• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আলতু মিয়ার ফালতু প্যাচাল

    শহীদুল ইসলাম বেলায়েত | ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ৬:০৫ অপরাহ্ণ

    আলতু মিয়ার ফালতু প্যাচাল

    আল্লার রহমতে কোন মারামারি কাটাকাটি না কইরাই আমাগো মোকসেদপুর পৌরসভার এলেকশন শ্যাষ হইয়া গেছে। পরায় ১৭ বচ্ছর পরে শান্তি মতো ভোট দিতি পাইরা ভোটাররা খুব খুশি। খুশি হবিনা ক্যান, আল্লার ফজলে এই এলেকশনে সব ভোটাররা ভালই কামাই রোজগার করছে আবার ভোটটাও শান্তিতে দিতি পারছে। শুনলাম মিম্বার চিয়ারম্যানিতে খাড়াইয়া একেক ক্যানডিডেট জমি জিরাত,গরু-ছাগল বেইচা ফুতুর হইয়া গেছে। যারা জিত্যা গেছে তাগো দিলে এটু শান্তি হইলিও যারা হইতি পারে নাই তাগো দিলের কষ্ট ভাইব্যা আমার কইলজা ফাইটা যাইতি চায়। আহারে হালাল কামাইর টাকা ক্যাম্বায় ছ্যাচড় ভোটাররা লুইট্টা খাইলো। একেক ওয়াডে ব্যাটা মিম্বার, মাইয়া মিম্বার খাড়াইছে ৮/৯জন। ইয়ার উপ্যার চিয়ারম্যান ক্যানডিডেটতো আছেই। পেত্থম পেত্থম ক্যানডিডেটরা সব ভোটারগো চা পান খাওয়ার জন্যি ২০০/৩০০ কইরা মাইরা গেছে। ইয়ার পরে এলেকশনের দিন যতই কুইমা আইছে চা-পান খাওয়ার রেট ততই বাইড়া গেছে। ভোটাররাও কায়দা পাইয়া প্যাচ খেলাইয়া দিছে। ইয়ার নাম পাবলিক,যতই সিয়ানা হও,পাবলিকও তুমাগো চাইত্যা কম টউটনা। শালিস বয়ঠক করতি যাইয়া বিপদে পড়া মাইনষেরে যেম্বায় ছুইলা খাইছো, পাবলিকরাও ফাঁক পাইয়া তুমাগো পগেট কাইট্টা সব বাইর কইরা নিছে। এই নিয়া সেদিন আমাগো খোড়া মজনুর সাথে চা’র দুকানে বইসা কথা কইতিছিলাম। মানুষ ভত্তি দুকানের মইধ্যে খোড়া মজনু আমার কাছে জানতি চাইলো,এলেকশনে কামাই রুজগার কেমন হইলো। আমিতো সরমে মইরা যাওয়ার জুগাড়। ধমক দিয়া কইলাম,এই বান্দর ছ্যামড়া এই বুইড়া কালে আমার কামাই হবি ক্যাম্বায়! ২/৩ জনে আমারে কদমবুছি কইরা দুয়া করার জন্যি যে সেলামী দিয়া গেছে তা আর আমি কইলামনা। এলেকশনের দুই রাইত আগেরত্যা শুরু হইলো পাহারা দিয়া। কিডা কারে টাকা দেয় তা ধরার জন্যি একজনে আরেকজনরে পাহারা দিয়া শুরু করলো। খবর শুনছি ভোটারগো টাকা দিতিছে এই খবর দিয়া এক পাট্টি ধরানোর জন্যি পুলিশ আনছিলো। তার আগে ধরাইনা পাট্টি যে টাকা মাইরা গেছে তা পুলিশে না জানলিও পাবলিকরা সব্বাই জানে। শ্যাষ সুমায়ের পাওয়া টাকা না পাইয়া আমাগো গিরামের অনেকেই দিলে খুব কষ্ট পাইছে। ৫/৬জন ক্যানডিডেট ৫০০ কইরা দিলিও একেক জনে ২/৩ হাজার টাকা পাইতো। আবার ৫ বচ্ছর পরে এলেকশন আসলি সেই সুমায় পাবলিকের কামাই রুজগার হবি; তদ্দিন কতোজন যে কব্বরে সান্ধাইয়া যাবি তা আল্লাই জানে। যাউকগ্যা উয়া নিয়া ভাইব্যা আর কি হবি। দুইখান কথা ভাবতি ভাবতি আমার চান্দি গরম হইয়া যাইতিছে। এ্যাক নম্বর হইলো, পগেটের নগদ টাকা খাটাইয়া যারা মিম্বার চিয়ারম্যান হইলো,তারাতো আর বইসা থাকপিনা। খরচ করা টাকা সূদে আসলে আদায় না কইরা ছাড়বিনা; বিপদে পইড়া চিয়ারম্যান মিম্বারগো কাছে গেলি বুঝবি টাকা খাইয়া ভোট দিয়ার কি মজা। আর দুই নম্বর কথা হইলো, এই যে টাকা খাইয়া ভোট দিয়ার সিস্টেম চালু হইলো কিয়ামতের আগে বন্ধ হবি কিনা তা আল্লাই জানে। যদি বন্ধ না হয়,তাইলে টাকা ছাড়া মাইনষের আর এলেকশন করার ভাগ্য হবিনা, যতোই সে আল্লার ঈমানদার বান্দা হোক,তার মার্কায় আর কেউই সীল মারবিনা।


    Facebook Comments Box


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757