বৃহস্পতিবার ২১শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

চতুর্দিকে বলয় কেন্দ্রে সূর্য; জনমনে আতঙ্ক

শেখ ফাহিম, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি   |   বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২০ | প্রিন্ট  

চতুর্দিকে বলয় কেন্দ্রে সূর্য; জনমনে আতঙ্ক

আজ সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ সূর্যের রুপের ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। সূর্যের চারপাশে গোলাকার আলোর আবির্ভাব ঘটে। এ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মাঝে।এই নান্দনিক ঘটনা সাক্ষী হতে অনেকেই খালি চোখে আকাশের দিকে তাকাচ্ছে৷ যেটি চোখের জন্য খুবই ক্ষতিকর। সামাজিক যোগা
যোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ছড়িয়ে পড়ে এনিয়ে তর্ক-বিতর্ক।আজ সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ সূর্যের রুপের ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। সূর্যের চারপাশে গোলাকার আলোর আবির্ভাব ঘটে। এ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মাঝে।এই নান্দনিক ঘটনা সাক্ষী হতে অনেকেই খালি চোখে আকাশের দিকে তাকাচ্ছে৷ যেটি চোখের জন্য খুবই ক্ষতিকর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এনিয়ে তর্ক-বিতর্ক।
অনেকে মন্তব্য করেন মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের উপর গজব নাযিল আমাদের উপর গজব নাযিল করেছেন। আবার অনেকে বলছেন এলিয়েনের আবির্ভাব হচ্ছে, আর অনেকের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে কৌতূহলের উদ্দীপনার চরমপর্যায়ে চরমপর্যায়ে বিরাজমান করছে।তবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই উদ্দীপনা একটু বেশি কাজ করছে, এ কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সত্য এবং মিথ্যা তথ্য বিশ্লেষণের সুযোগ বেশি বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।অনেকে মন্তব্য করেন মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের উপর গজব নাযিল করেছেন। আবার অনেকে বলছেন এলিয়েনের আবির্ভাব হচ্ছে, আর অনেকের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে কৌতূহলের উদ্দীপনার চরমপর্যায়ে বিরাজমান করছে।তবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই উদ্দীপনা একটু বেশি কাজ করছে, এ কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সত্য এবং মিথ্যা তথ্য বিশ্লেষণের সুযোগ বেশি বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।
বশেমুরবিপ্রবির একজন শিক্ষার্থী বলেন, সূর্যের এমন রূপ এর আগে কখনো দেখা হয়নি, তবে করোনাভাইরাস নিয়ে যে পরিমান আতঙ্কে রয়েছি সেজন্য যে কোন একটা বিষয় নিয়ে একটু ঘাবড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এ বিষয়টি সাক্ষী হতে পেরে খুবই আনন্দবোধ করছি কারণে এমনটি দেখার সৌভাগ্য সবার হয়না।বশেমুরবিপ্রবির একজন শিক্ষার্থী বলেন, সূর্যের এমন রূপ এর আগে কখনো দেখা হয়নি, তবে করোনাভাইরাস নিয়ে যে পরিমান আতঙ্কে রয়েছি সেজন্য যে কোন একটা বিষয় নিয়ে একটু ঘাবড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এ বিষয়টি সাক্ষী হতে পেরে খুবই আনন্দবোধ করছি কারণে এমনটি দেখার সৌভাগ্য সবার হয়না।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (নাসা) ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, এই বলয় ২২ ডিগ্রি হ্যালো (halo) নামে পরিচিত। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞানীরা বলেন, বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ছোট ছোট বরফকণা রয়েছে। সূর্যের আলো স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌঁছানোর পর বরফে পড়ে তা প্রতিসবরণ হয়। হ্যালো ২২ ডিগ্রি থেকে ৫০ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। তবে ২২ ডিগ্রি হলেই এই বলয় সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়। বায়ুমণ্ডলে জমে থাকা বরফ কণা থেকে প্রতিসরণ হওয়ায় বৃষ্টিরও সম্ভাবনা থাকে।
উল্লেখ্য, অল্প সময় থাকায় সূর্যের চারপাশের বলয়টি সবার নজরে আসেনি।

Facebook Comments Box


Posted ১০:১৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২০

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১