• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    এবারও নজর কেড়েছেন টিউলিপ

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ২৬ মে ২০১৭ | ৭:৪৬ অপরাহ্ণ

    এবারও নজর কেড়েছেন টিউলিপ

    আগামী ৮ জুন ব্রিটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে লন্ডনের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্নে লেবার দলের আবারও প্রার্থী হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক।


    মাত্র ১৬ বছর বয়সে লেবার পার্টিতে যোগদানকারী গতবারের নির্বাচিত এমপি টিউলিপ নির্বাচনী প্রচারে এরইমধ্যে সবার নজর কেড়েছেন।

    ajkerograbani.com

    গত দু’বছর সংসদ ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোড়ন তোলেন তিনি। ব্রিটেনের গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে ফলাও করে বিভিন্ন প্রতিবেদনও ছাপা হয়েছে। ব্রেক্সিট ইস্যুতে ছায়া মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ এবং নিজের নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে সংসদে কথা বলেছেন নিয়মিত।

    এছাড়া ট্রাম্পের সফরের বিরোধীতা করেও আলোচনায় আসেন তিনি। ওয়েস্টমিনিস্টারে ১০ ভালো বক্তার তালিকায়ও প্রথম কোনো বাঙালি এমপি হিসেবে নাম লিখিয়েছেন টিউলিপ।

    ব্রিটেনের প্রভাবশালী পত্রিকাগুলো টিউলিপ সিদ্দিককে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে রাজনীতির প্রসঙ্গ থেকে শুরু করে টিউলিপের জন্ম, বেড়ে উঠা, পড়াশুনা এসব বিষয়ও উঠে এসেছে।

    নতুন প্রজন্মের হাত ধরে ব্রিটেন পার্লামেন্টের নির্বাচনী আলোচনায় উঠে এসেছেন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও।

    টিউলিপ বলেন, তিন ভাইবোনের মধ্যে আমি দ্বিতীয়। আমার মা আমাদের নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন। আমি কোথায় আছি, কী করছি তা জানতে চান সব সময়। আমার মনে হয়, আমি রাজনীতিতে যোগ দেয়ায় তিনি সন্তুষ্ট নন। রাজনীতির কারণেই আজ তার জীবনটা অন্য রকম। ব্রিটেনের রাজনীতিটা বাংলাদেশের মতো নয়, তাকে এটি বোঝাতে অনেক সময় লেগেছে।

    ‌‘২০১০ সালে হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জিতে ছিলেন লেবার প্রার্থী গ্লেনডা জ্যাকসন। অস্কারজয়ী সাবেক অভিনেতা জ্যাকসন ১৭হাজার ৩৩২ ভোট পেয়েছিলেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থীর চেয়ে মাত্র ৪২ ভোট বেশি পেয়েছিলেন তিনি। এটি ছিল সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর মধ্যে দ্বিতীয়। এ আসনে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী লিবারেল ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বিজয়ী। এরপরও অামি প্রায় ১২০০ ভােটে জয়ী হই।’

    নির্বাচনী প্রচারণায় টিউলিপ বলেছেন, বিজয়ী হলে বাড়ির ট্যাক্স, বাড়িভাড়া, ব্যাংক ঋণের বিষয়গুলোতে কল্যাণকর নতুন কিছু করবে তার পার্টি। তিনি বলেন, অনেকেই ভাবছেন এবার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ভোট স্বাভাবিকভাবেই লেবারও দলের বাক্সে যাবে। হিসাবটা এত সহজ না-ও হতে পারে। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক ভোটার হয়তো ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে বাড়িতেই থাকতে চাইবেন।

    পরিবার ও রাজনৈতিক প্রসঙ্গে টিউলিপের ভাষ্য, ‘আমি যখন এ-লেভেলে পড়ি, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন আমার পরিবারকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে স্মৃতিতে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার বাংলাদেশ সফর। আমার বয়স যখন ১২ বছর তখন ম্যান্ডেলা বাংলাদেশ সফর করেন। তার সঙ্গে নৈশভোজেও অংশ নিয়েছি। বিষয়টি ছিল খুবই আনন্দদায়ক।’

    টিউলিপ বলেন, অনেকে আমার রাজনীতি করার কারণ জানতে চান। আমার রাজনীতির একটাই কারণ, তা হলো আমার পরিবার। আমার নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতা। আমার পরিবারের লোকেরা জনগণের সেবক। তারা সমাজে সমতা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন। এটাই আমার রাজনীতিতে আসার বড় কারণ। এটাই আমার মূল্যবোধ, যা লেবার পার্টিরও মূল্যবোধ।

    লন্ডনের মিচামে জন্ম নেয়া টিউলিপ কিংস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১০ সালে স্থানীয় ক্যামডেন কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। টিউলিপ তার স্বামী ও সন্তান নিয়ে বর্তমানে ওয়েস্ট হ্যাম্পস্টিডে বাস করছেন। সূত্র: আমাদের সময়

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    সহজে কানাডা যাবেন যেভাবে

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

    কানাডায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

    ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757