• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর গলা টিপে, ঘাড় মটকে তরুণীকে হত্যা

    আজকের অগ্রবাণী ডেস্ক | ৩০ আগস্ট ২০১৭ | ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ

    চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর গলা টিপে, ঘাড় মটকে তরুণীকে হত্যা

    চলন্ত বাসের মধ্যে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে জঙ্গলে তার মরদেহ ফেলে দেওয়ার এক ঘটনায় পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার বাসটির চালকসহ পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকালই তাদের আদালতে হাজির করলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।


    ওই তরুণীর আত্মীয়-স্বজন ছবি দেখে মরদেহ সনাক্ত করার পর তরুণীটিকে বাসের মধ্যে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যার এই ঘটনা ফাঁস হয়।

    ajkerograbani.com

    পুলিশ জানিয়েছে, টাঙ্গাইলের মধুপুরে রাস্তার পাশে জঙ্গল থেকে পুলিশ গত শনিবার সকালে এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার করার পর বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে। এরপর সোমবার ওই তরুণীর বড় ভাই পুলিশের কাছে তরুণীর মৃতদেহের ছবি দেখে তাঁকে শনাক্ত করেন। তখন পুলিশ তদন্ত করে ছোঁয়া পরিবহন নামের একটি বাসের চালক এবং হেলপারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের তিনজন মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

    এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম জানিয়েছেন, বাসটি বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাচ্ছিল। টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী নেমেছে। এরপর বাসে ওই তরুণী ছাড়া আর কোন যাত্রী ছিল না। তখন বাসটি মধুপুরের জঙ্গলের দিকে রাস্তায় গিয়ে চলন্ত বাসেই ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা পুরো এই বর্ণনা দিয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, “তরুণীর লাশ পাওয়া গিয়েছিল মধুপুরের জঙ্গলে। মৃতদেহের ছবি ফেসবুকে দেওয়ার পর তার ভাই এসে শনাক্ত করে। আসামিদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ঘটনার সব আলামতও আমরা সংগ্রহ করেছি। ”

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, ওই তরুণীর বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশে।

    জানা গেছে, বগুড়া আজিজুল হক কলেজ থেকে লেখাপড়া করার পর তরুণীটি একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করতেন। একইসাথে ঢাকায় একটি ল কলেজে পড়তেন।

    মেয়েটির বড় ভাই হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, তাঁর বোন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিতে শুক্রবার বগুড়া গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সন্ধ্যায় এক সহকর্মীর সাথে কর্মস্থল ময়মনসিংহে যাওয়ার জন্য ছোঁয়া পরিবহনের বাসে উঠেছিলেন। তাঁর সহকর্মী টাঙ্গাইলে এলেঙ্গায় নেমে যান।

    মি: রহমান বলেন, তাঁর বোনের সাথে শুক্রবার রাত ১০:৩০ পর্যন্ত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। এরপর বাসের হেলপার ফোন ধরে তা বন্ধ করে দিয়েছিল।

    হাফিজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা তাঁর বোনকে ধর্ষণের পর গলা টিপে এবং ঘাড় মটকে হত্যার যে বর্ণনা আদালতে দিয়েছে, আদালতে তা শুনে তিনি শিউরে উঠেছিলেন।

    তিনি আরো বলেন, এত নির্মমভাবে ধর্ষণের পর ঘাড় মটকে হত্যা করেছে। আদালতে আসামিরা যখন বর্ণনা দেয়, আমার তখন কলিজা ফেটে যাচ্ছিল। শুনে মনে হচ্ছিল, এরা পশুর চেয়েও অধম। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি আমি চাই। ”

    পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলাটি দায়ের করেছে মেয়েটির ভাই হাফিজুর রহমান। এখন মামলায় অল্প সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755