• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    গোপালগঞ্জে স্ত্রীর হত্যার দায়ে পুলিশ স্বামীর ফাঁসির আদেশ

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: | ০৬ নভেম্বর ২০১৭ | ৮:১০ অপরাহ্ণ

    গোপালগঞ্জে স্ত্রীর হত্যার দায়ে পুলিশ স্বামীর ফাঁসির আদেশ

    গোপালগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে পুলিশ সদস্য স্বামী মশিউর রহমানকে (৩৬) ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। সে সঙ্গে বিচারক ওই আসামীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
    সোমবার বিকেলে গোপালগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোঃ দলিল উদ্দিন এ রায় প্রদান করেন।
    সাজাপ্রাপ্ত মশিউর রহমান গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মানিকদহ গ্রামের মফিজুর রহমান ওরফে পাপার ছেলে। মশিউর পুলিশের কনষ্টেবল পদে চাকরি করতেন। স্ত্রী হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত হওয়ার পর পুলিশের চাকরি থেকে তাকে সমায়িক বরখাস্ত করে পুলিশ বিভাগ।
    এ মামলার অপর ৫ আসামী পুলিশ সদস্যের বাবা মফিজুর রহমান পাপা, মা সেলিনা বেগম ওরফে শেলী, বোন মাফুজা বেগম, ভগ্নিপতি ইব্রহিম মোল্লা ও ভাবী শাম্মী ইয়াসমিন ওরফে সোমাকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।
    মামলার বিবরনে জানাগেছে, বিগত ২০০৪ সালের ২২ নভেম্বর মশিউর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ছাগলছিড়া গ্রামের নেছার উদ্দিন মোল্লার মেয়ে সাদিয়া জাহান ওরফে তুলি বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে স্বামী শ্বশুর, শাশুড়ী, ননদ, জা তুলির কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে। নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে বাবার বাড়ি থেকে তুলি যৌতুকের ৫০ হাজার টাকা এনে দেয়। আরো ১ লাখ টাকার জন্য তুলির ওপর নির্যাতন অত্যাচার চলতে থাকে। অত্যাচার নির্যাতন সইতে না পেরে তুলি ২০০৫ সালের নভেম্বরের প্রথম দিকে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। স্বামীর বাড়ির লোকজন ফুসলিয়ে তাকে বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে আসে। ২৭ নভেম্বর স্বামী ও তার বাড়ির লোকজন তুলিকে যৌতুকের আরো ১ লাখ টাকা এনে দিতে চাপ দেয়। তুলি টাকা এনে দিতে অস্বীকার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী ও তার বাড়ির লোকজন তুলিকে নির্মম ভাবে হত্যা করে।
    এ ঘটনার পর দিন ২৮ নভেম্বর তুলির বাবা নেছার উদ্দিন মোল্লা বাদী হয়ে জামাতা মশিউর রহমান, তার পিতা মফিজুর রহমান ওরফে পাপা, মা সেলিনা ওরফে শেলী, বোন মাফুজা বেগম ও ভগ্নিপতি ইব্রাহিমকে আসামী করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই মোঃ হুমায়ূন কবির দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিগত ২০০৭ সালের ১৬ এপ্রিল প্রধান আসামী মশিউর রহমানের ভাবী শাম্মী আক্তার সোমকে এ মামলায় যুক্ত করে মোট ৬ আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে গোপালগঞ্জ আদালতে এ হত্যাকান্ডের বিচার শুরু হয়।


    Facebook Comments


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669