• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থাকবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

    অগ্রবাণী ডেস্ক: | ১৬ জুন ২০১৭ | ১২:৩৫ অপরাহ্ণ

    চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থাকবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে এডিস মশা নিধন করতে হবে। ধ্বংস করতে হবে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র। আর সে জন্য নিজেদের ঘরবাড়ি এবং আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


    গতকাল বৃহস্পতিবার আইইডিসিআর চিকুনগুনিয়া জ্বর ও মশা নিধন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভার আয়োজন করে। এর আগেই সিদ্ধান্ত হয়, মশানিধন ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার ঢাকায় ৯২টি ওয়ার্ডে নামছেন স্বাস্থ্যশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ১০ হাজার শিক্ষার্থী।

    ajkerograbani.com

    সভায় জানানো হয়, ১ থেকে ৫ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকার ৪৭টি ওয়ার্ডে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র বিষয়ে জরিপ চালায়। এতে ঢাকায় এডিস মশার ব্যাপক উপস্থিতি ধরা পড়ে। এর মধ্যে ধানমন্ডি, কলাবাগান ও কাঁঠালবাগানে প্রকোপ বেশি দেখা যায়। এডিস মশা নিধন ছাড়া চিকুনগুনিয়া থেকে নিস্তারের কোনো পথ নেই।

    গতকাল সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, চিকুনগুনিয়া জ্বর নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। এই জ্বর এমনিতেই সেরে যায়। তবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কেউ যাতে চিকুনগুনিয়া সন্দেহ না করে, সে জন্য কয়েকটি লক্ষণ দেখে ধারণা পাওয়া যাবে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু ও টাইফয়েড থেকে দূরে থাকতে মশার উৎপত্তি প্রতিরোধ অব্যাহত রাখতে হবে।

    বাংলাদেশে হঠাৎ করে চিকুনগুনিয়া এত বাড়ল কেন জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘শহরের বাসাবাড়িতে ফুলের টব থাকে, ফ্রিজ থাকে। বাসার পাশে থাকে টায়ার। এসব জিনিসে মজা পানি চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশা জন্মানোর জন্য সহায়ক। গ্রামে এগুলো কম বলে সেখানে এসব রোগ কম ছড়াচ্ছে।’

    সিটি করপোরেশন মশার যে ওষুধ ছিটাচ্ছে, তাতে মশা মরছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনকে বলেছি, আমরা বিষয়টা পরীক্ষা করব।’

    আইইডিসিআরের পরিচালক মিরজাদি সেবরিনা জানান, গত এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত চিকুনগুনিয়া সন্দেহে ইনস্টিটিউটে পরীক্ষার জন্য ১৩৯টি নমুনা আসে। এর মধ্যে ৮৬টি নমুনায় চিকুনগুনিয়ার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এসব ব্যক্তির অধিকাংশই ছিলেন রাজধানীর কলাবাগান, কাঁঠালবাগান ও রামপুরার বাসিন্দা। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৪৬০ জন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হওয়ার তথ্য আছে জানিয়ে তিনি বলেন, বৃষ্টির পানিতে রাস্তার মশা, ডোবা-নালার মশা মরে যায়। কিন্তু ঘরে থাকা মশা বা লার্ভা মরে না। এ জন্য সবার আগে ঘরে ঘরে মশার উৎপত্তিস্থল প্রতিরোধে জোর দিতে হবে।

    সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক সানিয়া তহমিনা এবং চিকিৎসাশিক্ষা-বিষয়ক পরিচালক আবদুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় জানানো হয়, চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগামীকাল শনিবার ঢাকার ৯২টি ওয়ার্ডে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মাঠে নামাবে। তাঁরা এডিস মশা ধ্বংসের পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ এবং চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করবেন।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757