• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    এলডিপি’র একযুগ এবং কর্নেল অলি

    উপাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান | ২৬ অক্টোবর ২০১৮ | ৭:২০ অপরাহ্ণ

    এলডিপি’র একযুগ এবং কর্নেল অলি

    দেশে যখন অন্যায় -অবিচার, দূর্ণীতি ক্রমানয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল ঠিক সেই সময়ে ২০০৬ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপির সঙ্গে নানা বিষয়ে বিরোধে জড়িয়ে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে এলডিপি নামে ২৬ অক্টোবর নতুন দল গঠন করেন কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম । দলটির মূল লক্ষ্য দূর্ণীতিমুক্ত,সন্ত্রাসমুক্ত,মাদকমুক্ত দেশ গড়া।


    প্রতিষ্ঠার একযুগে দলটি দেশের ৪র্থ বৃহত্তম নিবন্ধিত রাজনৈতিকদল হিসেবে পরিচিত পেয়েছে। দলটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না থেকেও দলের প্রসাঢ় দেশ-বিদেশে গড়িয়েছে।অংগসংগঠন গুলো যথেষ্ট শক্তিশালী বিশেষ করে গণতান্ত্রিক যুবদল,গণতান্ত্রিক মহিলাদল,গণতান্ত্রিক ছাত্রদল,স্বেচ্ছাসেবকদল উল্লেখযোগ্য।


    ২০০৮ সালে এই নতুন দল থেকে নির্বাচন করেও তিনি জয়লাভ করেন।
    কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রম বাংলাদেশের একজন প্রথম সারির মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী। ১৯৭১ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশ নেন। চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার তিনি অন্যতম স্বাক্ষী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার সর্বপ্রথম তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে।
    ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম কেন জনপ্রিয়?

    ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ একজন ব্যক্তি যার জীবনে ব্যর্থতা নেই। আছে শুধু সফলতা। কোন চাহিদা নেই, এমপি মন্ত্রী হওয়ার খায়েশও নেই।
    ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ যে সেক্টরে হাত দিয়েছেন সেটাই স্বর্ণে রুপান্তরিত হয়েছে। জীবনে কোন দুর্নীতি নেই। তার হাত দিয়ে সম্পূর্ণ যমুনা সেতু তৈরী হয়েছে। কিন্তু তার নামে কোন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেনি। প্রথমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সামরিক সচিব ও পরে তার মন্ত্রী সভার মন্ত্রী অলি আহমেদ জীবনের ২৫ বছরের উপরে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। এক সময় ছিলেন বিএনপির অন্যতম নীতি নির্ধারক। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এখনো অনেকের চেয়ে ড. কর্নেল অলি আহমদকে বেশি গুরুত্ব দেন। তার কথা শুনেন। এখানে বলে রাখা ভালো ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে যখন বিএনপির ২৮ জন মন্ত্রী ধরাসয়ী হয়েছেন তখনও ড. কর্নেল অলি আহমদ ২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ বিএনপির বাইরে গিয়ে ছাতা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে এমপি হয়েছেন। মুখ দিয়ে অনেক কথাই বলা যায়। কিন্তু নৌকা-ধানের শীষের বাইরে গিয়ে এমপি হতে হিম্মত লাগে। যা ড. কর্নেল অলির আছে। চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এখনও ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ শেষ কথা। হয়তো যতদিন জীবিত থাকবেন এরকম জনপ্রিয়তা নিয়েই জীবিত থাকবেন।
    পরিশেষে বলছি, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেকেই এমপি মন্ত্রী হবেন। কিন্তু ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের মতো জনপ্রিয় রাজনীতিক হয়তো শতাব্দীতে একজনই আসবেন।কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম দীর্ঘজীবি হউন।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669