সোমবার ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ঢাবি’র ছাত্রী ধর্ষক হায়নাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন : বাংলাদেশ ন্যাপ

ডেস্ক   |   সোমবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২০ | প্রিন্ট  

ঢাবি’র ছাত্রী ধর্ষক হায়নাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন : বাংলাদেশ ন্যাপ

রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকার রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এই ধর্ষক হায়নাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
সোমবার (৬ জানুয়ারী) গণমাধ্যমে প্রেররিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এ দাবী জানান।
তারা বলেন, ধর্ষণ এখন নিত্যদিনের খবর হয়ে দাড়িয়েছে। এটা এখন মহামারীর আকার ধারন করায় প্রায় প্রতিদিন আর কোন সংবাদের নিশ্চয়তা না থাকলেও লোমহর্ষক ধর্ষণের খবর নিশ্চিত পাওয়া যায়। কোন অপরাধ তখনই মহামারী আকার ধারন করে যখন অপরাধীরা বুঝতে পারে যে, যেকোন উপায়ে তারা পার পেয়ে যাবে। দু:খজনক বিষয়, এই পৈশাচিকতা থেকে কেউই রেহাই পাচ্ছে না। দুই বছরের কন্যা শিশু থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী কেউই আজ আর নিরাপদ নয়। মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে পিতার কাছে নিজের ঔরসজাত সন্তান পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। অনেক মাদ্রাসায় আবার ছেলে শিশু বলাৎকার হচ্ছে। মনে হচ্ছে, কি এক বিকারগ্রস্থতা গ্রাস করে ফেলেছে দেশের সকল জনপদকে। ধর্ষকদের তালিকায় কে নেই? মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, শিল্পী,আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, লেখক, সাহিত্যিক, মুদি দোকানদার, বাস ড্রাইভার, হেল্পার, শ্রমিক,আপন পিতা, নিকট আত্মীয় কেউ বাদ নেই। চারদিকে শুধুই ধর্ষক, কাউকেই যেন বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। এমন অনিরাপদ বাংলাদেশ কে দেখেছে কবে?
নেতৃদ্বয় বলেন, এমন এক সমাজে বাস করছি যে সমাজে এখন আর ধর্ষণকে ক্ষমাহীন অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয় না, লজ্জার কথা বলা তো হাস্যকর। কুলাঙ্গার, বেজন্মারা আগে যা করত লোকচক্ষুর আড়ালে, রাতের অন্ধকারে, এখন তা ফ্লিমি কায়দায় গৌরবের সাথে প্রকাশ্যে দিনের আলোয় লোকচক্ষুর সামনে সংঘটিত করছে। কোন কোন জারজ আবার ভিডিও করে রেখে তা সোস্যাল মিডিয়ায় ছডিয়ে দিচ্ছে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে, যেন বোঝাতে চাচ্ছে দেখ আমার কুকর্ম, দেখ কেউই আমার কিছু করতে পারবে না।
তারা আরো বলেন, যখন একটি জনপদে বা দেশে মহামারী আকারে কোন কিছু আবর্তিত হয় তখন তা রোধে ও তার পরিত্রাণের জন্য দরকার যথাপোযুক্ত ভ্যাকসিন।আর এক্ষেত্রে যথাপোযুক্ত ভ্যাকসিনের নাম হচ্ছে উপযুক্ত শাস্তি, আইনের যথাপোযুক্ত প্রয়োগ। বিচারের দীর্ঘসূত্রীতা নামে এক ভয়াবহ অসুখ জেঁকে বসেছে আমাদের বিচার ব্যবস্তায়। ধর্ষিতার শারীরিক পরীক্ষার কৌশল নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট বিতর্ক। তারপরও ধর্ষণ রোধে দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখন সমায়ের দাবী। এই ব্যাধিতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার আগেই প্রতিটি ঘর দুর্গ হোক। আমরাও যেন বর্ম হই। তীব্র সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি। আমাদের কন্যারা বীরদর্পে ঘুরে বেড়াক জীবনের অলিগলি।

Facebook Comments Box


Posted ২:৫৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২০

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১