• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা

    অনলাইন ডেস্ক | ২৪ এপ্রিল ২০১৭ | ৯:৪২ অপরাহ্ণ

    কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা

    আঙ্গুর খেতে অনেকে ভালো না বাসলেও কিশমিশ খেতে প্রায় সবাই ভালোবাসে। এর মিষ্টি আর টক ভাব মুখের জড়তা কাটাতে যেমন সাহায্য করে তেমনি আবার খাবারের স্বাদ বাড়াতেও সাহায্য করে। খাবার সাজানো থেকে শুরু করে এটিকে আপনি আপনার খাবার টেবিলে ডেজার্টের সঙ্গেও হিসেবে পরিবেশন করতে পারেন। তবে এই কিশমিশ দেখতে ছোট হলেও এতে লুকিয়ে আছে অনেক গুণ। নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের বেশি কিশমিশ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চলুন জেনে নেই কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে –


    ১. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়
    কিশমিশে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বোরন মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ থেকে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া সম্ভব।

    ajkerograbani.com

    ২. উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
    কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চরক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত থেকে দূর করে উচ্চরক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

    ৩. কলেস্টোরল কমায়
    কিশমিশে ক্ষতিকর কলেস্টোরল নেই। এ ছাড়া কিশমিশের স্যলুবল ফাইবার খারাপ কলেস্টোরল দূর করে কলেস্টোরলের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১ কাপ কিশমিশ থেকে প্রায় ৪ গ্রাম পরিমাণে স্যলুবল ফাইবার পাওয়া যায়।

    ৪. চোখের সুরক্ষা করে
    প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।

    ৫. অ্যাসিডিটির সমাধান করে
    কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড যা এসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে।

    ৬. কলোরেক্টাল ক্যানসার প্রতিরোধ করে
    ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার কলোরেক্টাল ক্যানসার প্রতিরোধে সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে পারে। এ ছাড়াও কিশমিশের টারটারিক এসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে।

    ৭. রক্তস্বল্পতা দূর করে
    আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রনের অভাবের কারণে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম আয়রন যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম।

    ৮. দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা করে
    অনেকে ভাবতে পারেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু চিনির পাশাপাশি কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক এসিড যা মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয় এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধে কাজ করে।

    শরীরের কোথাও কেটে গেলে তা নিয়ে শুরু হয় নানা চিন্তা। তাতে কী ঔষধ লাগানো যায় কিংবা ডাক্তাতের কাছে নিয়ে যাওয়ার চিন্তা মাথায় লেগে থাকে। কিন্তু আপনার ঘরে থাকা কিশমিশে আছে তার সমাধান। মূলত এটি আপনার শরীরের এন্টিবায়োটিকের মতো কাজ করে।

    কিশমিশের মধ্যে রয়েছে পলিফেনলস এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা কাঁটা ছেড়া বা ক্ষত হতে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা দূরে রাখে আর ঘা দ্রুত সারিয়ে তোলা।

    গরমে আরাম দিতে পারে এই ছোট এক টুকরো কিশমিশ। যাদের শরীর দূর্বল, রক্ত শূন্যতায় ভুগছেন তাদের জন্য মহা ঔষধ হচ্ছে কিশমিশ।

    এটি রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। এমনকি এটি বিষণ্নতাও দূর করে থাকে। এছাড়া কিশমিশে আছে প্রচুর পরিমাণে লৌহ উপাদান, যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

    আশঁযুক্ত খাবারের চাহিদা দূর করে কিশমিশ। কিশমিশে আছে আঁশ বা ইনসলিউবল ফাইবার, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর ও হজম করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। কিশমিশে থাকা এই আঁশ কোলোরেক্টারাল ক্যান্সার ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

    হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করতে কিশমিশের তুলনা নেই। হাড় ক্ষয়ের অন্যতম কারণ হলো বোরন নামক খনিজ পদার্থের অভাব। এছাড়া খনিজ লবনের অভাবে অস্টিওপরোসিস যা এক প্রকারের হাড় ক্ষয় রোগ তাও কিশমিশ দূর করতে সাহায্য করে।

    কিশমিশে বিদ্যমান বোরন অস্টিওপরোসিস রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কিশমিশ দারুণভাবে কাজ করে। কিশমিশের প্রধান উপাদান পটাশিয়াম সোডিয়াম রক্ত চাপের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরের বিষাক্ততা ও রক্তচাপ কমিয়ে দেয়।

    Facebook Comments Box

    বিষয় :

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757