• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    কোভিড-১৯: ঘরবন্দি ১৭০ কোটি মানুষ

    | ২৫ মার্চ ২০২০ | ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

    কোভিড-১৯: ঘরবন্দি ১৭০ কোটি মানুষ

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। মঙ্গলবার রাত ১টা পর্যন্ত ভাইরাসটিতে সারা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার লাখ ১৪ হাজার ১৪৬ জন। আর মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ১৮ হাজার ৫৪৩ জন। এক দিনে ইতালিতে মৃত্যু হয়েছে ৭৪৩ জনের।

    এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে ১৭০ কোটি মানুষ সংক্রমণ রোধে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। মারাত্মক ছোঁয়াচে ভাইরাসটি প্রথম দৃশ্যমান হওয়ার পর ৬৭ দিনের মাথায় আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়ায়। পরের ১১ দিনে আরও এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়। তবে সর্বশেষ এক লাখ আক্রান্ত হয়েছে মাত্র চার দিনে।


    আর সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাসচিব বলেছেন, ভাইরাসটি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার পরও এর গতিপথ পাল্টে দেয়া সম্ভব। খবর বিবিসি, রয়টার্স, এনডিটিভি, আনন্দবাজার, ইন্ডিয়া টুডে, এপি, সিএনএন, গার্ডিয়ান, আল জাজিরা ও ওয়ার্ল্ডওমিটারস।

    ১৯৬টি দেশ ও অঞ্চল করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারস ডট ইনফোর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত ১টা পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় ১৮ হাজার ৫৪৩ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে চার লাখ ১৪ হাজার ১৪৬। চিকিৎসা গ্রহণের পর সুস্থ হয়ে উঠেছে এক লাখ আট হাজার ২৯৩ রোগী। ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় উপরের সারিতে থাকা অন্য দেশগুলোর মধ্যে ইরানে ১৯৩৪, স্পেনে ২৮০০, ফ্রান্সে ১১০০, যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫৮, যুক্তরাজ্যে ৪২২ জন মারা গেছে।

    মহামারীর গতি বাড়লেও রোধ সম্ভব : করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে সুরক্ষা সরঞ্জামাদির উৎপাদন বাড়াতে জি-টোয়েন্টিভুক্ত দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসুস হুশিয়ার করে বলেছেন, করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট মহামারী আরও বেগবান হচ্ছে।

    এতে এখন পর্যন্ত তিন লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়া প্রথম ব্যক্তি থেকে শুরু করে এ সংখ্যা এক লাখে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল ৬৭ দিন। পরের ১১ দিনে আরও এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হন, আর পরের এক লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র চার দিন।

    তবে তিনি বলেন, এখনও এর গতিপথ পাল্টে দেয়া সম্ভব। দেশগুলোকে ভাইরাসটি শনাক্তের পরীক্ষা এবং আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কৌশলের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টেড্রস বলেন, পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) না থাকার কারণেই এমনটা ঘটেছে। তিনি বলেন, নিরাপদে থাকলেই স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের কাজটা ভালোভাবে করতে পারবেন।

    ইতালিতে এক দিনে ৭৪৩ জনের মৃত্যু : করোনাভাইরাসে ইতালিতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬০১ জন। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ছয় হাজার ৮২০ ছাড়িয়েছে। এক দিনে নতুন আক্রান্ত হয়েছে পাঁচ হাজার ২৪৯ জন।

    সোমবার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল চার হাজার ৭৮৯। দেশটিতে গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৩৯৩। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আট হাজার ৩২৬। চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৫৪ হাজার ৩০ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ১৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

    ১০ দিনে নিউইয়র্কে ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। শহরটি করোনার এপিসেন্টারে পরিণত হয়েছে। নতুন সংক্রমণ কোনোভাবে ঠেকানো যাচ্ছে না। আগামী ১০ দিনের ভেতর এ পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর রূপ ধারণ করতে পারে বলে শহরবাসীকে হুশিয়ারি দিয়েছেন মেয়র বিল ডি ব্লাসিও।

    চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মহামারী করোনাভাইরাস আরও খারাপ রূপ নিতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যেই এসবের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিতে পারে। আমরা যদি আরও ভেন্টিলেটর না পাই তাহলে লোকজন মারা যেতে শুরু করবে।

    তিনি বলেন, সব আমেরিকানের সত্য জানার অধিকার আছে। পরিস্থিতি ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। আসল কথা হচ্ছে, এপ্রিল ও মে মাসে অবস্থা আরও খারাপ হবে। এমন পরিস্থিতিতে সব রাজ্যের গভর্নর কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে সাহায্যের জন্য আবেদন করেছেন।

    ক্যালিফোর্নিয়ায় কর্মকর্তারা হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন করোনাভাইরাসের পরীক্ষা সীমিত করে ফেলার জন্য। ওয়াশিংটনের একটি হাসপাতাল জানায়, এপ্রিলের মধ্যেই তাদের ভেন্টিলেটর শেষ হয়ে যেতে পারে। ইলিনয় রাজ্যের গভর্নর জে বি প্রিৎজকার বলেন, আমাদের কয়েক লাখ মাস্ক, গাউন ও গ্লাভস দরকার। কিন্তু তার খুব সামান্যই আমরা পাচ্ছি।

    এদিকে, ইউরোপের দেশগুলোয় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯৯ শতাংশের বয়স ৫০-এর ওপরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনা টাস্কফোর্সের রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর ডেবরা বার্কস এ তথ্য জানান। সোমবার করোনাভাইরাস নিয়ে হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ব্রিটেনে জরুরি অবস্থা জারি : করোনা মোকাবেলায় যুক্তরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দু’জনের বেশি জমায়েতকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। সোমবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ ঘোষণা দেন।

    সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করে তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকির সম্মুখীন যুক্তরাজ্য। এ ভাইরাসের বিস্তার রুখতে না পারলে এক ভয়ানক পরিস্থিতির মুখোমুখি হব আমরা। তিনি বলেন, সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে এ ভাইরাসের বিস্তৃতি এখনই ঠেকাতে না পারলে এমন একটি সময় আসবে যখন বিশ্বের কোনো স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই এ ভাইরাস মোকাবেলা করতে পারবে না। কারণ, মানব মৃত্যুহার তখন এমন পর্যায় পৌঁছবে যে, চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ও পর্যাপ্ত নার্স, এমনকি ভেন্টিলেটর, ইনটেনসিভ বেড কিছুই আর পাওয়া যাবে না।

    দুই সংক্রমণেই ‘লকডাউন’ নেপাল : মাত্র দুই ব্যক্তি আক্রান্ত হওয়ার পর নেপালে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ অবস্থা চলবে। সোমবার দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমসে লকডাউনের খবর জানায়।

    দেশটিতে জানুয়ারিতে প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। তবে সোমবার দ্বিতীয় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি মহামারী ঠেকাতে অনেকগুলো পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সোমবার ভাইরাসটি মোকাবেলায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় কমিটির বৈঠকে লকডাউন জারির সিদ্ধান্ত হয়।

    মিয়ানমারে প্রথম দুই রোগী শনাক্ত : মিয়ানমারে দু’জন করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছে। ওই দু’জন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে দেশটিতে ফিরেছে। এদিকে, এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় ইয়াঙ্গুনে ‘প্যানিক’ কেনাকাটা শুরু হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত মিয়ানমারই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল রাষ্ট্র যারা বলে আসছিল, তাদের দেশে কোনো করোনাভাইরাস আক্রান্ত নেই। চীনের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত থাকার পরও এমন দাবি করছিল তারা।

    চীনে দ্বিতীয় দফা করোনার ঢেউয়ের আশঙ্কা : চীনে মঙ্গলবার নতুন করে আরও ৭৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এতে দেশটিতে দ্বিতীয় দফা ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশিরভাগই বিদেশ থেকে এসেছেন। এতদিন চীনের নাগরিকরাই ছিলেন করোনার বাহক।

    এখন উল্টো বাইরে থেকে আসা লোকজন এ ব্যাপারে ভয় ধরাচ্ছেন। এক সপ্তাহের কাছাকাছি সময়ে উহানে প্রথম একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। গত বছরের শেষদিকে উহান থেকেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে। চীনের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় পর্যায়ে আরও তিনজন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

    দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন বলছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা সবাই উহানের বাসিন্দা। মার্চের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭৪ জন মঙ্গলবার আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবারের তুলনায় আক্রান্তের এ সংখ্যা দ্বিগুণ।

    করোনার সংক্রমণ দু’বছর থাকার আশঙ্কা চীনা বিশেষজ্ঞের : করোনার সংক্রমণ নিকট ভবিষ্যতে থামছে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চীনের এক সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ। ফুডান ইউনিভার্সিটির সংক্রামক ব্যাধি সেন্টারের প্রধান ঝ্যাং ওয়েনহংয়ের দাবি, বৈশ্বিক এ মহামারীর বিস্তারকাল হবে দু’বছর।

    জার্মানির ডুসলডর্ফে এক ভিডিও সম্মেলনে ঝ্যাং জানান, এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে ইউরোপের দেশগুলোর লড়াই চলতে পারে দু’বছর পর্যন্ত। এ বিশেষজ্ঞের বক্তব্য: ভাইরাসের সংক্রমণ কমা-বাড়া এবং এক বা দু’বছর পর্যন্ত থাকা একেবারেই স্বাভাবিক। তিনি আরও বলেন, জার্মানিসহ ইউরোপের দেশগুলোর জন্য ভাইরাসটি হবে ভয়ানক, আর নিকট ভবিষ্যতে বৈশ্বিক এ মহামারী থামবে- এমনটা ভাবাও হবে ভুল।

    রাশিয়ায় বয়স্কদের ঘর থেকে বেরোনোর ওপর নিষেধাজ্ঞা : রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের বাড়িতে থাকার (হোম কোয়ারেন্টিন) নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্যথায় তাদের গ্রামের বাড়িতে চলে যেতে বলা হয়েছে। শহরটির মেয়র সেরজেই সবিয়ানিন নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ নির্দেশ দিয়েছেন।

    তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (বয়স ৬৭ বছর) ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। মেয়র বলেন, প্রেসিডেন্ট এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। তিনি তার কার্যালয় থেকে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। রাশিয়ায় এ পর্যন্ত ৪৩৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এদের বেশিরভাগই মস্কোর বাসিন্দা। মেয়র সবিয়ানিন বলেছেন, আগামী ২৬ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বয়স্কদের অবশ্যই বাড়িতে অবস্থান করতে হবে।

    আঞ্জেলা মার্কেলের করোনা টেস্ট নেগেটিভ : জার্মানির চ্যান্সেলর আঞ্জেলা মার্কেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে প্রথম পরীক্ষাটি নেগেটিভ হয়েছে। এরপরও তাকে দুই সপ্তাহ নিজের বাড়িতে ঘরোয়া কোয়ারেন্টিন থাকতে হবে।

    আর নিয়মিত করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। জার্মানির সরকারি মুখপাত্র স্টিফেন সিবার্ট সোমবার বলেন, আঞ্জেলা মার্কেল চিকিৎসক ও রবার্ট কক ইন্সটিটিউট নির্দেশ মেনে চলছেন। এ ইন্সটিটিউটে পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাসে সংক্রমণ নেতিবাচক হয়েছে এবং তিনি ভালো আছেন।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4344