• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আবগারি শুল্ক প্রত্যাহারের চিন্তা সরকারের

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ১৩ জুন ২০১৭ | ৬:৪২ অপরাহ্ণ

    আবগারি শুল্ক প্রত্যাহারের চিন্তা সরকারের

    ব্যাংক হিসাবে বাড়তি আবগারি শুল্ক প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়ে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ মহলে চিন্তাভাবনা চলছে। এ বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান আসবে বলে আশা করেন তিনি।


    আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    ajkerograbani.com

    বাড়তি আবগারি শুল্ক প্রত্যাহারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আমার বিশ্বাস আমাদের নেতৃত্ব যিনি সরকার পরিচালনা করেন, আমাদের অর্থমন্ত্রী এরা বোবা কালা নন। এরা জনগণের মধ্যে বসবাস করেন। জনসমাজে বসবাস করেন। সংসদের নেতা। এসব কথা শুনে এবং বাইরে জনগণের কথা শুনে আমার বিশ্বাস এ বিষয়েও আমরা একটা গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসতে পারব। আমরা আশ্বস্ত করছি এ সম্পর্কে এ মুহূর্তে এ বিষয়ে সরকারের উচ্চমহলে চিন্তা ভাবনা চলছে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আবগারি শুল্ক আছে ১৯৪৭ সাল থেকে। আগে কম ছিল। বেড়ে বেড়ে ৫০০ টাকা হয়েছে। এটা সব অ্যাকাউন্টে ছিল। এক হাজার টাকার একাউন্টেও ছিল। এক কোটি টাকার অ্যাকাউন্টেও ছিল। সবাই এটা দিয়ে আসছি। বরং এখন বড় অ্যাকাউন্টে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা করা হয়েছে। এখানেও ন্যায্যতা মূলনীতি কল্যাণ সেটা ঠিকই আছে।

    অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংসদেরা যেসব প্রস্তাব দিচ্ছেন, সেগুলো অর্থ মন্ত্রণালয় গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে। বাজেট যখন পাস হবে তখন প্রত্যেকটি বিষয় আবার পর্যালোচনা করা হবে।

    ১৫ শতাংশ ভ্যাটের বিষয়ে অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভ্যাট নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। সবার প্রতি সম্মান রেখে কয়েকটি কথা বলতে চাই। ভ্যাট সারা বিশ্বে এই মুহূর্তে ১৬৯টি দেশে প্রচলিত আছে। সারা বিশ্বে এটা স্বীকৃত, বৈজ্ঞানিক। এটা সবাই গ্রহণ করেছেন। সারা বিশ্বে ভ্যাটের গড় ১৪ দশমিক ০৮। আমরা সেখানে ১৫ তে আছি। এটা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে। কিন্তু ভ্যাটের ন্যায্যতা সাম্যতা নিয়ে প্রশ্ন নেই।’

    এম এ মান্নান বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষ, ৬০-৭০ ভাগ। তাদের সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সাফাই গেয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ব্যাংকগুলোর মালিক জনগণ। যে টাকা আমরা এদেরকে দিচ্ছি, সেটা জনগণের টাকা আমরা স্বীকার করি। একজন গৃহস্থ যখন তার কোনো সদস্য একটা সমস্যায় পড়ে রোগাক্রান্ত হয় তখন তার পুঁজি দিয়ে খরচ করে। ঠিক সেভাবে আমরা আমাদের ব্যাংকগুলোকে সুযোগ করে দিচ্ছি। আমরা ব্যাংকগুলোর আইন পরিবর্তন করেছি। করপোরেট আইন করেছি। বোর্ড পুনর্গঠন করেছি। বোর্ডে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিজ্ঞ আমলাদের নিয়ে এসেছি। ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757