• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণ জব্দের কাজ শুরু

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ০৪ জুন ২০১৭ | ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ

    আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণ জব্দের কাজ শুরু

    আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণ ও ডায়মন্ড জব্দের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। রোববার সকাল ১০টায় একযোগে আপন জুয়েলার্সের ৫টি শোরুমে এ প্রক্রিয়া শুরু করার কথা ছিল। তবে সকাল সাড়ে ৯টায় শুল্ক গোয়েন্দার একটি দল গুলশান-১ ডিসিসি মার্কেট শাখায় এ প্রক্রিয়া শুরু করে।


    এ প্রক্রিয়ায় আপন জুয়েলার্সের ৫টি শো রুম থেকে পাওয়া সাড়ে ১৩ মণ স্বর্ণ আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দ দেখানো হবে। জব্দকৃত এ স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থানান্তর করা হবে।

    ajkerograbani.com

    শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মইনুল খান এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষকে যথেষ্ট সময় দেয়া হয়েছে। তাদের তিন বার তলব করা হয়েছিল, দু’বার এসেছিলেন তারা। কিন্তু যেসব কাগজ-পত্র চাওয়া হয়েছিল সেসব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছেন আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষ। এ কারনে স্বর্ণগুলো অবৈধ বলে ধারণা করছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

    শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের ডিজি জানান, আপন জুয়েলার্সের পক্ষ থেকে যেসব কাগজ-পত্র দাখিল করা হয়েছে সেসব যাচাই করে দেখা গেছে সবই ভুয়া। আয়কর এবং ভ্যাট স্টেটমেন্ট অনুযায়ী তাদের মজুদকৃত সোনার পরিমাণ একেবারে কম। আপন জুয়েলার্সে যে পরিমাণ সোনা পাওয়া গেছে তার মাত্র দুই ভাগ আয়কর নথি এবং ভ্যাট স্টেটমেন্টে উল্লেখ করা আছে।

    তিনি জানান, প্রথমদিন দিলদার যেসব তথ্য দিয়েছেন সেসব তথ্যের সঙ্গে পরের তথ্যের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। একটি ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে দিলদার ও তার সহযোগীরা যে ধরনের ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন তাতে তাদের কুৎসিৎ চেহারা ফুটে উঠছে। আরও অনেক অসততার চিত্র ধরা পড়ছে। একটি মিথ্যাকে ঢাকতে তিনি আরও অনেক মিথ্যা ও অস্বচ্ছতার জালে জড়িয়ে যাচ্ছেন।

    দিলদার আহমেদ ও তার ব্যবসায়িক অংশীদারদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা হতে পারে বলেও জানান মইনুল খান।

    ২৮ মার্চ রাতে রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে রাতভর ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী।

    ধর্ষণের ঘটনার ভিডিওচিত্র ধারণ করে সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন। আরেক ধর্ষক হিসেবে নাঈম আশরাফের নাম প্রকাশিত হয়। দুই ধর্ষকের সহযোগী সাদমান সাকিফ ‘র‌্যাগনাম গ্রুপের’ ব্যবস্থাপনা পরিচালক। অপর সহযোগী আবুল কালাম আজাদ হলো সাফাতের দেহরক্ষী।

    ধর্ষণের ঘটনায় ৬ মে দুই ছাত্রী পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করেন।

    পরে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অভিযান চালায় আপন জুয়েলার্সের শো’রুমে। অবৈধ উল্লেখ করে আটক করা হয় প্রায় সাড়ে ১৩ মণ সোনা ও ৪২৭ গ্রাম হীরা।

    পরে গ্রাহকরা কাগজ-পত্র দেখিয়ে দুই কেজি ৩৩০ গ্রাম সোনা অধিদফতর থেকে নিয়ে যায়। বাকি সোনার কোনো কাগজ-পত্র দেখাতে পারেনি আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষ।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757