• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে এমপি হিসেবে দেখতে চান চুয়াডাঙ্গাবাসী

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ আগস্ট ২০১৭ | ৩:০৪ অপরাহ্ণ

    দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে এমপি হিসেবে দেখতে চান চুয়াডাঙ্গাবাসী

    চুয়াডাঙ্গা-১ (চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা) আসনে সঠিক নেতৃত্বের অভাবে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল ও এর সহযোগী সংগঠনে চলছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও কোন্দল। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসা আওয়ামী লীগ বিরোধী বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে শোষণ, বঞ্ছনা আর নিপীড়ন ছিল মানুষের নিত্যসঙ্গী। নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বর্তমান সরকার দলীয় মনোনীত প্রার্থী নির্বাচিত হলেও তৃণমূলের দলীয় নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে রয়েছে ব্যর্থতার গ্লানি। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে দেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে, তখনো চুয়াডাঙ্গায় উন্নয়নের ছোঁয়া না লাগায় নেতাকর্মীরা হতাশ। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। আর ভোটাররাও ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব নতুন প্রার্থীর সন্ধানে খোঁজখবর নিচ্ছেন। ঠিক তখনই কৃষি ও শিল্পনির্ভর এলাকা চুয়াডাঙ্গার সর্বস্তরের মানুষ চাচ্ছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চুয়াডাঙ্গারই কৃতী সন্তান, সেরা করদাতা ও সফল ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে।
    আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও আভাস পাওয়া গেছে, প্রাথমিক জরিপে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতায় এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীর তালিকায় চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের জয় নিশ্চিত করতে তাকে মনোনয়ন দেয়ার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।
    গুলশানে নিজ ব্যবসায়িক কার্যালয়ে স্বনামধন্য ব্যবসায়ী নেতা ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার দিলীপ কুমার আগরওয়ালা একান্ত আলাপচারিতায় এ প্রতিবেদককে বলেন, নতুন নেতৃত্বে এলাকাবাসীর অনুরোধে উন্নয়নের স্বার্থে চুয়াডাঙ্গা-১ (চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা) আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে আমার আপত্তি নেই। আমি চাই চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্য ফিরে আসুক। কোন্দল আর হানাহানি সমাপ্তি চাই। চাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গার ব্যাপক উন্নয়ন। বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তবে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমি শতভাগ আশাবাদী আমি ব্যবসায়ে যেমন সফল হয়েছি সুযোগ পেলে রাজনীতিতেও তেমনি সফল হব। ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষেত্রেই রাজনীতিতেও সফল। তার জ্বলন্ত উদাহরণ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র আনিসুল হক তিনিও একটা সময় এফবিসিসিআই’র সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
    জর্জরিত শিক্ষাব্যবস্থায় ডিজিটাল ছোঁয়া লাগানোর পাশাপাশি শিক্ষার মান উন্নয়ন। আইটি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা। আলমডাঙ্গা উপজেলায় কুমারী ভেটেরিনারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে ১৫ জেলার শিক্ষার্থী অংশ নেন। আজও কেউ প্রস্তাব
    না করলেও পূর্ণাঙ্গ ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক ফ্যান নেই, নেই মিড ডে মিল এর ব্যবস্থা। জরাজীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়নে কারো নজর নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে মিড ডে মিল ব্যবস্থাসহ শিক্ষার উন্নয়নে কিছু কাজ করেছি। স্বাস্থ্য শিক্ষায় একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য হলেও সেদিকে কারো খেয়াল নেই। হাসপাতাল ও ক্লিনিকসহ স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন দরকার। সংবিধানে শিক্ষা, চিকিৎসা ও খাদ্য নিশ্চিয়তা প্রদানে মৌলিক অধিকার থেকে এলাকাবাসী বঞ্চিত হোক তা কখনো চাই না।
    চুয়াডাঙ্গায় পর পর তিনবার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে সরকারের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নতুন কলকারখানা স্থাপন করা দরকার। বিশেষ করে বিশ্বের বৃহৎ দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানি চিনিকলটিতে উৎপাদন ঠিকভাবে না হওয়ায় মাড়াই মৌসুমের আগেই বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থার অবসান হওয়া উচিত। তিনি বলেন, সঠিক নেতৃত্বের অভাবে জীবননগর উপজেলার দৌলতগঞ্জ-ভারতের মধ্যকার স্থলবন্দর হচ্ছে না। চলাচলের অনুপযোগী ও ভাঙা রাস্তা সংস্কার হচ্ছে না। সড়কগুলো সংস্কার জরুরি। রেলপথেরও অবস্থাও তেমন ভালো নেই। অথচ দর্শনায় রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত যাওয়ার আর্ন্তজাতিক রেলস্টেশন ও রেলইয়ার্ড। ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ থাকায় সেখানে একটি রেলওয়ে বন্দর হতে পারে। জয়নগরে একটি চেকপোস্ট থাকলেও ব্যাংক না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।
    সফল এই উদ্যোক্তা জানান, কৃষিনির্ভর এ এলাকার উন্নয়নে কারো দৃষ্টি নেই। কৃষিপণ্য এলাকার চাহিদা পূরণ করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা বিশ্বে কিভাবে বিপণন করা যায়, তার উদ্যোগ পর্যন্ত নেই। কৃষিসহ সব ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে উন্নয়ন চান এলাকার মানুষ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, ব্যবসা, কৃষিসহ প্রতিটি সেক্টরে বিশেষ করে নারীদের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাসহ সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। এ জন্য প্রয়োজন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ ও এলাকাবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন।
    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, তরুণ উদ্যোক্তা দিলীপ কুমার আগরওয়ালা শুধু ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশে সাফল্য অর্জন করেননি, তিনি এলাকার উন্নয়নে প্রতিটি মহল্লা ও গ্রামের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন। সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখছেন। জেলা, উপজেলা ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শিক্ষাসহ সার্বিক উন্নয়নের নৌকা বেয়ে চলেছেন। অবহেলিত ও বঞ্ছিত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখাতে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছেন। আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তির ছোঁয়া সংবাদকর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নির্মাণেও সহযোগিতা করছেন তিনি। গণমাধ্যম বান্ধব এই মানুষটির নামেই তৈরি হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নির্মাণাধীন অডিটোরিয়াম। রাজনীতিতে ও জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় সুবাতাস শহরে-গ্রামে ছড়িয়ে পড়ার আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠছে মানুষের মন। এলাকাবাসীর দাবি, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব যাতে জনপ্রিয় এই তরুণ নেতাকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দিয়ে অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া চুয়াডাঙ্গার উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ দেন।
    এলাকাবাসী জানান, চুয়াডাঙ্গার উন্নয়নে স্থানীয় এমপির ভূমিকা তেমন নেই বললেও চলে। শতাধিক দেশে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ছুটে বেড়ালেও মুনাফার আশায় শুধু নয়, জনসেবা ব্রত কাজে লাগানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। শুধু মুনাফা নয়, সমাজ, দেশ ও গোটা বিশ্বের কল্যাণের জন্য ব্যবসাকে কাজে লাগাতে চান। এই মূলমন্ত্রে তার পিতামহের নামে গড়ে তোলেন দোয়ারকা দাস আগরওয়ালা মহিলা কলেজ। কলেজের শিক্ষার্থীদের বেতন নিয়মিতভাবে পরিশোধ করছেন নিজস্ব তহবিল থেকে। পিছিয়ে পরা শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে নিজ নামে তৈরী করে দিয়েছেন বিজ্ঞান ভবন।
    দিলীপ কুমার আগরওয়ালা তার সামাজিক কর্মকাণ্ডকে স্থায়ী রূপ দিতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘তারা দেবী ফাউন্ডেশন।’ এ প্রতিষ্ঠান থেকে গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, নবজাতককে দেয়া হয় ফ্রি চিকিৎসা। ২৪ ঘণ্টা ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। শিক্ষাবৃত্তি, অতি দরিদ্র এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য মিড ডে মিলও প্রদান করা হয়। বিতরণ করা হচ্ছে শিক্ষা উপকরণ। মানবসম্পদ উন্নয়নে গ্রহ]ণ করছেন বিভিন্ন বাস্তবমূখী কার্যক্রম। পরিকল্পনা করছেন চুয়াডাঙ্গায় একটি আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বৃদ্ধাশ্রম স্থাপনের। জনকল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি তিনি মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন।
    দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ১৯৬৮ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলার এক সম্ভান্ত ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা অমিয় কুমার আগরওয়ালা তৎকালীন সময়ে জার্মানির কোলন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করে দেশে ফিরে এসে বাবার ব্যবসার হাল ধরেন, তিনিও ছিলেন চুয়াডাঙ্গার একজন সফল ব্যবসায়ী। অমিয় কুমার আগরওয়ালার তিন সন্তান দিলীপ কুমার আগরওয়ালা, পিন্টু কুমার আগরওয়ালা ও রাজেশ কুমার আগরওয়ালা। পিন্টু কুমার আগরওয়ালা মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করে নিজস্ব ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন। ছোট ভাই ডা. রাজেশ কুমার আগরওয়ালা কিডনি বিশেষজ্ঞ, আমেরিকার মিয়ামিতে তিনি প্রাইভেট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।
    তিন পুরুষের শিক্ষা ও ব্যবসায়িক ঐতিহ্যপূর্ণ পারিবারিক আবহাওয়ার কারণে শৈশব থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি ব্যবসায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালার আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়। চুয়াডাঙ্গায় প্রথম শুরু করেন কন্ট্রাকটরি ও ট্রেডিং ব্যবসায়- যা আজ সারাদেশে বিস্তৃত। পাশাপাশি খেলাধুলা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিও আগ্রহী হয়ে ওঠেন তিনি। তারুণ্যের এক স্বর্ণকালেই তার মধ্যে পরিলক্ষিত হয় ব্যবসায় ও নেতৃত্বের আকাক্সক্ষা। চুয়াডাঙ্গা জেলার ব্যবসায়িক সংগঠনসহ বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংগঠনগুলোতেও তিনি সক্রিয় হন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা ইউনিট ও চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের আজীবন সম্মাননা লাভ করেন। চুয়াডাঙ্গার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তার পরিবারের যেমন সুনাম আছে, ঠিক তেমনি ব্যক্তিগতভাবেও দানবীর হিসেবে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। তার বিচক্ষণ নেতৃত্বে সাফল্য ধরা দেয় হাতের মুঠোয়। ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের প্রিয়পাত্রে পরিণত হন, নির্বাচিত হন চুয়াডাঙ্গা চেম্বারের পরিচালক। ব্যবসা উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে চুয়াডাঙ্গা চেম্বারকে আধুনিকায়নে নিজস্ব অর্থায়নে করছেন ভবনের সার্বিক উন্নয়নের সংস্কার কাজ। সেই সঙ্গে লাভ করেন চুয়াডাঙ্গা শিল্পকলা একাডেমি, সাহিত্য পরিষদ, রুবি কল্যাণ সমিতি, দৈনিক মাথাভাঙ্গা, সময়ের সমীকরণের উপদেষ্টা ও আজীবন সদস্য পদ। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
    শুরু করেন সিনেমা ব্যবসা, পান্না মুভিজের ব্যানারে বেশ কিছু ব্যবসা সফল সিনেমা নির্মাণ করেন। পাশাপাশি পান্না জুয়েলার্স নামে প্রথম আমদানিকৃত ডায়মন্ড জুয়েলারির ব্যবসা শুরু করেন। একই সময় পরিচালনা করেন এ্যাগ্রো বিজনেস ও পরিবহন ব্যবসা। পান্না সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা করেন কুষ্টিয়া জেলার হরিনারায়ণপুরে। ভেড়ামাড়ায় প্রতিষ্ঠা করেন সজনী সিনেমা হল। যুক্ত হতে থাকেন ব্যবসায় সংগঠনগুলোতেও। চুয়াডাঙ্গা জেলা সমিতির একজন সম্মানিত সদস্য হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন ঢাকায় পা দেয়ার সময় থেকেই। বাংলাদেশ মেইজ অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে তিনি লাভ করেন এফবিসিসিআইর প্রথম সদস্য পদ, বাংলাদেশ প্রযোজক সমিতি, বাংলাদেশ লায়ন্স ক্লাব, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি, বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির গর্বিত সদস্য পদ লাভ করেন।
    পণ্যের গুণগতমানের ব্যাপারে দিলীপ কৃমার আগরওয়ালা সব সময়ই আপসহীন ও নিষ্ঠাবান। তার সুদূর প্রসারী দৃষ্টিভঙ্গী আর সফল নেতৃত্বের ফলে তার প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেড বাংলাদেশের প্রথম জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্জন করে আন্তর্জাতিকমান-আইএসও সার্টিফিকেট। ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের পাশাপাশি তিনি একই ধরনের গুণগত মান ও সেবাব্রত নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন একের পর এক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড (বিডি) লিমিটেড, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মিডিয়া লিমিটেড, গোল্ড ল্যাব লিমিটেড। ব্যবসায়িক দায়বদ্ধতা থেকে দেশের ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করার তাগিদে ২০১৫-২০১৭ এবং ২০১৭-২০১৯ সালের নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর পরিচালক পদে নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬-২০১৮ মেয়াদে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদেও আসীন হন ।
    এক প্রতিক্রিয়ায় তরুণ এই নেতা বলেন, খুব ছোট বেলা থেকেই আমার ইচ্ছা মানুষের কল্যাণে কাজ করা। আমি যদি সুযোগ পাই তবে আপনাদেরকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত চুয়াডাঙ্গা উপহার দেব। যুব সমাজের উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করব এবং দলীয় নেতা কর্মীদের যোগ্য মূল্যায়ন করব। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গাকে একটি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই হবে আমার চ্যালেঞ্জ। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি পাশে থেকে আপনাদের একজন হয়ে আমৃত্যু কাজ করে যেতে পারি।


    Facebook Comments


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755