মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২১

ওমিক্রন প্রতিরোধে বেনাপোলে ‘বিশেষ’ নির্দেশনা

ডেস্ক রিপোর্ট   |   মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | প্রিন্ট  

ওমিক্রন প্রতিরোধে বেনাপোলে ‘বিশেষ’ নির্দেশনা

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে অবশেষে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বেনাপোল স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগ। বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জেলা সিভিল সার্জনের জরুরি বৈঠকে এ সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

এখন থেকে ভারত থেকে ফিরলে সাথে আনতে হবে আরটিপিসিআর থেকে পরীক্ষা করা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ সনদ। যাদের করোনার ডাবল ডোজ গ্রহণ নেই তাদের ভারত থেকে ফিরলে থাকতে হবে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন।


এ ছাড়া কারো শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে তাকে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষাও করা হবে। করোনা আক্রান্ত হলে আইসোলেশনে থাকতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ১২ বছরের নিচে সব শিশুর এ নিয়ম বাধ্যতামূলক থাকছে না। সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন সংক্রমণ ঘটেছে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে। আক্রান্তের শিকার হয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে বড় ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও যাত্রী যাতায়াত। এতে বাংলাদেশ আক্রান্তের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। তবে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


নির্দেশনা পেয়ে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগ ও বন্দরে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের সুরক্ষা। ভারতীয় ট্রাক চালকেরা বন্দরে প্রবেশকালে ট্রাকে জীবাণুনাশক স্প্রে ও চালকদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। এ ছাড়া পাসপোর্ট যাত্রীদের ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও মাক্স পরিধান নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রী শাহিন বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে অনেকটা আতঙ্কিত। তবে চিকিৎসার কাজে বাধ্য হয়ে ভারতে যাচ্ছেন। করোনাকে ভয় না করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা সবাইকে মানতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে বন্দরে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভারত থেকে আসা ট্রাকে জীবাণুনাশক স্প্রে ও চালকদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আশরাফুজ্জামান বলেন, ভারত থেকে ফিরতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে। করোনার ডাবল ডোজ গ্রহণ না থাকলে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক। কারো শরীরের করোনা উপসর্গ পাওয়া গেলে তাকে আইসোশনে রাখা হবে। তবে ১২ বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে এসব শর্ত শিথিল রয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, গত বছর করোনা শুরু হলে ৩ মাস আমদানি বাণিজ্য ও ৬ মাস ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত বন্ধ ছিল। ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়ালে আবারো যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বাণিজ্য বন্ধ হতে পারে। তাই কর্তৃপক্ষকে সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি জোরদার ভূমিকা রাখতে হবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু বলেন, বর্তমানে প্রতিদিন মেডিকেল, বিজনেস ও স্টুডেন্ট ভিসায় প্রায় দুই হাজার পাসপোর্ট যাত্রী দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করছে। টুরিস্ট ভিসায় যাত্রী যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। ভারতে যেতে করোনা নেগেটিভ সনদ প্রয়োজন হচ্ছে।

Posted ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১