• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    গ্রামীণফোনের ইতিহাস

    এম এ রউফ খান | ১২ মে ২০১৭ | ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ

    গ্রামীণফোনের ইতিহাস

    বর্তমানে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন সেবাদাতা কোম্পানি। এটি ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ থেকে এদেশে তার কার্যক্রম শুরু করে। এর পূর্বে ১৯৯৬ সালের ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পায়। বর্তমানে (অক্টোবর ২০১৪) ৫ কোটিরও বেশী গ্রাহক গ্রামীণফোনের। বর্তমানে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের ৫০ শতাংশেরও বেশী অংশ দখল করে আছে। সুতরাং বলা যায়, বর্তমানে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রামীণফোন আধিপত্য করছে।
    সেবাসমূহ-
    সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন দুই ধরনের মোবাইল সেবা দিয়ে থাকেঃ ১)পোস্ট-পেইড সংযোগ এবং ২)প্রি-পেইড সংযোগ।
    প্রি-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-


    স্মাইল (শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মোবাইল থেকে মোবাইল সংযোগ)
    স্মাইল পিএসটিএন (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
    ডিজ্যুস (তরুণদের জন্য বিশেষ সংযোগ)

    ajkerograbani.com

    এছাড়াও বর্তমানে চালু হয়েছে আরো কয়টি প্যাকেজ ৷ যেমনঃ সহজ, বন্ধু, আপন এবং নিশ্চিন্ত।
    পোস্ট-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-

    এক্সপ্লোর প্যাকেজ ১ (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
    এক্সপ্লোর প্যাকেজ ২ (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)

    এছাড়াও গ্রামীণফোন সারাদেশে মোবাইল ফোন ও মডেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকে।অন্যান্য সেবার মধ্যে এসএমএস ভয়েস এসএমএস পুশ-পুল সার্ভিস, ভিএমএস,ফ্যাক্স, ওয়েলকাম টিউন, রিংব্যাক টোন এবং মিসড কল এলার্ট প্রভৃতি সেবা অন্যতম।
    ২০১৩ সালে ৩জি নেটওয়ার্ক এর পূর্বে ২জি সেবা প্রদান করে। গ্রাহক পর্যায় গ্রামীণফোনের সফলতার পাশাপাশি গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নানা অভিযোগ আছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো উচ্চমূল্যের ইন্টারনেট সার্ভিস।
    সদর দপ্তর-জিপি হাউজ, বসুন্ধরা, বারিধারা,ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ।
    সহযোগী প্রতিষ্ঠান -টেলিনর (৫৫.৮ শতাংশ), গ্রামীণ টেলিকম (৩৪.২ শতাংশ), জনগণ (১০ শতাংশ) ।

    বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের যাত্রা:

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় ১৯৮৯ সালে বিটিএল (বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড) কে প্রথম সেলুলার, ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন ও পেজিং অপারেশনের লাইসেন্স প্রদান করে। ১৯৯০ সালে হ্যাচিসন টেলিকমের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্জারের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বিটিএল নতুন “এইচবিটিএল” নামক কোম্পানী গঠন করে নেটওয়ার্ক স্থাপন ও সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে এইচবিটিএল বানিজ্যিক ভাবে শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়াতেই প্রথম সেলুলার ফোনের প্রচলন ঘটায়। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, “এইচবিটিএল” নামে এখন কোন ফোন নেই কেন? মজার কথা, সে বছরের শেষের দিকে “প্যাসিফিক মোটরস” বিটিএল এর ৫০% শেয়ার কিনে নেয়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালের নাগাদ “এইচবিটিএল” এর নাম পরিবর্তীত হয়ে “প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড” বা, পিবিটিএল হয়ে যায়, এবং “সিটিসেল ডিজিটাল” নামক ব্র্যান্ডের আদলে তারা তাদের টেলিযোগাযোগ কর্মকান্ড বহাল রাখে। এই ছিলো বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোনের যাত্রার কথা। তখনকার “কোলবালিশ” আকারের অ্যান্টেনাসহ ফোনগুলো এখন আমি অনেক মিস করি। খুব খানদানি একটা ভাব ছিলো! তবে, গ্রামে-গঞ্জে ফোনের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা প্রথম আনেন ইকবাল জেড. কাদের, যিনি গ্রামীণ ব্যাংকের মাইক্রো-ক্রেডিট আইডিয়া থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গ্রামে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে টেলিনর ও ড.ইউনুসের সাথে মিলিত হয়ে সূচনা করেন গ্রামীণফোনের। ১৯৯৬ সালের নভেম্বরে এটি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন পায়।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757