রবিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২১

ছোট ছোট তরমুজে মলিন কৃষকের মুখ

  |   রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১ | প্রিন্ট  

ছোট ছোট তরমুজে মলিন কৃষকের মুখ

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তরমুজের চাহিদার বেশির ভাগই মেটানো হয় নোয়াখালীর সুবর্ণচরের তরমুজ দিয়ে। কিন্তু বিগত তিন বছর একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তরমুজ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। চলতি বছরে এ তরমুজের ফলনে এসেছে সব চেয়ে বড় বিপর্যয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তরমুজ আবাদে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা।
শুরুর দিকে ভালো ফলনে কৃষকদের মনে বড় আশার আলো জ্বলে উঠলেও শেষের দিকে এসে তা হতাশায় পরিণত হয়েছে। চলতি মৌসুমে অতিরিক্ত খরার কারণে তরমুজের আকার অপেক্ষাকৃত ছোট হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এ অঞ্চলেরর তরমুজ চাষিরা।
শত শত একর জমিতে তরমুজ পচে গেলেও বিক্রি করার মতো পাইকার না পেয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। আর এ সমস্যাকে জলবায়ুর পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব বলছেন কৃষিবিদরা। এখনই খরা সহিষ্ণু তরমুজের বীজ উদ্ভাবন তাগিদ তাদের। সেচ সুবিধা, সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ও কৃষি বিভাগের পর্যাপ্ত সহযোগিতা এবং তদারকি না থাকায় ভালো ফলন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন চাষিরা।
সরেজমিনে সুবর্ণচর উপজেলার চরওয়াপদা, চরবাটা, চরজুবলী, চরজব্বার, চরক্লার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের তরমুজ ক্ষেত ঘুরে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত দেড় শতকের বেশি সময় ধরে রসাল এ ফলটির চাষ করে আসছেন সুবর্ণচরের কৃষকরা। কিন্তু গত ২-৩ বছর ধরে উপজেলায় তরমুজের আকার ছোট হতে শুরু করে। আর চলতি মৌসুমে তা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যেখানে স্বাভাবিকভাবে একটি তরমুজের ওজন ৯-১০ কেজি বা তারও বেশি হতো, বর্তমানে সেখানে একটি জমির বেশির ভাগ তরমুজের ওজন দেড় থেকে দুই কেজির বেশি হচ্ছে না।
এক একর জমিতে তরমুজ চাষে খরচ হয় প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকা। কিন্তু তরমুজের আকার ছোট হওয়ায় এক একর জমিতে যে ফলন হয়েছে তা ১০ হাজার টাকাও বিক্রি করতে পারছে না চাষিরা।ফলে চাষের খরচ তুলতে না ফারায় তরমুজ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে উপজেলার কৃষকরা।


Posted ৫:২৫ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০