• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    কেয়া গ্রুপের মালিক খালেক পাঠান গ্রেপ্তার

    অনলাইন ডেস্ক | ২০ আগস্ট ২০১৭ | ৮:২৮ অপরাহ্ণ

    কেয়া গ্রুপের মালিক খালেক পাঠান গ্রেপ্তার

    ঋণ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন কেয়া গ্রুপের মালিক আবদুল খালেক পাঠান।


    রোববার বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা।

    ajkerograbani.com

    কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, “কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের নামে কৃষি ব্যাংক থেকে ১১১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় খালেক পাঠানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

    দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম বাদী হয়ে রোববার সকালে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করেন। এর পরপরই অভিযানে নামে দুদক কর্মকর্তারা।

    কেয়া গ্রুপের কর্ণধার খালেক কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

    এই মামলায় কেয়া ইয়ার্নের চেয়ারম্যান খালেদা পারভীন পলি, দুই পরিচালক মাসুম পাঠান ও তানসিন কেয়াসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে বলে প্রণব ভট্টাচার্য্য জানান।

    চেয়ারম্যান খালেদা এবং পরিচালক মাসুম ও তানসিন কেয়া গ্রুপের মালিক খালেকের তিন সন্তান।

    অন্য আসামিরা হলেন- কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার কর্পোরেট শাখার সাবেক এজিএম মো. সারোয়ার হোসেন, সাবেক ডিজিএম ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. জুবায়ের মনজুর, সাবেক এসপিও মো. আবুল হোসেন ও সাবেক এসপিও গোলাম রসুল।

    কেয়া ইয়ার্ন মিলের কারখানটি গাজীপুরের কোনাবাড়ীর জরুনে অবস্থিত। এটি কাঁচা তুলা আমদানি করে সুতা উৎপাদন করে তৈরি পোশাক কারখানায় সরবরাহ করে থাকে।

    মামলার এজাহারে কলা হয়, কৃষি ব্যাংকটির ওই শাখা প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদিত সীমার বাইরে গিয়ে কেয়া ইয়ার্নকে একের পর এক ‘ফরেন ডেফার্ড এলসি’র বিলে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ঋণের বিপরীতে কোনো জামানত না থাকায় তা জামানতবিহীন ঋণে পরিণত হয়, যার আদায় অনিশ্চিত।

    এছাড়া আমদানী করা মালামাল দিয়ে উৎপাদিত পণ্য ব্যাংকটির মাধ্যমে রপ্তানি না করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি করে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ২০১০ সালের ২৭ জুলাই থেকে ২০১১ সালের ২১ জুলাই পর্যন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে ওই ঋণ নিয়ে আত্মসাত করা হয় বলে এজাহারে বলা হয়।

    কেয়া গ্রুপের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কেয়া কসমেটিকসের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে শুধু তাদেরই ঋণের পরিমাণ সাড়ে ১৩শ কোটি টাকার বেশি।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755