• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ছোট ছোট কাজই মানুষকে বড় করে

    অনলাইন ডেস্ক | ০৭ মার্চ ২০১৭ | ১০:১১ পূর্বাহ্ণ

    ছোট ছোট কাজই মানুষকে বড় করে

    মার্কিন অভিনয়শিল্পী ভিওলা ডেভিস। ফেনসেস ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য এ বছর তিনি জিতে নিয়েছেন একাডেমি অ্যাওয়ার্ড। ২০১২ সালে টাইম সাময়িকীর করা ‘বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি’ তালিকায়ও ছিল তাঁর নাম। চলুন, জেনে নেই এক পরিশ্রমী অভিনয়শিল্পীর গল্প।


    ” চ্যালেঞ্জ সব সময় ঝুঁকিপূর্ণ, তবে রোমাঞ্চকর! অনেকটা জাহাজের নাবিক হয়ে হাল ধরে পথ পাড়ি দেওয়ার মতো। ঝুঁকি পেরিয়ে সফল হওয়ার অনুভূতিটা হয় দারুণ! আমি যা করতে চাই, সেটা ঠিকঠাকভাবে করতে পারাটাই আমার কাছে চ্যালেঞ্জ। ফেনসেস-এর মতো প্রকল্পগুলো যখন আমার দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, ভীষণ রোমাঞ্চ অনুভব করি। এই ছবির জন্য মাত্র দুই পৃষ্ঠার সংলাপও আমি ২০ বারের বেশি চর্চা করেছি; যেন আমার লক্ষ্যে সফল হতে পারি।
    যে চরিত্র আমাকে চনমনে করে, সেটাই আমার কাছে চ্যালেঞ্জ। নির্মাতা যখন তাঁর গল্পের কোনো একটি চরিত্রে আমাকে দেখতে পান, ভীষণ ভালো লাগে। আরও ভালো লাগে যখন কেউ বলেন, ‘এটা এমন এক চরিত্র, যা তুমি আগে কখনো করোনি।’
    প্রত্যেক অভিনয়শিল্পীই জীবনের শুরুর দিনগুলোতে অনেক বেশি লড়াই করেন। পছন্দের পেশায় টিকে থাকতে হলে এই কষ্টটা করতে হয়। আমার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ব্যতিক্রম ছিল না। এমনও সিনেমা আছে, তিন দিন ধরে কাজ করেছি, পাঁচ দিন ধরে করেছি, সাত দিন ধরে করেছি—কিন্তু ছবির গল্পে আমার চরিত্র তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। তারপরও এসব করে গেছি। কারণ, আমি ভালো কিছুর জন্য ক্ষুধার্ত ছিলাম, মুখিয়ে ছিলাম। এটাই আমার প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল—যেটুকু কাজ করব, সেটুকু দিয়েই সবার নজর কাড়ব। ছোট ছোট কাজই তো মানুষকে বড় করে।
    দ্য হেল্প ও হাউ টু গেট অ্যাওয়ে উইথ মার্ডার—এ দুটো ছবিকে আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট বলব। দেড় শর বেশি অঞ্চলে এ ছবি দুটো প্রদর্শিত হয়েছে। সব ধরনের দর্শক আমাকে দেখেছেন, আমার কাজ দেখেছেন। আর এভাবেই ফেনসেস-এর মতো ছবিতে কাজ করার সুযোগ এসেছে বলে আমি বিশ্বাস করি। হ্যাঁ! সাধনাটা হয়তো ৩০ বছরের। তবে এত দিন পর হলেও আমি সফলতা পাচ্ছি—এটাই বড় কথা।
    আমরা এখন এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যাকে আমি বলব ‘দ্য মোস্ট পারফেক্ট ওয়ার্ল্ড’। আমি যদি আমার দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করতে থাকি, তবে সাফল্য পাবই। বছর দশেক আগে আমার তেমন পরিচিতি ছিল না। এমনকি দ্য হেল্প-এ কাজ না করলে আদৌ আমাকে কেউ চিনতেন কি না সন্দেহ। তবে শুরুতেই সবকিছু পেয়ে গেলে লড়াই করার মজা থাকে না। ধৈর্য ধরে থেকে লড়াই করেছি। ৩০ বছর পরে এসে ফল পাচ্ছি।
    আরেকটা অভ্যাস আমার আছে। সেটা হলো নিজের কাজের খুঁত ধরা। আমি ও আমার স্বামী মিলে অবসর দিনগুলো ব্যয় করি কোথায় আমার কী ভুল হয়েছে তা খুঁজতে। হ্যাঁ, হয়তো অনেক সমালোচক বাইরে আছেন। দর্শকেরাও আছেন। তবে দিন শেষে আমি আমার কাজ নিয়ে কতটুকু খুশি থাকব, সেটা বোঝার জন্য হলেও এই বিবেচনার দরকার আছে। এটা আমাকে সব সময় আরও ভালো কাজ কীভাবে করা যায়, তার জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
    তবু কাজে সাফল্য পাওয়া আমাকে সন্তুষ্টি দেয় না। বরং আরও তৃষ্ণার্ত করে। মাথায় ঘুরতে থাকে—এরপর কী করব? এর পরের চ্যালেঞ্জটা কী হবে? ৩০ বছর ধরে অভিনয় করতে করতে সব সময় একটার পর একটা কাজ করেছি, আর এ প্রশ্নই করেছি। ”


    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    গৃহবধূ থেকে শিল্পপতি

    ২২ এপ্রিল ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669