• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    আলতু মিয়ার ফালতু প্যাচাল

    ছাগলে চাটে বাঘের গাল

    শহীদুল ইসলাম বেলায়েত | ১২ মে ২০১৭ | ১২:০৯ অপরাহ্ণ

    ছাগলে চাটে বাঘের গাল

    কারে কিবা কই,হাচা কথা কইতি গেলি আমার উপ্যার দিয়া টাইনা দিবি মই। মইয়ের ডলা খাইয়া,ইট্যার সাথে আমি যাবো মিশ্যা,বাপ হারাইয়া আমার ছাওয়াল মাইয়া পাবিনা কোন দিশা। তাই ভাইবা অধম আলতু কয়,নিতারা যা বয়ান করেন তা মিথ্যা হবার নয়। তারা হইলো দ্যাশের হত্তা কত্তা,পাবলিকের মা-বাপ,তাগো নিয়া মস্করা করা বড়ই কবিরা গুনাহ।
    কয়দিন আগে দ্যাশের সব ইসকুলে বিনা টাকায়,মাগনা বই দিছে। সেই বইতে বলে কি কি ভূল হইছে। তাই নিয়া একদল কিরমিনাল হাউকাউ বাধাইয়া দিছে। যারা বই ছাপাইনা কমিটিতে আছে তারা কি ওই ব্যাটাগোত্যা লেখা পড়া কম শিখছে?তারা লেখাপড়া শিা কইরা অনেক উপ্যারে উঠছে,তাইতো ছাগলে ক্যাম্বায় গাছেরত্যা আম পাইড়া খায়,উচা কিলাসে পড়া মানুষরা তার ছবি আইকা পুলাপানগো তা দেখাইয়া দিছে। আহা কি সুন্দ্যার দেখতি গাছে চড়া ছাগলের সেই ছবিখান ।আগে শুনছি,বিপদে পড়লি বাঘের গাল চাটে ছাগলে,এই কলিকালে দেখলাম সেই ছাগলে গাছের আমও পাইড়া খাইতি পারে।
    আহা কি চমেৎকার! খবরে শুনলাম,ওবায়দুর ভাই কইছে বিএনপি আবারো দ্যাশে আগুন জ্বালানোর জন্যি গিরিঙ্গী বাধানোর ফন্দি করতিছে। খবরখান শোনার পরে দিলের মইদ্ধে চিরিক দিয়া উঠলো। ফখরুল সাবগো দল ইয়ার আগে গিরিঙ্গী বাঁধাইয়া গ্যাড়াকলে পইড়া ফাটকা কলে আটকা খাইয়া য্যাম্বায় সাইজ হইছে তাতে তাগো কোমরের জোর আছে বইলা মনে হয়না। আবার ফখরুল সাব কইতিছে,সরকারি দলের নিতারা পানি ছিটেইয়া মারামারি বাধানোর জন্যি অনেক কায়দা কানুন করতিছে। দুই নিতার কথায় বুঝলাম,কার বেরেনে কি প্যাচ তা তারা বুইঝা ফেলাইছে। দুই দলের নিতারা যদি ঘটনা সত্যিই বুইঝা থাকে তাইলি আর আগুনে মানুষ পুড়বিনা,আর গুল্লি খাইয়া মানুষ রাস্তায় চিত্তর হবিনা। কুটিকালে শুনছি,ময়ালি জোট বাইন্ধ্যা কাইজা হয়না।
    আল্লার কদমে সিজদা দিয়া কই,মাবুদগো দ্যাশের মানুষরে আর ওই রকম আজগাই মওত দিওনা। আবার শুনলাম,যশোর জিলার কোন থানার দুই দারোগা বলে,এক গ্যাজাখোররে থানায় নিয়া চাইর হাত পাও বাইন্ধ্যা মরা শুয়ারের মতোন বাঁশের সাথে ঝুলেইয়া যম্মের মতোন সাইজ করছে। জান বাঁচানোর জন্যি ব্যাগ ভইরা টাকা দিয়া সেই গ্যাঁজাখোর ছাড়া পাইছে। আমি পুলিশ হইলে,উয়ার চৌগুন টাকা নিয়া গ্যাঁজাখোররে এমন সাইজ করতাম যে উয়ার নিশা জীবনেও ছুটতোনা। আগে শুনছি বডার পার হইয়া আমাগো দ্যাশে ডাইল আসতো,সেই ডাইলের মইদ্ধে পানি মিশেইয়া আমাগো পোলাপানে খাইতো আর ঝিম পাড়তো।আর এখন শুনতিছি,আমাগো রাজধাণীতেই ওইসব জিনিসের ডজন ডজন কারখানা হইয়া গেছে। একদিক দিয়া খবরখান মন্দনা। নিজিগো টাকায় ভিন দ্যাশের ডাইল কিনতো,কিন্তু এখন আর দ্যাশের টাকা আরেক দ্যাশে যাবিনা। সব সুমায় পাওয়া যাবি আবার দামে সস্তাও হবি। পোলাপানে পরান ভইরা খাইতি পারবি। যারা এ্যাতো কষ্ট কইরা,বেরেন খাটাইয়া ওই জিনিসখান বানাইয়া দ্যাশের টাকা বিদ্যাশে যাওয়া বন্ধ করলো,আমার র্খ্যাৗওমতা থাকলি আমি দ্যাশ দরদী সেই মানুষ গুলারে এমন পুরস্কার দিতাম যে তাগো আর জীবনে খাওয়া পরার চিন্তা করা লাগতোনা।


    Facebook Comments Box


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757