• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ছুটির দিন মানেই রান্না ঘরে মজার মজার খাবার

    ছুটির দিনের স্পেশাল রেসিপি

    লাইজু আলম | ২৮ এপ্রিল ২০১৭ | ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ

    ছুটির দিনের স্পেশাল রেসিপি

    ছুটির দিন মানেই রান্না ঘরে মজার মজার খাবার। দুপুরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে নিজের হাতে রান্না করা মজার খাবার খেতে কার না ভালো লাগে। তাই আজ রান্না করতে পারেন সবার পছন্দের এ খাবার-


    চাইনিজ বিফ-ক্যাপসিকাম ফ্রাই

    ajkerograbani.com

    উপকরণ :
    গরুর মাংস ছোট টুকরো করা ২ কাপ, পেঁয়াজ, ব্রকলি, গাজর কিউব ১ কাপ, নানান রঙের ক্যাপসিকাম ফালি ১ কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, টমেটো সস আধা কাপ, তেল আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি সামান্য, সয়াসস ১ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচ ২-৩টি।

    প্রণালি :
    গরুর মাংস আদা, রসুন বাটা ও লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এবার প্যানে তেল দিয়ে তাতে শুকনো মরিচ দিয়ে ভাজতে হবে। এরপর বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভাজতে হবে। যখন ভাজা ভাজা হয়ে আসবে তখন নমিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

    মুরগীর কোর্মা

    উপকরণ:
    মুরগীর মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, চীনা বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা, কাঁচামরিচ ৫/৬টা, দুধ ৫ কাপ (এই রান্নায় পানি ব্যাবহার হবে না), ঘি ২ চা চামচ, লবণ ও তেল পরিমাণমতো।

    প্রণালী:
    কড়াইতে পরিমাণমতো তেল গরম করে লবণ দিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভাজুন। ২ কাপ দুধ দিয়ে গরম মসলা ও আদা, রসুন, বাদাম বাটা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে মুরগীর মাংস দিয়ে আবার কিছুক্ষণ কষান।এবার ২ কাপ দুধ দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন। মাংস সেদ্ধ হলে ঢাকনা সরিয়ে আঁচ বাড়িয়ে কষান। যখন তেল ভেসে উঠবে তখন এমন আন্দাজে দুধ দিন যে ফুটে উঠে নামানোর পর আপনার মনের মত ঝোল থাকবে। ঝোল যখন ফুটে উঠবে তখন ৫/৬টি আস্ত কাঁচামরিচ দিয়ে নামিয়ে নিন। অন্য একটি প্যান চুলায় গরম করে ২ চা চামচ ঘি গরম করুন। ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজকুচি ভেজে বেরেস্তা করুন। কোর্মার ওপর ঘিসহ বেরেস্তা ঢেলে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। খাবার সময় পরিবেশন করুন।

    মোরগ দোপেয়াজা

    উপকরণ:
    মোরগ ১ কেজি, পেঁয়াজ কিউব করে কাটা ২ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুড়া আধ চা চামচ বা তারও কম, মরিচ গুড়া ১ চা চামচ, এলাচি ৪/৫ টি, দারুচিনি ১ ইঞ্চির ৩/৪ টুকরা, আস্ত কাঁচামরিচ ৪/৫ টা, লবণ পরিমাণমতো, তেল হাফ কাপের চেয়ে কম (দুই ধাপে এই তেল ব্যবহার করতে হবে), ৪ টেবিল চামচ টমেটো সস।

    প্রণালী:
    এটি দুই ধাপের রান্না। প্রথম ধাপে মোরগের মাংস ভেজে নিতে হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে রান্না। মোরগ কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। সামান্য হলুদ গুড়া এবং লবণ দিয়ে মেখে কিছুক্ষণের জন্য রেখে দিন। ফ্রাইপ্যানে কিছু তেল গরম করে মোরগের মাংস ভাজতে থাকুন। কিছু সময়ের জন্য ঢাকনা দিতে ভুলবেন না, এতে মাংস নরম হয়ে যাবে এবং মাংস থেকে পানি বের হয়ে যাবে। এবার মূল রান্নায় আসা যাক। ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ সামান্য লবণ দিয়ে ভাজুন। সঙ্গে কয়েকটা কাঁচামরিচ, দারুচিনি এবং এলাচ দিয়ে দিন। আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে দিন। এরপর মরিচ গুড়া এবং হলুদ গুড়া দিয়ে দিন।

    আধকাপ পানি দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তেল উপরে উঠে আসবে। হয়ে গেল ঝোল। ঝোলে আগে ভেজে রাখা মাংস দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে আরো এক কাপ পানি দিন। ঢাকনা দিয়ে মিনিট ১৫ মাঝারি আঁচে রেখে দিন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিতে ভুলবেন না। এবার টমেটো সস দিয়ে দিন এবং মিশিয়ে নিন। ঢাকনা দিয়ে আরো কিছু সময়ের জন্য রাখুন। কয়েকটা আস্ত কাঁচামরিচ দিতে পারেন। ঝোল কমে গেলে আগুন বন্ধ করে কিছু সময়ের জন্য ঢেকে রাখুন। ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত মোরগ দোপেয়াজা। গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে ভালো লাগবে।

    হাঁসের গ্রিল কাবাব

    উপকরণ:
    একটা হাঁস, আধা কাপ পেঁয়াজ বাটা, দুই চামচ আদা বাটা, দুই চামচ রসুন বাটা, ঝাল বুঝে লাল গুড়া মরিচ, এক চামচ হলুদ, গরম মশলা বাটা (চার/পাঁচটে এলাচি, কয়েক টুকরা দারুচিনি, জয়ত্রী, সামান্য জয়ফল), এক চামচ জিরা, দুই চামচ টমেটো সস, ২ চামচ ভিনেগার, এক চামচ চিনি, এক চামচ কাবাব মশলা, পরিমাণমতো লবণ, পরিমাণমতো তেল।

    প্রণালী;
    সব মসলা দিয়ে (তেলসহ) হাঁসটি ভালো করে মেখে নিন। হাঁসের ভেতরে বাইরে যেন ভালো করে মশলা লেগে যায়। এভাবে প্রায় ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। চাইলে কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন। এবার একটা ফ্রাইপ্যানে সামান্য তেল গরম করে হাঁসটিকে হালকা ভেজে নিন। এতে হাঁসের মাংস নরম হবে, স্বাদও বেড়ে যাবে। এখন হাঁসটিকে ইলেকট্রিক ওভেনের ট্রেতে তুলে দিন। রয়ে যাওয়া মশলাগুলো ফ্রাইপ্যানের তেলে দিন এবং সামান্য কষিয়ে হাঁসের উপর বিছিয়ে দিন।

    ২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটে ওভেনের মাঝামাঝি আধাঘণ্টার জন্য দিন। মাঝে মাঝে দেখতে ভুলবেন না। কতোটা পোড়া পোড়া কাবাব বানাবেন সেটা আপনার ওপর নির্ভর করছে। মিনিট বিশেকে না হলে আরো কিছু ক্ষণ রাখতে পারেন। বার দুয়েক খুলে তেল মশলা কাবাবের ওপর দিয়ে দিন।মাংস নরম হল কি না তা দেখে নিন। ছুরি চামচ দিয়ে দেখতে পারেন। ভেতরে না বাইরে আরো আগুনের আঁচ লাগবে তা দেখে নিতে পারেন। যদি ভেতরে আগুনের আঁচের দরকার হয় তবে ট্রে নামিয়ে দিন। আর উপরে লাগলে ট্রে উপরে উঠিয়ে দিন। এতে সঠিক মাত্রায় কাবাবের চারপাশ নরম হয়ে যাবে। ব্যস, হয়ে গেল হাঁসের মাংসের গ্রিল কাবাব।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বিয়ে করাই তার নেশা!

    ২১ জুলাই ২০১৭

    কে এই নারী, তার বাবা কে?

    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757