• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আলফাডাঙ্গায় হত্যা মামলার আসামীদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট

    আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ | ৩০ আগস্ট ২০১৯ | ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ

    আলফাডাঙ্গায় হত্যা মামলার আসামীদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট

    ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আলোচিত আজিজার হত্যা মামলার আসামীদের বাড়িঘর ভাংচুর ও মালামাল লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।


    বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় জালাল উদ্দিন ও হোসনেয়ারা বেগম বাদী হয়ে থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেছেন।


    থানার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর উপজেলাধীন উথলী গ্রামের আজিজার মোল্যা (৫০), শিরগ্রাম বাজারে ছুরিকাঘাতে আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীনবস্থায় মারা যান তিনি।

    এই হত্যা মামলায় জালাল ও তার পরিবার মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়ায়। এই সুবাদে হত্যা মামলার স্বাক্ষী ফুল মিয়া ও আজিজারের ছেলে ওবাইদুরের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জনের একটি দল জালালের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাংচুর করে। এ সময় ঘরে থাকা মালামাল, স্বর্নালংকার, নগদ টাকা, সৌর বিদ্যুৎ, মেহগুনী, রেইন্ট্রি, তালগাছ সহ মোট ১৫/২০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগিরা।

    জালাল মোল্যা ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, আমি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলাম, বাড়িতে এসে গ্রামের গ্রুপিং এর শিকার হয়েছি। আমার ভাইকে ওরা মেরে ফেলেছে, আবার আমার পরিবারের সবাইকে ভাই মারার মিথ্যা মামলা দিয়েছে।ফুল মিয়া আমার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছে। সেই টাকা ফেরত না দিয়ে, আরও দশ লক্ষ টাকা চাদা দাবী করেছে। মামলার ভয় দেখিয়ে আমার ভাই কামালের কাছ থেকে দুই লক্ষ টাকা নিয়েছে। শিরগ্রাম বাজারের ঘর ও দোকানপাট গুলি দখল করেছে। আমি থানায় মামলা করেছি। মামলা করায় ফুলমিয়া আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। ওরা আমার সব লুট করে নিয়েও ক্ষান্ত হয়নি।

    এ বিষয়ে ফুল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি জালালের কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেইনি। বরং হত্যা মামলার স্বাক্ষী হওয়ায় জালাল আমার উপর দোষ চাপাচ্ছে।

    বানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাদী হুমায়ন কবীর বাবু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আজিজার মারা যাওয়ার পর জালালদের ঘরবাড়ি ভাংচুর করে লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল লুটপাট করেছে।

    সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আ: কুদ্দুস খান বলেন, আজিজার ও ফুল মিয়া চাচাত ভাই। তাদের বাড়ির রাস্তা নিয়ে পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আজিজার আহত হয়। আমার বাসার সামনে আজিজার আহত হওয়ার আগে ফুল মিয়া নিচে তার কাছে ছিল, হঠাৎ দেখি বোয়ালমারীর লোকজন। তখন স্বাক্ষী ফুল মিয়া আমার বাসার ৪র্থ তলায় তার রুমে (ভাড়ার বাসায়) দৌড়ে উপস্থিত হয়। তাতে ফুল মিয়াকে নিয়ে হত্যা মামলায় আমার সন্দেহ হয়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, আজিজার আহত হওয়ার সময় আমি ঘরেই ছিলাম। ফুল মিয়া তখন কুদ্দস খানের ৪তলা বাসায়। আজিজারের ঘরের সামনে কথা কাটাকাটি হয় তখন বোয়ালমারী থানার জি,আর ২৪০/৯ হত্যা মামলার আসামী বদিয়ার ও জিয়াউর সহ অনেকে উপস্থিত ছিল। ফুল মিয়া তখন কুদ্দুস খার বিল্ডিং এ ছিল।

    জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম বলেন, আজ লুটপাট ও চাঁদা বাজির ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673