বুধবার, এপ্রিল ১৪, ২০২১

গুদাম কর্মকর্তা ও নৈশ্যপ্রহরী আটক, ২৮০ বস্তা চাল জব্দ

  |   বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১ | প্রিন্ট  

গুদাম কর্মকর্তা ও নৈশ্যপ্রহরী আটক, ২৮০ বস্তা চাল জব্দ

খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও গুদাম কর্মকর্তার দিনভর নাটক শেষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর খাদ্য গুদাম থেকে পাচার হওয়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৪০ বস্তা চালের মধ্যে ২৮০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশরাত জাহানের উপস্থিতিতে এ চাল জব্দ করা হয়। তবে এখনো উদ্ধার হয়নি পাচার হওয়া ৩৬০ বস্তা চাল। এ ঘটনায় রাতেই উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মুক্তা রানী সাহা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ গুদাম কর্মকর্তা বেলাল হোসেন ও নৈশ্য প্রহরী আল-আমিনকে আটক করে।
সরজমিনে জানা যায়, ভুঞাপুর খাদ্য গুদাম থেকে দুপুরের দিকে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ১০ টাকা কেজি দরের চাল ট্রাকযোগে পাচার হচ্ছিল। বিষয়টি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংবাদকর্মী আল আমিন শোভন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশরাত জাহানকে জানান। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পাচার হতে যাওয়া চাল বোঝাই একটি ট্রাক দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি গুদাম কর্মকর্তা মো.বেলাল হোসেনের কাছে জানতে চান।

গুদাম কর্মকর্তা কোন ধরনের সদুত্তর না দিয়ে নানা ধরনের টালবাহানা শুরু করেন। এমনকি সিসিটিভির পাসওয়ার্ডও তার কাছে নেই বলে জানান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মুক্তা রানী সাহা। চলতে থাকে নানা ধরনের নাটক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বিষয়টি ওসি মোহাম্মদ আবদুল ওহাবকে জানালে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে আসেন এসআই টিটু চৌধুরী। এর ফাঁকে চাল পাচারের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে গাবসারা  ইউনিয়নের দুইজন ডিলারকে ডেকে এনে গোপনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন গুদাম কর্মকর্তা বেলাল হোসেন। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। খোলা হয়ে ট্রাকের ছাউনি। একে একে বের হয়ে আসে ৫০ কেজি প্লাস্টিকের বস্তায় ২৮০ টি বস্তা। পরে সে চাল জব্দ করে ট্রাকসহ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। গোপন করেন ৩৬০ বস্তা চাল পাচারের বিষয়টি। কিন্তু তা আর বেশি সময় গোপন থাকে না। আসল তথ্য বেরিয়ে আসে গুদামের নৈশ্য প্রহরী আলামিনের কাছ থেকে।
আল-আমিন জানায়, স্যারের (গুদাম কর্মকর্তা বেলাল হোসেন) নির্দেশে প্রথম ট্রাকে ৩৬০ বস্তা ও পরের ট্রাকে ২৮০ বস্তা চাল লোড করা হয়েছে লেবার দিয়ে। ৩৬০ বস্তা নিয়ে ট্রাকটি ঘাটাইলের হামিদপুরে চলে যায়। পরের ট্রাকটি আটকা পড়ে। সর্বমোট ৩৬০ বস্তা চাল লোড করা হয়।
তবে ওসি এসএসডি বেলাল হোসেন বলেন, ২৮০ বস্তা চাল গাবসারা ইউনিয়নের ডিলার দিলীপ, ফরহাদ, নজরুল ও অর্জুনা ইউনিয়নের ডিলার সাখাওয়াত হোসেন লেবুর। বাকি ৩৬০ চাল সম্পর্কে তিনি জানেন না বলে জানান।
 
 
 


Posted ১:৪২ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০