• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    জনমিতির সুবিধা নিতে তারুণ্যের ব্যবহার জরুরি: সায়মা হক বিদিশা

    | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ১০:৩১ অপরাহ্ণ

    জনমিতির সুবিধা নিতে তারুণ্যের ব্যবহার জরুরি: সায়মা হক বিদিশা

    বাংলাদেশ জনমিতির যে সুবিধাজনক অবস্থান উপভোগ করছে তা কাজে লাগানোর জন্য তারুণ্যের সঠিক ব্যবহার করা জরুরি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ড. সায়মা হক বিদিশা।


    মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) এবং একশনএইড বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘মহামারি এবং বাংলাদেশের যুব জনগোষ্ঠী: চারটি নির্বাচিত জেলার জরিপের ফলাফল’ শিরোনামের একটি ওয়েবিনারে তিনি একথা বলেন।

    ajkerograbani.com

    সানেমের সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বলেন, তারুণ্যের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। এটা আমরা অনুধাবন করি সার্বিক বেকারত্বের হার অপেক্ষা তরুণ জনগোষ্ঠীর অধিকতর বেকারত্বের হার এবং শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং কর্মক্ষেত্রের বাইরে থাকা তরুণসমাজের উপস্থিতির হার, এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ঝরে পড়া তরুণদের উপস্থিতি থেকে। এর পাশাপাশি তরুণ নারীদের কর্মক্ষেত্রে, উচ্চশিক্ষায় এবং প্রশিক্ষণে লিঙ্গবৈষম্যের পাশাপাশি সহিংসতার শিকার হচ্ছেন যা অধিকতর আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

    জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক এবং সানেমের রিসার্চ ইকোনমিস্ট মাহতাব উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর ওপর করোনা মহামারির প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পেতে সানেম এবং একশনএইড বাংলাদেশের চারটি জেলা-বরগুনা, সাতক্ষীরা, রাজশাহী এবং কুড়িগ্রামের ১৫৪১ টি খানার ওপর ২০২০ সালের ডিসেম্বরের ১৩ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে একটি জরিপ পরিচালনা করেছে। এই জরিপে তরুণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনি ইত্যাদির ওপর করোনা মহামারির প্রভাব নিরুপণের চেষ্টা করা হয়েছে। একইসাথে এই জরিপে তরুণদের মধ্যে নাগরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের প্রবণতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সচেতনতার মাত্রাও বুঝতে চাওয়া হয়েছে। জরিপে জেন্ডার বিষয়ক বিভিন্ন ইস্যু যেমন নারীর প্রতি সহিংসতা, নারীর কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন এবং বিভিন্ন সেবা প্রাপ্তিতে নারীর অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হয়েছে। জরিপে ইনুমেরটর হিসেবে কাজ করেছেন চারটি জেলার চারটি যুব সংগঠনের সদস্যগণ। জরিপে ১৫-৩৫ বছর বয়সীদের যুব জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    জরিপে দেখা গিয়েছে ২০১৯ সালের নভেম্বরের তুলনায় ২০২০ সালের নভেম্বরে জরিপকৃত চারটি জেলায় মজুরি বা বেতনভুক্তদের কর্মচারি বা কর্মকর্তাদের মধ্যে ৭০ শতাংশের আয় কমেছে, ২৮ শতাংশের আয় অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ২ শতাংশের আয় বেড়েছে। স্বকর্মসংস্থানে নিয়োজিত মধ্যে এই সময়কালে লাভ কমেছে ৮২ শতাংশের, অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫ শতাংশের এবং বেড়েছে ৩ শতাংশের। স্বকর্মসংস্থানে নিয়োজিত এই চারটি জেলায় করোনার সময়ে ব্যবসা বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হয়েছে ৩১ শতাংশের।

    করোনার সময়ে অনলাইন ক্লাসের সুযোগ পাননি এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কুড়িগ্রামে ৬২ শতাংশ, সাতক্ষীরাতে ৫৬ শতাংশ, রাজশাহীতে ৩৯ শতাংশ এবং বরগুনায় ৪৬ শতাংশ। গড়ে এই চারটি জেলার ৫১ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের সুযোগ পান নি। এই চারটি জেলার ৫০ শতাংশ ছেলে শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের সুযোগ পান নি, অপরদিকে ৫৬ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের সুযোগ পাননি। করোনাকালীন সময়ে এই চারটি জেলার ৫২ শতাংশ ছেলে শিক্ষার্থীর কোন ডিজিটাল ডিভাইস ছিল না, অপরদিকে ৬৫ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থীর কোন ডিজিটাল ডিভাইস ছিল না। গড়ে এই চারটি জেলার ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর কোন ডিজিটাল ডিভাইস ছিল না।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হলে নিয়মিত পড়াশুনায় ফিরবেন না অথবা এ বিষয়ে অনিশ্চয়তা আছে এমন মত দিয়েছেন এই চারটি জেলার ৩.৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী। ছেলে শিক্ষার্থীর মধ্যে এই হার ৩.৫২ শতাংশ এবং মেয়ে শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪.০৩ শতাংশ। গ্রামে এই হার ৪.৪১ শতাংশ এবং শহরে ১.৬৫ শতাংশ।

    এই চারটি জেলার লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার চিত্র বোঝার ক্ষেত্রে জরিপকৃত খানাগুলির ১৫-৩৫ বছর বয়সী ১২৭০ জন নারীকে প্রশ্ন করা হয়। জরিপের ৮৫ শতাংশ উত্তরদাতা গ্রামের এবং ১৫ শতাংশ শহরের। জরিপে অংশগ্রহণ করা ১৯ শতাংশ অবিবাহিত এবং ৮১ শতাংশ বিবাহিত। বিবাহিত নারীদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ জানিয়েছেন তাদের স্বামীদের দ্বারা কোন ধরনের শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। কুড়িগ্রামে এই হার ৪১ শতাংশ, সাতক্ষীরাতে ২২ শতাংশ, রাজশাহীতে ২৮ শতাংশ এবং বরগুনায় ৫৫ শতাংশ। স্বামী ব্যতীত অন্য কারো মাধ্যমে শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন বিবাহিত নারীদের মধ্যে ৩০ শতাংশ, অবিবাহিত নারীদের মধ্যে ২৮ শতাংশ। কোন ধরনের সহিংসতার শিকার হওয়ার পরে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন ৫ শতাংশ নারী। আইনগত পদক্ষেপ না নেওয়ার পিছনে ৬৫ শতাংশ জানিয়েছেন তারা প্রয়োজন মনে করেন নি, লজ্জা বা ভয়কে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ৩২ শতাংশ, পরিবারের সদস্যদের ভয়কে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন ১৯ শতাংশ, আর্থিক সক্ষমতার অভাবকে চিহ্নিত করেছেন ১৩ শতাংশ, আইনের প্রতি আস্থার অভাবকে চিহ্নিত করেছেন ১২ শতাংশ নারী, উল্লেখ্য জরিপের সময় উত্তরদাতাগণ এই বিষয়ে একাধিক কারণ জানানোর সুযোগ পেয়েছেন।

    গণপরিবহনে যাতায়াত করতে নিরাপদ বোধ করেন কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে ৪০ শতাংশ নারী জানিয়েছেন তারা নিরাপদ বোধ করেন। জরিপে ৬৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন তাদের ব্যাংক একাউন্ট বা মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট রয়েছে। জরিপকৃত ১৪ শতাংশ নারী জানিয়েছেন তারা ফেসবুক বা ইউটিউব ব্যবহার করতে পারেন। পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা আছে ৬৫ শতাংশ নারীর, বিবাহিতদের মধ্যে এই হার ৬৭ শতাংশ এবং অবিবাহিতদের মধ্যে ৫৪ শতাংশ।

    জরিপে দেখা গিয়েছে যে স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুবদের অংশগ্রহণের হার ৭.৬২ শতাংশ। কুড়িগ্রামে এ হার ৪.৬৭ শতাংশ, সাতক্ষীরায় ৬.৫৮ শতাংশ, রাজশাহীতে ১৩.৪৫ শতাংশ এবং বরগুনায় ৬.৩১ শতাংশ। অরাজনৈতিক সংগঠনে যুবদের অংশগ্রহণের হার ৬.৪ শতাংশ এবং রাজনৈতিক সংগঠনে ৩.৬ শতাংশ।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ বলেন, আলোচনার অংশ হিসেবে যে চারটি জেলার তথ্য উঠে এসেছে, তার দারিদ্রের হার এবং ২০১৬ সালের জাতীয় খানা আয়-ব্যয়ের জরিপের দারিদ্রের হারের পার্থক্য পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে কোভিডের প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করা সম্ভব। অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্টতার ধরনের পরিবর্তন সংক্রান্ত যে তথ্য উঠে এসেছে তার কতটুকু কোভিডের প্রভাব তাও নির্ণয় করা জরুরী। উল্লেখ্য, শিক্ষাখাতে প্রণোদনার অভাব কোভিডের নেতিবাচক প্রভাবকে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয় নি।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সানজিদা আখতার বলেন, জরিপের ফলাফলে দূরশিক্ষন প্রক্রিয়ায় যে লিঙ্গবৈষম্য বিদ্যমান তা কাঠামোগত সমস্যা হবার সম্ভাবনা রয়েছে, যেমন ডিভাইসের অভাবে স্কুলের পরিবর্তে অনানুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা গ্রহণের জন্য অন্য কোন স্থানে মেয়ে সন্তান পাঠাতে অভিভাবকরা স্বাচ্ছন্দ্যের অভাব বোধ করেন, যা সুনামগঞ্জে করা একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, আবার হয়ত ছেলে সন্তানরা যেহেতু অপেক্ষাকৃত তরুণ বয়সেই কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হয়ে পড়ে, তাদের ডিভাইস ক্রয়ের সক্ষমতাও অধিক হতে পারে। এভাবে গবেষণায় উঠে আসা তথ্যের গভীরতর পর্যালোচনা জরুরি। অতিমারির নেতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি আন্তঃখানা সম্পর্কে ইতিবাচক কোন প্রভাব পড়েছে কিনা সেটাও গবেষণার দাবি রাখে।

    সুইসকনট্যাক্ট’র টিম লিডার নাদিয়া আফরিন শামস বলেন, আলোচনায় শ্রমবাজার এবং শিক্ষার পাশাপাশি প্রশিক্ষণে কোভিডের প্রভাবের অন্তর্ভূক্তিকরন গুরুত্বের দাবি রাখে। উন্নয়নখাতের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করে তিনি জানান, সিলেটে কোভিড পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় তরুণ নারীদের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারন হতে পারে খানাসমূহের কোভিড পরবর্তী অর্থনৈতিক দুরবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান বিরতি অথবা অন্যান্য কোন কারন। অন্যদিকে সার্বিকভাবে যারা কোভিড পূর্ববর্তী সময়ে প্রশিক্ষণের জন্য প্রস্তুত ছিলেন, তাদের মধ্যে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য।

    ব্র্যাকের প্রতিনিধি ফারাহ দিবা হক বলেন, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়া নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাল্যবিবাহের যে উচ্চহার তার সমাধানে নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরী। মানসিক স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ বিপর্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে তরুণদের সচেতনতার উপস্থিতি আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক, কিন্তু এই সচেতনতা কিভাবে আমরা সামাজিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে পারি সেসম্পর্কে গঠনমূলক পদক্ষেপ প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এই বিষয়গুলোকে শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

    যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব দিলরুবা শারমীন বলেন, কোভিড পরবর্তী সময়ে আর্থসামাজিক অবকাঠামোতে যে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে তার প্রতি আলোকপাত করেন। প্রান্তিক পর্যায়ে গৃহীত কয়েকটি পরীক্ষামূলক প্রকল্পের বিবরণ দিয়ে তিনি তরুণ নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার মাধ্যমে সহিংসতার পরিমান কমিয়ে আনার যে সম্ভাব্যতা, তা নিয়ে অধিকতর গবেষণার আহ্বান জানান।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান, অনানুষ্ঠানিক খাতে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কর্মরত শ্রমশক্তির মধ্যে নারী এবং তরুণরাই প্রধান এবং এইখাত গুলোই কোভিডের নেতিবাচক প্রভাব সর্বাপেক্ষা অনুভব করেছে জানিয়ে ড. রায়হান কোভিড পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের উপর পুনরায় গুরুত্বারোপ করেন এবং লেবার অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট কমিশন গঠনে আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি মনে করেন, গতানুগতিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর মাধ্যমে করোনাকালীন অভিঘাত মোকাবেলা সম্ভব নয় এবং এর ব্যাপ্তি বাড়ানো প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উপস্থিত প্রাতিষ্ঠানিক দূর্বলতা কাটিয়ে ওঠার কোন বিকল্প নেই বলে তিনি মত ব্যক্ত করেন।

    দক্ষতা, জীবিকা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে নারী ও তরুণ কেন্দ্রিক কর্মসূচির অভাবের প্রতি আলোকপাত করেন একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির। তিনি এক্ষেত্রে পরবর্তীতে আরও কাজ করার এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের অধিকতর সংযুক্ত করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তিনি কোভিড পরবর্তী বিশ্বে তরুণদের সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষেত্রে অধিকতর সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে কাঙ্খিত পরিবর্তনকে বাস্তবে রূপদানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755