মঙ্গলবার, জুলাই ৬, ২০২১

ঢাবিতে অনুমতি ছাড়াই মোবাইল কোর্ট, অধ্যাপকসহ ৩ জনকে জরিমানা

ডেস্ক রিপোর্ট   |   মঙ্গলবার, ০৬ জুলাই ২০২১ | প্রিন্ট  

ঢাবিতে অনুমতি ছাড়াই মোবাইল কোর্ট, অধ্যাপকসহ ৩ জনকে জরিমানা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ক্যাম্পাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশানের এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় একজন অধ্যাপকসহ তিনজনকে জরিমানা করেন তিনি।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নাম মেরীনা নাজনীন। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান আসাদ উপস্থিত ছিলেন।


সোমবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আইএমএল) সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যাম্পাসে অভিযান চালানোয় ক্ষুব্ধ হন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

জরিমানাকৃত ওই তিনজনের নাম তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, রাত ৮টার দিকে ওই ম্যাজিস্ট্রেট ক্যাম্পাসে আইএমএলের সামনে আসেন। এ সময় আইএমএলের সামনে যারা ছিলেন তাদের জরিমানা করেন তিনি। যাদের জরিমানা করা হয় তাদের সঙ্গে ওই ম্যাজিস্ট্রেটের বাকবিতাণ্ডা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করায় ক্ষুব্ধ হন তারা।


ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কয়েকজন সাবেক ও কেন্দ্রীয় নেতা। তারা বলেন, ক্যাম্পাসে এসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। অনুমতি ছাড়া কেন আসলেন এই প্রশ্ন করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট জবাব না দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেরীনা নাজনীন বলেন, ‘আজকে সারাদিন আমরা শাহবাগ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি। পরে শাহবাগ থেকে ফেরার পথে ক্যাম্পাস এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি কয়েকজন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। তারা মাস্কও পরেননি। তখন কারণ জিজ্ঞেস করতে গেলে তারা আমার সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করেন। মাস্কা না পড়ার কারণে দুইজনকে ২০০ টাকা করে ও একজনকে ৫০০ টাকা জরিমানা করি।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কেবিনেট থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর এসবকিছু কেবিনেটের আন্ডারে। তাছাড়া, আমি যেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা না। সেটি রাস্তার মধ্যে এবং এই রাস্তাগুলো সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, মোবাইল কোর্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ম্যাজিস্ট্রেট যা করেছেন তা সঠিক কাজ। এখন ইমার্জেন্সি সময় চলছে, এ সময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ক্যাম্পাসে অবস্থান করা আইনবহির্ভূত। এই বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকে তিনি স্বাগত জানান।

Posted ৬:১৮ পিএম | মঙ্গলবার, ০৬ জুলাই ২০২১

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement