বৃহস্পতিবার ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

করোনা আক্রান্তের চিকিৎসায় প্রস্তুত বসুন্ধরা কনভেনশন হল

ডেস্ক   |   বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০ | প্রিন্ট  

করোনা আক্রান্তের চিকিৎসায় প্রস্তুত বসুন্ধরা কনভেনশন হল

করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরিতে দিন-রাত কাজ চলছে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের হলরুমগুলোতে। ইতিমধ্যে দেড় লাখ বর্গফুট জায়গায় বসানো হয়েছে পিভিসি ফ্লোরম্যাট। দুই একদিনের মধ্যেই করোনা আক্রান্তের চিকিৎসায় দেশের বৃহত্তম হাসপাতালে রূপ নেবে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরার (আইসিসিবি) চারটি হল।
এখন এই মুহূর্তে শেষ সময়ে সাজগোজ, রোগীর বেড, ফার্নিচার, আগে থেকে তৈরি করে রাখা চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য কক্ষগুলোতে কাজ চলছে বলে জানান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুল আলম। উল্লেখ্য, আইসিসিবিকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ১২ এপ্রিল কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
মাসুদুল আলম বলেন, দেড় লাখ স্কয়ার ফুটের একটি বিশাল পরিসরে কাজ চলছে। এরই মধ্যে পিভিসি ফ্লোরম্যাট বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। ডাক্তারদের চেম্বার, নার্স চেম্বার, ওয়ার্ক স্টেশন এগুলো লে-আউট করে ফার্নিচার বসানো শুরু হয়েছে। আমাদেও ইচ্ছ্ ানির্ধারিত সময় অর্থাৎ ২৩ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ করা। শেষ সময়ে হয়তো দুই বা একদিন বেশি লাগতে পারে
বসুন্ধরা ইন্টান্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের (আইসিসিবি) প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দিন বলেন, হাসাপাতাল নির্মানের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন সবই দৃশ্যমান। ডাক্তার ও নার্সদের কক্ষগুলো সেটআপের কাজ চলছে। এরই মধ্যে ১৬শ টন এয়ারকন্ডিশনার বসানো হয়ে গেছে।
তিনি জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে আড়াই হাজার কেভিএর একটি সাবস্টেশন বসানো হয়েছে। জেনারেটরও বসানো হয়েছে। সর্বোচ্চ এক থেকে দু দিনের মধ্যে হাসপাতাল পরিচালনের উপযোগী হয়ে যাবে। বড় ধরণের যে কাজ সেসব ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এখন শুধু সাজগোজ আর কিছু ছোট কাটো কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলোও প্রায় শেষ পর্যায়ে।
জসীম উদ্দিন বলেন, হাসপাতালটি তৈরি করছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। আমরা নানাভাবে সহযোগিতা করছি। কারণ অনেক ধরণের কারিগরি সাপোর্টের বিষয় আছে। বৈদ্যুতিক সাপোর্ট আছে। দেড় লাখ বর্গফুট জায়গায় অস্থায়ী ছাউনি তৈরির মতো এত বড় তাবু বাংলাদেশে নেই। আমরা এটা মালয়েশিয়া থেকে এনেছি। সার্বক্ষণিক আমাদের নিজেদের লোক এখানে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবার সহায়তা দিতে সরকারকে ৫ হাজার শয্যার একটি সমন্বিত অস্থায়ী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি জানালে স্বাস্থ্য অধিদফতর হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, আইসিসিবিতে নির্মিত অস্থায়ী এই ক্যাম্প হাসপাতালে ২ হাজার ১৩ আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। ট্রেড সেন্টারে ছয়টি ক্লাস্টারে ১ হাজার ৪৮৮টি বেড বসবে। এ ছাড়া তিনটি কনভেনশন হলে থাকবে আরও ৫২৫টি বেড। এর বাইরে ৪ নম্বর হলে হবে ৭১ বেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)। আইসিসিবির সুবিশাল চারটি কনভেনশন হল ও একটি এক্সপো ট্রেড সেন্টারে দেশের অন্যতম বৃহৎ এ হাসপাতালটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে সরকারের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

Facebook Comments Box


Posted ৮:৩০ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১