• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    গোপালগঞ্জে বৃষ্টির দেখা নেই, পুড়ছে পাটক্ষেত

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | ২২ এপ্রিল ২০২১ | ৫:৫৭ অপরাহ্ণ

    গোপালগঞ্জে বৃষ্টির দেখা নেই, পুড়ছে পাটক্ষেত

    তীব্র তাপদাহ আর অনাবৃষ্টির কারণে গোপালগঞ্জে পুড়ছে পাটক্ষেত। বৈশাখের তপ্ত রোদে পাটগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। পাটের আবাদ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে কৃষকের। পাটের জমিতে ঘন ঘন সেচ দেয়ায় যেমন বাড়ছে উৎপাদন খরচ, তেমনি প্রচণ্ড খরায় জমির আগাছা পরিস্কার করতে পারছেন না কৃষকরা। এ অবস্থায় পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশংকা করছেন কৃষকরা।


    গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, চলতি মাসে জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৈশাখ মাস জুড়েই তাপদাহ অব্যাহত থাকবে। তবে কয়েকদিনের মধ্যে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসবে।

    ajkerograbani.com

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অনাবৃষ্টির কারণে পাটক্ষেত শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পাটগাছ শুকিয়ে বিবর্ণ ও পাতা কুঁচকে গেছে। এ অবস্থায় অনেক কৃষক নষ্ট হওয়া পাটক্ষেতে নিড়ানি দিচ্ছেন না।

    কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের চাপ্তা গ্রামের গ্রামের কৃষক ওয়াহিদ মিনা বলেন, ‘এ বছর ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। অনাবৃষ্টির কারণে এবার ঘন ঘন সেচ দিতে হচ্ছে। তারপরও পাট গাছ বাড়ছে না। পাট গাছের বৃদ্ধি দ্রুত না হওয়ায় জমিতে আগাছার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে উৎপাদন খরচ দ্বিগুন বেড়েছে।’

    মুকসুদপুর উপজেলার বরইহাটি গ্রামের পাটচাষি মিরাজ শেখ বলেন, ‘অনাবৃষ্টির কারণে পাটগাছ মরে যাচ্ছে। সপ্তাহে দুইবার সেচ দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। এভাবে খরা আরো কিছুদিন হলে পাটে এবার লোকসান গুনতে হবে। এক বিঘা জমিতে একবার সেচ দিতে ৫শ’ টাকা খরচ হচ্ছে।’

    কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সনজয় কুমার কুন্ড বলেন, ‘অনেকে তপ্ত রোদে পাটের জমিতে সেচ দিচ্ছেন। এতে ভাল হওয়ার বদলে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে। সন্ধ্যার পর জমিতে সেচ দিতে হবে। তাপদাহে পাট গাছে পোকার উপদ্রব বেড়ে যাবে। ফলে পাটের কচি পাতা কুকড়ে যাবে।’ এ অবস্থায় কীটনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেন তিনি।

    গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক ড. অরবিন্দু কুমার রায় জানান, ‘এ বছর জেলায় ২৫ হাজার ৪৪০ হেক্টর জমিতে পাটচাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১৯ হাজার ২১৪ হেক্টর জমিতে বপন কাজ শেষ হয়েছে এবং অনেক স্থানে পাটের চারা বড় হয়ে গেছে। গত বছর পাটের মূল্য ভাল পাওয়ায় কৃষকরা এবার বেশি জমিতে পাট চাষ করেছেন।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757