• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ইউপি সদস্যকে বিবস্ত্র করে পেটালেন এএসআই

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ৩০ এপ্রিল ২০১৭ | ১০:৫২ অপরাহ্ণ

    ইউপি সদস্যকে বিবস্ত্র করে পেটালেন এএসআই

    বগুড়ার শেরপুরে মোবাইলে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামকে জনসম্মুখে বিবস্ত্র করে পিটিয়েছেন শেরপুর থানার এএসআই ইকবাল। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার জামাইল বাজারে এ ঘটনা ঘটে।


    পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাতে আহত ইউপি সদস্য শেরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

    ajkerograbani.com

    তবে এএসআই ইকবাল তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    বিশালপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, প্রায় ৪ মাস আগে নাম ভুলের কারণে তিনি তার ভগ্নিপতির ভাই শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন। তখন তাকে জানানো হয় ওই নামের আসামি জেলে আছে। ইকবাল তার আত্মীয়কে ছেড়ে দেবার বিনিময়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। মিষ্টি খাবার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেবার অনুরোধ জানিয়ে লাভ হয়নি। তাকে সরাসরি আদালতে তুলে জেল হাজতে পাঠানো হয়। পরে তিনি তার আত্মীয়কে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনেন। এ ঘটনায় এএসআই ইকবালের সঙ্গে তার (ইউপি সদস্য) সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি ওই পুলিশের ফোন ধরা থেকে বিরত থাকেন।

    তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে এএসআই ইকবাল তাকে ফোন দিলে তিনি ধরেননি। এরপর বাজারে চা দোকানি সাজাকে দিয়ে ফোন দেন। তখন তিনি তাকে বলেন, ওই চামারের সঙ্গে কথা বলবো না। বাধ্য হয়ে চা দোকানি সাজা ওই কথা বলে দেন। এএসআই ইকবাল ক্ষিপ্ত হয়ে চাচা খোদাবক্সকে ফোন দেন। তাকে (ইউপি সদস্য) দ্রুত জামাইল বাজারে হাজির করতে নির্দেশ দেন। চাচার অনুরোধে ইউপি সদস্য শহিদুল রাত ১১টার দিকে সেখানে আসেন। ফোন না ধরা এবং ঘুষ গ্রহণের কারণে চামার বলায় এএসআই ইকবাল অন্তত ৫০ জন মানুষের সামনে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এরপর টেনে তার লুঙ্গি খুলে ফেলে এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ডান হাতে আঘাত করেন। তাকে পুলিশের গাড়িতে উঠতে নির্দেশ দেন। এক পর্যায়ে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে গাড়িতে তোলা হয়। পরে ওসির নির্দেশে ব্র্যাক বটতলা এলাকায় তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।

    পরদিন শুক্রবার ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

    এদিকে বিশালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুবোধ চন্দ্র সরকার নির্যাতনকারী ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

    এ বিষয়ে এএসআই ইকবাল বলেন, ইউপি সদস্য শহিদুলের আত্মীয় ওয়ারেন্টের আসামিকে ছেড়ে না দেয়ায় সে ক্ষিপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে ডিউটিতে জামাইল বাজার এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে ইউপি সদস্য তাকে চামার ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছিল। তিনি শুধু বিষয়টি তার চাচা খোদাবক্সকে জানিয়ে বিচার চেয়েছিলেন। তাকে বিবস্ত্র, অস্ত্র দিয়ে মারপিট বা গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ইউপি সদস্য শহিদুল আগে এএসআই ইকবালের সোর্স ছিলেন। মতবিরোধের কারণে শহিদুল এখন অন্য এক কর্মকর্তার সোর্স হয়েছেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আর এ কারণেই সুযোগ বুঝে এএসআই ইকবাল তাকে অপদস্থ করেছেন। [LS]

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757