• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকায় রাজধানীর ৭২ শিক্ষককে শোকজ

    অনলাইন ডেস্ক | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

    কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকায় রাজধানীর ৭২ শিক্ষককে শোকজ

    কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর নামকরা চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭২ শিক্ষককে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেন কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জানতে চাওয়া হয়েছে।


    রবিবার এ সংক্রান্ত নোটিশ দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান ও সুপারিশের পর কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এই শিক্ষকদের শোকজ করা হয়।


    স্কুলগুলো হচ্ছে- আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল মডেল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

    এর মধ্যে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩৬ জন, ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৭, মতিঝিল মডেল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৪ এবং রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ শিক্ষক রয়েছেন।

    দুদকের অনুসন্ধান টিম ঢাকার স্কুল-কলেজের কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে থাকা এই চার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জড়িত থাকার প্রমাণ পায়। তাদের বিরুদ্ধে দুদক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়।

    এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য দুদকের সুপারিশে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২ জন, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনজন, সরকারি ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের আটজন ও নিউ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল এবং খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন করে শিক্ষককে বদলির আদেশ দেয়া হয়।

    এদিকে এই খবর চাউর হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন অনেক অভিভাবক। আজ রবিবার দুপুরের পর অনেকেই ফেসবুকে ‘বাধ্য হয়ে তাদের সন্তানকে কোচিংয়ে পড়াতে হচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছেন। এমনকি রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতেও নামীদামী স্কুলের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে বাধ্য করছেন। এ ব্যাপারে রবিবার সন্ধ্যায় আরিফুল ইসলাম নামের একজন ফেসবুকে লেখেন, তার এক আত্মীয় রাজধানীর একটি অভিজাত এলাকায় প্রথম শ্রেণির একটি স্কুলের সংশ্লিষ্ট শাখায় মেয়েকে পড়ান। বাধ্য হয়ে তাকে চারজন শিক্ষকের কাছে মেয়েকে পড়াতে হয়। সবাই ওই স্কুলেরই শিক্ষক। এমনকি ইসলাম শিক্ষাও ওই স্কুলের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছে পড়াতে হয়। বিষয়টা তার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ছেলে-মেয়ের ক্ষতি হবে ভেবে এ নিয়ে কেউ অভিযোগ তুলতেও ভয় পান।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673