• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    কি ছিলো সেই মোবাইলে?

    ডেস্ক | ২১ জুলাই ২০১৯ | ৭:১২ অপরাহ্ণ

    কি ছিলো সেই মোবাইলে?

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের দুইদিন আগে হেলাল নামের এক বন্ধুর মোবাইল ফোন নিয়েছিলেন রিফাত। গতকাল শনিবার হেলালের বোন পারুল বেগম ও স্ত্রী মনিকা বেগম এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে কি কারণে হেলালেন মোবাইল ফোন নিয়েছিলেন রিফাত তা জানাতে পারেননি তারা। রিফাত হত্যাকাণ্ডের পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন হেলাল।

    হেলালের বোন পারুল বেগম জানান, গত ২৪ জুন অসুস্থতার জন্য হেলালকে সঙ্গে নিয়ে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে বাজারে যাওয়া হয়। বাজারে রিফাত শরীফের সঙ্গে হেলালের দেখা হয়। এ সময় রিফাত শরীফ হেলালকে ডেকে নিয়ে তার মোবাইল ফোনটি দিতে বলেন। হেলাল নিজের মোবাইল ফোনটি রিফাতের হাতে দিলে মোবাইলটি নিয়ে চলে যান রিফাত। এ সময় রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নিও ছিলেন। এরপর বিকেল ৫টার দিকে রিফাত হেলালকে ডেকে নিয়ে মোবাইলটি দিয়ে দেন।

    হেলালের স্ত্রী মনিকা বেগম বলেছেন, হেলালের মোবাইলটি রিফাত শরীফ নিয়েছিলেন বরগুনা পৌর মার্কেটের নিচে থাকাকালীন অবস্থায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। মোবাইলটি নিলেও আমার শাশুড়ির অনুরোধে বিকেল ৫টার দিকে ফিরিয়ে দেন রিফাত। মোবাইলটি রিফাত শরীফ কেন নিয়েছিলেন তা জানা নেই। মোবাইলে গোপনীয় বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য ছিল কিনা তাও আমার জানা নেই।

    এদিকে, হেলালের কাছ থেকে মোবাইল নেওয়ার দুইদিন পরই রিফাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য বলেছেন, ২৬ জুন বুধবার রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার দুইদিন আগে সোমবার রিফাত শরীফ হেলাল নামে তার এক বন্ধুর মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। ওই মোবাইল উদ্ধারের জন্য নয়ন বন্ড মিন্নির দারস্থ হয়। পরে রিফাত শরীফের কাছ থেকে ফোনটি উদ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মারধরের শিকার হয় মিন্নি।

    পুলিশের সদস্য আরও বলেছেন, নয়নের কথায় রিফাত শরীফের কাছ থেকে হেলালের ফোন উদ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মারধরের শিকার হয় মিন্নি। পরে হত্যাকাণ্ডের আগের দিন গত মঙ্গলবার নয়নের সঙ্গে দেখা করে মিন্নি সেই মোবাইল নয়নের হাতে তুলে দেয়।

    এ সময় মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফের হাতে যে মারধরের শিকার হয়েছেন তার প্রতিশোধ নিতে নয়নকে মারধর করতে বলে। তবে মারধরের সময় নয়ন যাতে উপস্থিত না থাকে, সেটিও নয়নকে বলে দেয় মিন্নি। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় বরগুনা কলেজ মাঠে মিটিং করে রিফাত শরীফকে মারধরের প্রস্তুতি নেয় বন্ড বাহিনী।

    প্রসঙ্গত, আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে মিন্নিসহ ১৪ জন অভিযুক্ত রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া এ মামলার দুইজন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন। আর এ মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী