয়নের ক্ষেত্রেও অতীতে তরুণদের স্থান দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে আসছে বিএনপি। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ জনের মতো তরুণ নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এর মধ্যে ১৭ জন এমপির পাশাপাশি কয়েকজন মন্ত্রীও হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও এ ধারা অব্যাহত ছিল। দলের চরম দুর্দিনেও ওই নির্বাচনে শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার মতো তরুণ নেতারা এমপি নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি।

    বিএনপির টিকিটে খুলনা-৪ থেকে এমপি হয়েছিলেন নুরুল ইসলাম দাদুভাই। তিনি শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। তার পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এ আসন থেকে এবার মনোনয়ন পেতে পারেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল। ২০০১ সালে রাজশাহী (চারঘাট-বাঘা) থেকে কবির হোসেন ও বাগমারা-মোহনপুর থেকে আবু হেনা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কবির হোসেন শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় এ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, আবু সাঈদ চানসহ আরও কয়েকজন মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। নওগাঁ-৬ থেকে ২০০১ সালে এমপি হন আলমগীর কবির।

    ক্ষমতায় থাকাকালে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের পাশাপাশি তিনি একসময় এলডিপিতেও যোগদান করেন। আগামী নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়ার সম্ভাবনা কম। তার পাশাপাশি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সাবেক এমপি মোতাহার হোসেন চৌধুরীর ছেলে ছাত্রদলের সাবেক নেতা মামুন চৌধুরী। সিরাজগঞ্জ-৬ থেকে বিগত কয়েকটি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন সাবেক এমপি মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদের। বর্তমানে তিনি শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। তারপরও মনোনয়ন চাইবেন তিনি। তবে তার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে মনোনয়ন পাওয়ার আশায় এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম।

    ফরিদপুর সদর আসনে নবম সংসদ নির্বাচনে জোটের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পান জামায়াতের আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগে ইতিমধ্যে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। এ আসনে বিএনপির সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এবার মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে সংস্কারপন্থী হওয়ার কারণে তৃণমূলে কিছুটা বেকায়দায় আছেন তিনি। এ সুযোগ কাজে লাগাতে চান জেলার সাধারণ সম্পাদক মোদারেছ আলী ইশা ও যুবদল নেতা মাহবুবুল হাসান ভূঁইয়া পিংকু। তবে পিংকু কিছুটা ভালো অবস্থানে আছেন। কারণ বিগত উপজেলা নির্বাচনে সদর থেকে তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে বর্তমান এলজিআরডিমন্ত্রীর ভাইয়ের কাছে পরাজিত হন।

    নাটোর-১ থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল মারা যান। এ আসনে পটলের স্ত্রী অধ্যক্ষ কামরুন্নাহার শিরিনের পাশাপাশি মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন ছাত্রদলের সাবেক নেতা বিএনপির সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু। পঞ্চগড়-২ আসনে সাবেক এমপি মোজাহার হোসেন মারা যাওয়ায় ছাত্রদলের সাবেক নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ একক প্রার্থী হিসেবে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। লক্ষ্মীপুর-৪ থেকে ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য হন আশরাফ উদ্দিন নিজান। তার পাশাপাশি এবার ওই আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।

    মাদারীপুর-১ থেকে তরুণ নেতা জামান কামাল মোল্ল্যা নুরুদ্দিন অনেকটা এগিয়ে আছেন। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নাজমুল হুদা চৌধুরী মিঠু মারা গেছেন এবং ঠাণ্ডু চৌধুরী বয়সের ভারে ন্যুব্জ। জানতে চাইলে জামান যুগান্তরকে বলেন, ‘এলাকার নেতাকর্মীদের যে কোনো বিপদ-আপদে সাধ্যমতো সহযোগিতা এবং তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি বলে পরিচিত এ আসনে চমক দেখাতে পারব বলে আশা করি।’

    বিএনপির কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, এদের ছাড়াও যেসব তরুণ নেতা আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে আগ্রহী বা এলাকায় কাজ করে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে আছেন- পটুয়াখালী-২ (বাউফল) মুনির হোসেন, পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন, পটুয়াখালী-১ অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, শহিদুল ইসলাম বাবুল ফরিদপুর-২, আবদুল মতিন নওগাঁ-৪, আমিরুজ্জামান খান শিমুল ঝিনাইদহ-৩, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল নরসিংদী-৪, ঝালকাঠি-২ মাহবুবুল হক নান্নু, ভোলা-৪ নূরুল ইসলাম নয়ন, কুমিল্লা-৪ আবদুল আউয়াল খান, চাঁদপুর-২ মোস্তফা খান সফরী, ময়মনসিংহ-১০ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

    চট্টগ্রাম-২ আসনে বিগত সময়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন যুদ্ধাপরাধী মামলায় ফাঁসি হওয়া সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। এ আসনে এবার তার স্ত্রী ফরহাদ কাদের চৌধুরী, ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ছাড়াও তরুণ সাংবাদিক নেতা কাদের গনি চৌধুরী মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে পেশাজীবী হিসেবে কয়েকজনকে এবার মনোনয়ন দেয়া হবে। পেশাজীবী তালিকায় গনি সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন। এ প্রসঙ্গে কাদের গনি চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, নানা কারণে ফটিকছড়ি এলাকা নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়েছিল। দলে সাংগঠনিক গতি আনতে তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এতে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। দল তাকে মনোনয়ন দিলে এ আসনটি আবারও খালেদা জিয়াকে উপহার দিতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

    এ ছাড়া ঢাকা-১২ (তেজগাঁও) যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৮ (উত্তরা) যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, ওবায়দুর রহমান চন্দন জয়পুরহাট-২, শহীদুল্লাহ ইমরান নেত্রকোনা-৫, ইশতিয়াক আহম্মেদ নাসির কিশোরগঞ্জ-৫, ঢাকা-৪ সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা-১৬ (পল্লবী) আসনে বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক মনোনয়ন চাইবেন এবং এলাকায় কাজ করছেন।

    ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু জেলখানায় মারা যান। দলটির নেতাকর্মীরা মনে করেন, বিএনপির কারণে মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে কারাগারেই তাকে মরতে হয়েছে। এ ছাড়া পিন্টু দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ারও আস্থাভাজন ছিলেন। তাই এ আসনে এবার পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা মনোনয়ন চাইবেন এবং পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কল্পনা ছাড়াও এ আসনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম রাসেল মনোনয়ন চাইতে পারেন। এ প্রসঙ্গে কল্পনা যুগান্তরকে বলেন, এ দলের জন্য পিন্টু যা করেছেন তা সবাই জানেন। জীবনের শেষ পর্যন্ত বিএনপির জন্য কাজ করে গেছেন। দলের চেয়ারপারসনের প্রতি আমার আস্থা এবং বিশ্বাস আছে এবং আশা করি তিনি পিন্টুর পরিবারকে বিমুখ করবেন না।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755