• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আসমার সঙ্গে পরকীয়ায় জুয়েল খুন

    | ১০ এপ্রিল ২০১৯ | ১:৪২ অপরাহ্ণ

    আসমার সঙ্গে পরকীয়ায় জুয়েল খুন

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের চাপরতলা গ্রামের জুয়েল মিয়া (২৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। পরকীয়ার জেরেই তিনি নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপাপ্ত পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। হত্যাকাণ্ডের পুরো তদন্ত কাজ তদারিক করেন তিনি।


    হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হারুন মিয়া (৩০) ও তার স্ত্রী আসমা খাতুনকে (২৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন অভিযুক্ত আসামি পলাতক রয়েছেন।

    ajkerograbani.com

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের চাপরতলা গ্রামের মৃত আলতাব আলীর ছেলে হারুন মিয়া চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিভিন্ন কসমেটিকস্ ফেরি করে বিক্রি করেন। বাড়িতে হারুনের স্ত্রী আসমা একাই থাকতেন। একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আসমার সঙ্গে ডেকোরেটর কর্মী জুয়েল মিয়ার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    তিনি জানান, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জুয়েল ও আসমা একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়। বিষয়টি জানতে পেরে হারুন তাদের দুজনকে সতর্ক করে দেন। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি। এ কারণে গত ১৫/২০দিন আগে রাগের মাথায় আসমার মাথার চুলও কেটে দেন হারুন। সেই থেকে জুয়েলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন হারুন। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১৪ মার্চ রাতে আসমার মাধ্যমে ফোন করে জুয়েলকে বাড়িতে ডেকে আনেন হারুন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আসমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হওয়ার এক মিনিটের মাথায় হারুন লাঠি দিয়ে জুয়েলকে আঘাত করেন। পরে হারুনের ছোট বাচ্চার শার্ট দিয়ে জুয়েলের পা এবং গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো হয়। এরপর হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া বাকিরা ধারালো ছুরি দিয়ে জুয়েলকে মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতে করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহ একটি ডোবায় ফেলে দেয়।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পর হারুন চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চলে যান। ঘটনার পাঁচদিন পর ১৯ মার্চ জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত জুয়েলের চাচা আব্দুল হকের করা মামলার সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত কাজ শুরু করে। গত ৮ এপ্রিল ভোরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হারুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তার দেয়া তথ্যমতে ৯ এপ্রিল সকালে চাপরতলা গ্রাম থেকে আসমাকেও গ্রেফতার করা হয়। তবে হত্যকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত আরও পাঁচজন পলাতক রয়েছেন। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    এর আগে গত ১৯ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টায় চাপরতলা গ্রামের খন্দকারবাড়ি সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করে নাসিরনগর থানা পুলিশ। নিহত জুয়েল চারপতলা গ্রামের মৃত আনব আলীর ছেলে।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757