• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    চাঁদাবাজির মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কাজী আনিছ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধ চার্জশিট

    | ১৪ জানুয়ারি ২০২১ | ৭:০১ অপরাহ্ণ

    চাঁদাবাজির মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কাজী আনিছ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধ চার্জশিট

    ক্যাসিনো সম্পৃক্ততা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যুবলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিছুর রহমান ও তার স্ত্রীর মোছা. সুমি রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।


    আজ বৃহষ্পতিবার কাজী আনিছুর দম্পতির বিরুদ্ধে পৃথক দুটি চার্জশিটের অনুমোদন দেয় দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। বিষয়টি সংবাদিকদের জানান কমিশনের সচিব ড. মু আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।


    দুদক সচিব বলেন, যুবলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিছুর রহমান অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজ নামে ১২ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার ৯২০ টাকা টাকা অর্জন ও তার স্ত্রী মোছা. সুমি রহমান অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ নামে ১ কোটি ৩১ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। দুদকের তদন্তে তা প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করে দুদক।

    দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কাজী আনিছুর রহমান ১৪ কোটি ৯৫ লাখ ২৯ হাজার ৮৩৬ টাকা অর্জন করেন, যা তার আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। এ ছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে নিজ নামে ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫টি হিসাবে ২০১১ সাল থেকে মোট ১২৯ কোটি ৯১ লাখ ১৭ হাজার ২১৩ টাকা জমা করেন। এর মধ্যে ১২৩ কোটি ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তারা আয়ের অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার অসৎ উদ্দেশ্যে তা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অবস্থান গোপন করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

    তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি কাজী আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে উপর্যুক্ত অপরাধের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় কমিশন কর্তৃক চার্জশিট অনুমোদন করা হয়।

    অন্যদিকে, ক্যাসিনো সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্দ অর্জনের অভিযোগে যুবলীগের সাবেক এই দপ্তর সম্পাদকের স্ত্রী মোছা. সুমী রহমানসহ এই দম্পতির বিরুদ্ধে আরও একটি মামলার চার্জশিট অনুমোদন দেয় দুদক। তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে স্বামীর সহযোগিতায় বিপুল সম্পদ অর্জন করেন। কিন্তু এই বিপুল অর্থের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি দুদক।

    তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, মোছা. সুমি রহমান ২ কোটি ৬১ লাখ ৬২ হাজার ২১৮ টাকা আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ক্ষেত্রে তার স্বামী কাজী আনিছুর রহমান অবৈধ অর্থ বিভিন্ন উপায়ে স্ত্রীর হিসাবে স্থানান্তরসহ স্ত্রীকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

    অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুপারিশের আলোকে আসামি মোছা. সুমি রহমান ও তার স্বামী কাজী আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে উপর্যুক্ত অপরাধের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় কমিশন কর্তৃক চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন করা হয়।

    জানা যায়, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে এই দম্পতির বিরুদ্ধে ২৯ অক্টোবর ২০১৯ সালে দুটি মামলা করেন।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673