• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    গণপরিবহনে অবাধে চলছে মাদক পাচার

    আসিফ হাসান কাজল- | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

    গণপরিবহনে অবাধে চলছে মাদক পাচার

    সীমান্ত থেকে গণপরিবহনে নির্বিঘ্নে পাচার হচ্ছে মাদক। চুয়াডাঙ্গার একাধিক ভারতীয় প্রবেশ পথ মূলত দর্শনা,জীবননগর দিয়ে ফেন্সিডিল,ভারতীয় মদ সহ একাধিক মাদকদ্রব্য প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। সম্প্রতি প্রশাসনের তৎপরতায় মাদক পাচারকারীরা বেছে নিচ্ছে বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতি।
    তাই গণপরিবহন মূলত ঢাকামুখী চেয়ারকোচ গুলো দিয়ে কিছু অসাধু চক্রের কারসাজিতে চলছে এই মাদকদ্রব্য পরিবহন ও পাচার ব্যাবস্থা।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মাদক ব্যাবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায় এই তথ্য।
    বাসের সুপারভাইজারই মূলত এই পাচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন, ভাগা পাচ্ছেন গাড়ীর চালকও।


    সীমান্ত থেকে মাগুরা,ঝিনাইদহ,ফরিদপুর পর্যন্ত আগাম তথ্য না থাকলে কোন তেমন ভাবে চেক করা হয়না, এ ছাড়াও বাসের ড্রাইভার সুপারভাইজারদের তল্লাশী না করার কারনে সহজ ভাবেই মাদক পরিবহন ও পাচার হচ্ছে বলে জানান, দর্শনা নাস্তিপুরের এক মাদক ব্যাবসায়ী।


    সরেজমীনে এসে অনুসন্ধানে জানা যায় যারা পুর্বে মাদক ব্যাবসার সাথে যুক্ত ছিল এবং এখনো এই ব্যাবসা করছেন তাদের ভাষ্যমতে, জেলাগুলোতে ব্যাবসা করতে দরকার হয় শুধু মাত্র একটি বাড়ি বা সেইফ হোম । এই মাদকদ্রব্য পরিবহনে বাস এর সুপারভাইজার একজন যাত্রীকে যে জায়গায় নামতে চান সেখানেই নামিয়ে যাত্রীরুপী ব্যাক্তির হাতে ব্যাগটি তুলে দেওয়া হয়। ঠিক যেন বেড়াতে এসেছে এমন ভাবে। পরে নির্দিষ্ট বাড়ীতে ব্যাগ ভর্তি মাদক পৌছে টাকা নিয়ে চলে আসেন বলে জানান, এরপর সেগুলো অল্প অল্প করে বিভিন্ন পন্থায় ছড়িয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা সহ জেলা শহরের সর্বত্র।

    চুয়াডাঙ্গা দর্শনার নাস্তিপুর বিজিবি ক্যাম্প থেকে মাদকের বিরুদ্ধে তাদের সজাগ দৃষ্টি সহ নিয়মিত অভিযান চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    অনুসন্ধাধানে আরও জানা যায় ফেন্সিডিলের প্রতিটি প্যাকেটে ১২ টি করে ফেন্সিডিল থাকে যাকে স্থানীয় মাদক ব্যাবসায়ীরা পাতা বলে থাকে। এই পাতা প্রতি মাদক পরিবহনে বাসের সুপারভাইজারদের সাথে এক হাজার(১০০০) টাকা বিনিময় হয়ে থাকে, অর্থাৎ ১০ পাতা ফেন্সিডিল পাচারে ১০ হাজার টাকা(১০,০০০)। জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে সুপারভাইজার হিসাবে চাকরী করা ব্যাক্তিরাই অপেক্ষাকৃত এই কাজের সাথে বেশীমাত্রায় জড়িত।
    একাধিক পরিবহন সুপার ভাইজার এর সাথে কথা বলে ও এই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কেউ কোন এই কথা কে স্বীকার করেননাই।
    তবে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালের একাধিক দোকানদার নাম প্রকাশের অনিচ্ছা শর্তে জানায়, তারা মাত্র ৫০০ টাকা করে পাই বাসের মালিকেদের কাছ থেকে মাদক পাচার করবে না কি করবে!!
    এই ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলার ডামুরহুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলা হলে এই ভাবে মাদক পাচার হয় বিষয়টি তার জানা ছিল না তবে বর্তমানে দর্শনার ২ টি চেক পয়েন্টে প্রতিদিন চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশ কাজ করছেন বলে দৈনিক আজকের অগ্রবাণী কে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
    মাগুরা জেলার গোয়ান্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইনামুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এই ধরনের তথ্য ও গোপন তথ্যর ভিত্তিতে সড়কে অনেক বার মাদক সহ নানা অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে তার ইউনিট।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673