• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    কর্ণেল অলি আহমেদ ও মাহাথীর মোহাম্মদ

    ড.নেয়ামুল বশির, এফসিবিএ | ২৬ আগস্ট ২০১৯ | ৯:২৯ অপরাহ্ণ

    কর্ণেল অলি আহমেদ ও মাহাথীর মোহাম্মদ

    নিঃসন্দেহে আ’লীগ ও বিএনপি এদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় শক্তিশালী দল। জননেত্রী শেখ হাসিনা শক্ত হাতে সবকিছু সামাল দিয়ে আসছেন। তবে তিনি নিজে আর বেশিদিন সরকারের দ্বায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী নয় বলে জানা যায়।

    অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতার বাহিরে এক যুগের বেশি। তারপরও এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারনে আজও বিএনপি জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। বেগম খালেদা জিয়া মাথানত না করে জেলকেই আলিঙ্গন করে বিশ্বে গণতন্ত্রে নতুন এক মানদণ্ড সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু তিনি কবে কিভাবে ছাড়া পাবেন কেউ জানেনা। অন্যদিকে জনাব তারেক রহমান একুশে গ্রেনেড হামলার অন্যতম প্রধান আসামী হিসেবে দন্ডপ্রাপ্ত। আমি মনে করি উচ্চ আদালতে এই রায় বহাল থাকবে। সুতরাং তার পক্ষে দেশে আপাতত ফিরে এসে সশরীরে দলের হালধরা অসম্ভব। বিএনপিতে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে অন্যকোন নেতা দুই বা তিন বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হবার যোগ্যতা রাখে না।


    রাজনীতি বিশ্লেষক, প্রতিবেশী রাষ্ট্র, বিশ্বের ক্ষমতাধর সরকারগুলো এবং বর্তমান সরকারের অনঢ় অবস্থান হচ্ছে তারা কোন মূল্যেই সরাসরি বিএনপিকে ক্ষমতাসীন হতে দিবে না। এই রকম অবস্থায় দেশের অগ্রগতি ব্যাহত হবে। বিনিয়োগ তলানিতে নেমে এসেছে। দূর্নীতিরোধ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিকদের কারণে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি কালো টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে । মালয়েশিয়ার বিগত নজীব রাজাক সরকারের মত অবস্থা। উল্লেখ্য যে, এমন নাজুক অবস্থায় সেদেশের গ্রেট লিডার মাহাথির মোহাম্মদ বিরোধী দলের বিশেষ অনুরোধে আবার রাজনীতিতে ফিরে আসেন, নির্বাচন করেন, সরকার গঠন করে নিজের প্রাক্তন দলকে বিরোধী আসনে বসতে বাধ্য করেন। আনোয়ার ইব্রাহিম দেশের স্বার্থে মাহাথীর মোহাম্মদ কে নিঃশর্ত সমর্থন করে প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়ে দেশকে আগের মতো আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকার ব্যবস্থা করে দেন ও বর্তমানে তারা সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কথাগুলো এজন্যই বললাম যে, তারা কত দেশপ্রেমিক। একজন ভালো রিটায়ার্ড নেতাকে ঘর থেকে নিয়ে এসে আবার দ্বায়িত্ব চাপিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।

    আমি মনে করি আমাদের দেশে নিকট ভবিষ্যতে এমন কিছু ঘটতে পারে। সেটা শেখ হাসিনার মাধ্যমে হতে পারে, আবার বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমেও ঘটতে পারে। আবার বিদেশী রাষ্ট্রের চাপেও এমন কিছু ঘটতে পারে।

    এমন কাউকে সরকার গঠনের প্রস্তাব দেয়া হতে পারে যেন দেশ আরো এগিয়ে যায়, দূর্ণীতি বন্ধ হয়, সুশাসন নিশ্চিত হয়। প্রতিটি নাগরিকের রেশন কার্ড চালু হয়, শিশু খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে। এমন কঠিন সময়ে এইসব শুধুমাত্র একজন মানুষের পক্ষে সম্ভব। তিনি কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম। একদিকে মুক্তিযোদ্ধা, অন্যদিকে ক্লিন ইমেজের অধিকারী ও সমগ্র জীবন ধরে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে দূর্নীতিমুক্ত। এটা উভয় প্রধানমন্ত্রী জানেন, প্রভু রাস্ট্রের ও প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকার প্রধানগণ জানেন। এমনকি জাতিসংঘ মহাসচিব স্বয়ং অবগত আছেন। তাই দুই দলের উভয়ে বা বিএনপি কর্নেল অলি কে নির্দিষ্ট মেয়াদে সরকার গঠনে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সমর্থন করলে সব দল ও রাষ্ট্র এবং এদেশের হতভাগ্য মানুষের জন্য মঙ্গলজনক হবে। কর্নেল অলি আরযাইহোক পরিবার তন্ত্র চালু করবেন না। তিনি বাংলাদেশের মাহাথীর মোহাম্মদ হয়ে ক্ষমতাসীন হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। একটি কল্যাণকর রাস্ট্রের যাত্রা শুরু করতে এমন একজন নেতার বিকল্প এই মূহুর্তে নেই। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হউন।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী