বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২০, ২০২২

কার নির্দেশে পুলিশি হামলা, হবে তদন্ত

ডেস্ক রিপোর্ট   |   বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২ | প্রিন্ট  

কার নির্দেশে পুলিশি হামলা, হবে তদন্ত

হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবির আন্দোলনে উপাচার্যের অবরুদ্ধ হওয়ার গঠনার পর আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় তদন্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বুধবার রাত সাড়ে ১১ টায় অনশনরত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে ফেরার পথে গণমাধ্যমের সম্মুখে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে উপাচার্যের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের জন্য দুপুর বারোটা পর্যন্ত দেওয়া আল্টিমেটাম শেষে বেলা তিনটায় আমরণ অনশনে বসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।


আমরণ অনশনের প্রায় সাত ঘন্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, সেন্টার অব এক্সিলেন্সের পরিচালক, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ডিনবৃন্দসহ শতাধিক শিক্ষক তাদের সাথে কথা বলতে আসলে আন্দোলনের দাবির সাথে একমত না হলে তাদের কথা শুনবেন না বলে তাদের কথা বলার সুযোগ দেননি। এসময় অনশনকারী এক শিক্ষার্থীকে ‘হয় আমরা থাকবো নাহয় ভিসি থাকবে’ এমন লিখা প্রদর্শন করতে দেখা যায়। প্রায় দেড় ঘন্টা শিক্ষার্থীদের সামনে কথা বলতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান তাঁরা। যাবার পথে গণমাধ্যমে কোষাধ্যক্ষ বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটার পূর্ব মুহুর্তে ছাত্রীদের দাবি মেনে প্রভোস্ট পদত্যাগ করেছিলেন। আমি শিক্ষার্থীদের একথা জানালে তারা বলে উপাচার্যের লিখিত ছাড়া এ ঘোষণা তারা বিশ্বাস করবে না। আমি ভিসির সাথে কথা বলার জন্য তালা খুলে যেই সেখানে ঢুকতে যাব, তখনই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। কার নির্দেশে পুলিশ এ কাজটি করলো তা তদন্ত করে বের করতে হবে। এ কাজটি ভিসির, ট্রেজারার, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক বা প্রক্টর যার নির্দেশে ঘটেছে তাকেই তার দায় নিতে হবে। ভিসির নির্দেশে হয়ে থাকলে আমরা ভিসির পদত্যাগের আন্দোলনে তাদের সাথে একমত পোষণ করবো।

হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবির আন্দোলনে উপাচার্যের অবরুদ্ধ হওয়ার গঠনার পর আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় তদন্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বুধবার রাত সাড়ে ১১ টায় অনশনরত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে ফেরার পথে গণমাধ্যমের সম্মুখে এ কথা বলেন তিনি।


এর আগে উপাচার্যের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের জন্য দুপুর বারোটা পর্যন্ত দেওয়া আল্টিমেটাম শেষে বেলা তিনটায় আমরণ অনশনে বসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আমরণ অনশনের প্রায় সাত ঘন্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, সেন্টার অব এক্সিলেন্সের পরিচালক, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ডিনবৃন্দসহ শতাধিক শিক্ষক তাদের সাথে কথা বলতে আসলে আন্দোলনের দাবির সাথে একমত না হলে তাদের কথা শুনবেন না বলে তাদের কথা বলার সুযোগ দেননি। এসময় অনশনকারী এক শিক্ষার্থীকে ‘হয় আমরা থাকবো নাহয় ভিসি থাকবে’ এমন লিখা প্রদর্শন করতে দেখা যায়। প্রায় দেড় ঘন্টা শিক্ষার্থীদের সামনে কথা বলতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান তাঁরা। যাবার পথে গণমাধ্যমে কোষাধ্যক্ষ বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটার পূর্ব মুহুর্তে ছাত্রীদের দাবি মেনে প্রভোস্ট পদত্যাগ করেছিলেন। আমি শিক্ষার্থীদের একথা জানালে তারা বলে উপাচার্যের লিখিত ছাড়া এ ঘোষণা তারা বিশ্বাস করবে না। আমি ভিসির সাথে কথা বলার জন্য তালা খুলে যেই সেখানে ঢুকতে যাব, তখনই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। কার নির্দেশে পুলিশ এ কাজটি করলো তা তদন্ত করে বের করতে হবে। এ কাজটি ভিসির, ট্রেজারার, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক বা প্রক্টর যার নির্দেশে ঘটেছে তাকেই তার দায় নিতে হবে। ভিসির নির্দেশে হয়ে থাকলে আমরা ভিসির পদত্যাগের আন্দোলনে তাদের সাথে একমত পোষণ করবো।

Posted ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া কর্তৃক তুহিন প্রেস, ২১৯/২ ফকিরাপুল (১ম গলি) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

২ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণি, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।

হেল্প লাইনঃ ০১৭১২১৭০৭৭১

E-mail: [email protected] | [email protected]