• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    চুরি করতে গিয়ে পারুলকে ধর্ষণের পর হত্যা

    অনলাইন ডেস্ক: | ২০ জুলাই ২০১৭ | ৩:৪২ অপরাহ্ণ

    চুরি করতে গিয়ে পারুলকে ধর্ষণের পর হত্যা

    চুরি করতে গত ১৮ জুন রাজধানীর শ্যামপুরে পারুল বেগমকে (৩২) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে গ্রেপ্তার হওয়া জামাল খান পাটোয়ারী (২৮) ও রাজীব হাওলাদার নামে দুই বন্ধু।


    জিজ্ঞাসাবাদে তারা একথা জানিয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে জানান ওয়ারি বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ফরিদ উদ্দিন।

    ajkerograbani.com

    এর আগে, গত ১৮ জুন শ্যামপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে পারুল নামে এক নারীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন নিহতের ভাই মো. নয়ন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেন। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় দীর্ঘ দিন তদন্ত করে অবশেষে কদমতলী থানা পুলিশ বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে।

    জামাল ও রাজীবের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে ডিসি ফরিদ উদ্দিন জানান, জামাল নিহত পারুলের পূর্ব পরিচিত। তারা পূর্বে একটি কীটনাশক কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ঘাতকদের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বামীর অনুপস্থিতিতে পারুলের বাসায় চুরি করা। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজীব পারুলকে ফোন দিয়ে রাতে বেড়াতে আসার কথা জানায়। যাওয়ার সময় দুই রকমের ফল, হালিম ও কোমল পানীয় নিয়ে যায়। এর মধ্যে হালিম কোমল পানীয়তে ঘুমের ওষুধের গুড়া মিশিয়ে দেয়।

    বাসায় গিয়ে গল্পের ছলে সেগুলো পারুলকে খাওয়ায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পারুল গভীর ঘুমে ঢলে পড়ে। এরপর দুই জনে মিলে পারুলকে ধর্ষণ করে। কিন্তু একাধিকবার ধর্ষণের এক পর্যায়ে পারুল কিছুটা চেতনা ফিরে পেয়ে চিৎকার করতে চাইলে জামাল তার গলা চেপে ধরে আর রাজীব মুখ চেপে ধরে এবং মুখ ও হাত-পা বেঁধে ফেলে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে পারুলের স্বর্ণের নাকফুল, ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে কদমতলীতে ফরিদা নামে এক পোশাকশ্রমিককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও জানানো হয়। গত ৭ জুলাই ওই নারীকে ধর্ষণের পর নানাভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    গত ১০ জুলাই বিকেল সাড়ে তিনটায় কদমতলী থানার ৪২৮ পূর্ব জুরাইন শিশু কবরস্থান সংলগ্ন জনৈক আব্দুল গনির বাড়ির তৃতীয় তলার টিনসেড তালাবদ্ধ ঘর হতে মুখে চাকু ঢুকানো রক্তাক্ত এবং মাথায় জখম ও গলায় ওড়না পেঁচানো বিবস্ত্র অবস্থায় অজ্ঞাতনামা ৩৫/৪০ বছরের ওই নারীর পঁচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

    কদমতলী থানা সূত্রে জানা যায়, মৃতদেহের কোন পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে উদঘাটিত না হওয়ায় কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

    ঘটনাটি ক্লু-লেস ও লোমহর্ষক হওয়ায় মামলাটির তদন্তকালে প্রথমে ভিকটিমের পরিচয় উদঘাটন করা হয়।

    তদন্তে জানা যায় ভিকটিমের নাম ফরিদা (৩০), তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুরে। তিনি পশ্চিম জুরাইন এল এল এ্যাপারেলস্ নামের একটি গার্মেন্টেসে চাকুরি করতেন।

    পরবর্তী সময়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর থানা এলাকা ও কদমতলী থানার জুরাইন বউ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফরিদা হত্যার ঘটনায় জড়িত মো. জাকির শিকদার (৩৮), মো. রফিকুল ইসলাম শামীম (২৫) ও মো. মফিজ উদ্দিন সাগর (৩৬) কে গ্রেপ্তার করেন।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755