বৃহস্পতিবার ৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ডিএনসিসির ৬ নং ওয়ার্ডে এগিয়ে রাহাদুল ইসলাম রিপন

হুমায়ুন কবির.   |   বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০ | প্রিন্ট  

ডিএনসিসির ৬ নং ওয়ার্ডে এগিয়ে রাহাদুল ইসলাম রিপন

রাহাদুল ইসলাম (রিপন) ৬ নং ওয়ার্ডে ৪২ বছর বসবাস করেন। স্কুল জীবন শুরু হয় মিরপুর বাংলা স্কুল থেকে। স্মার্ট,উচ্চ শিক্ষিত রাহাদুল ইসলাম (রিপন মিয়া) ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রী, সফটওয়ার ইন্জিনিয়ার,লেখক, কবি, গীতিকার, বাংলা অগ্নিশীখা সফটওয়ারের প্রবর্তক, আন্তর্জাতিক সম্মাননা পদক প্রাপ্ত, কমনওয়েল্থ বিজনেস ফোরামের মেম্বার, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের মেম্বার, ওআইবি ব্রিকস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক,সামাজিক ও রাজনেতিক ব্যক্তিত্ব এবং সুনামধন্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ি।
সুখ -দু:খে আমরা রিপন কে কাছে পাই। নির্বাচিত প্রতিনিধি না হয়েও সে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ায়। সৎ, যোগ্য ও আদর্শবান নেতা হিসেবে তার বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে তাকে ভোট দিয়ে জয়ী করলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তার মধ্যে কোন হিংসা নেই। আগামি সিটি নির্বাচনে আমরা রিপনকে রেডিও প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে চাই। গতকাল রুপনগর টিনসেড এলাকায় একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন মুরব্বিকে এভাবে কথা বলতে দেখা যায়।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাহাদুল ইসলাম রিপন রেডিও প্রতীক নিয়ে কাউন্সিলর হিসেবে প্রতিদন্দিতা করছেন। শিক্ষা,সততা, প্রজ্ঞা, নৈতিকতা ও আদর্শ দিয়ে এলাকার সাধারণ জনগনের আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন তিনি। আপরদিকে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ, অনৈতিক কাজ নির্মূলে কঠোর অবস্থান তার।
রাহাদুল ইসলাম রিপন ৬ নং ওয়ার্ডবাসির আশা-আকাঙ্খা,স্বপ্ন ও উন্নত নাগরিক সুবিধা নিশ্চিৎ করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে ওয়ার্ডটিকে একটি আধুনিক মডেল ওয়ার্ডে পরিনত করতে চান। ইস্টর্ন হাউজিং এলাকার একাধিক ভোটার বলেন রিপন দুর্নীতিমুক্ত একজন মানুষ, আগামি নির্বাচনে কাউন্সিলর হিসেবে আমরা তাকে বেঁছে নিতে চাই। এছাড়া আরামবাগ, মিল্কভিটা,আলাদ্দি,ছয় ও সাত সেক্টর এলাকার ভোটারদের মধ্যেও রিপনকে নিয়ে আলোচনা করতে দেখা য়ায়। সিটি নির্বাচনে ছয় নম্বর ওয়ার্ডে রাহাদুল ইসলাম রিপন এখন টক অব দি ওয়ার্ডে পরিনত হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬ নং ওয়ার্ডটি রুপনগর থানার ছয়, সাত, রুপনগর টিনসেড,আরিফাবাদ, আরামবাগ,পল্লবি, বর্ধিতপল্লবি,আলোদ্দি,ইস্টার্ন হাউজিং ও সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত। ওয়ার্ডটিতে প্রায় সাড়ে চার লাখ লোকের বসবাস মোট ভোটার ১লক্ষ বিশ হাজার ১০৮ জন। আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থিত ব্যতিত উভয় দলের একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। রুপনগর থানা আওয়ামী লীগের তাইজুল ইসলাম বাপ্পি ঝুড়ি প্রতীক ও রুপনগর থানা যুবলীগের রবিন টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন। এদের সাথে সমান তালে পাল্লা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রর্থী রাহাদুল ইসলাম রিপন রেডিও প্রতীক নিয়ে পুরো ওয়ার্ড চষে বেড়াচ্ছেন। বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী মাহফুজ হোসেন সুমনসহ অন্যান্য প্রার্থীদের প্রচার দৃশ্যমান নয়। লক্ষণীয় বিষয় বিএনপির ৯৫% জনগণের সমর্থন রিপন মিয়ার পক্ষে তা ছাড়াও প্রগতিশীল আওয়ামীলীগের একটি অংশ রিপন মিয়া সমর্থন পাচ্ছেন। অবাধ,সুষ্ঠও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তাইজলু ইসলাম বাপ্পি ও রাহাদুল ইসলাম রিপনের মধ্যে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা।
সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় ঢাকা উত্তর সিটির এ ওয়ার্ডটির কিছু কিছু জায়গায় উন্নয়ন কাজ হলেও ইস্টার্ন হাউজিং,রুপনগর এলাকায় তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাগুলোর বেহাল দশা, একটু বৃষ্টিতেই রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। রয়েছে ব্যাপক মশার উৎপাত ও বিচ্ছিন্ন ভাবে মাদকের বিস্তার। ওয়ার্ডটিতে সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত কোন কাঁচা বাজার নেই। নেই কোন খেলার মাঠ। রাস্তায় ভ্যানে করে কাঁচা সবজি বিক্রি করেন ভ্রাম্যমান হকাররা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী রাহাদুল ইসলাম রিপন বলেন বিপদে জনগনের পাশে থেকে সেবার উদ্দেশ্য নিয়ে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নয় বরং স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে আমি এই নির্বাচনে অংশগ্রহন করি। বিগত দিনে আমি সবসময় জনগনের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সাধারন জনগণ আমার মূল শক্তি। এলাকায় মাদকের বিস্তার সম্পর্কে বলেন মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়,তবে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। মাদকের বিষয়ে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স থাকবে।
৩০ বছর রাজপথের রাজনীতি করেছি, জনগণের পাশে থেকে সেবার উদ্দেশ্য।আমার অঙ্গিকার হবে দুটি ধাপে –
প্রথম ধাপে প্রাধান্য হবে (১) সামাজিক ন্যায় বিচার (২) মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করা (৩) রাস্তাঘাট নির্মাণ (বিশেষ করে মোহাম্মাদি হাউজিং) (৪) ১২০ দিনের মহাকর্ম পরিকল্পনা (৫) ভূমিহীন ছিন্নমূলদের আবাসন (৬)পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (৭) হেল্প লাইন ডেস্ক ও নিজস্ব ওয়েব সাইট (৮) মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন।
দ্বিতীয় ধাপে (৯) বর্জ্য ব্যবস্হাপনা (১০) জলাবদ্ধতা নিরসন (১১)পানির সংকট নিরসন ও পানির পাম্প প্রতিস্হাপন (১২) স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষার আলো বস্তিবাসিদের ঘরে ঘরে পৌছে দেয়া (১৩)বস্তিবাসিদের পূনর্বাসন (১৪) দূঃস্হ ও বেকারদের কর্মসংস্হান সৃষ্টি (১৫) বিনামূল্যে সকল সনদ প্রদান (১৬) বাজেট প্রনয়ণ ও বাস্তবায়নের তথ্য প্রকাশ। তিনি স্মার্ট সিটির স্মার্ট ওয়ার্ড

Facebook Comments Box


Posted ১০:০১ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১