• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    দেশীয় ক্রীড়া পণ্যের নতুন দিগন্ত

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ নভেম্বর ২০১৮ | ৬:৫৫ অপরাহ্ণ

    দেশীয় ক্রীড়া পণ্যের নতুন দিগন্ত

    অধিকাংশ মানুষ যখন ক্রীড়া সামগ্রী কিনতে বিদেশী পন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।ঠিক তখনি একজন মানুষ দেশের উত্তরবঙ্গের ঠাকুরগাঁও জেলায় গড়ে তুলেছেন “আসওয়াদ স্পোর্টস” নামে ক্রীড়া সরঞ্জামাদি তৈরীর কারখানা।ইতিমধ্যেই আসওয়াদ স্পোর্টস ;ক্রিকেট ব্যাট, বল, ব্যাটিং গ্লাভস, উইকেট কিপিং গ্লাভস, ব্যাটিং প্যাড, উইকেটকিপিং প্যাড বাজারজাত করেছে।এগুলো দামে যেমন সাশ্রয়ী, কোয়ালিটির দিক দিয়েও আন্তর্জাতিক মানের।


    মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়াম ও উল্টোদিকের বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এর ক্রীড়া সামগ্রীর দোকান গুলোতে একসময় বিক্রি হত দেশে তৈরী বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী।বিশেষ করে পুনার ঢাকার হাতে তৈরী ফুটবল।বর্তমানে দেশে তৈরি ফুটবলে এখন মন্দা। অধিকাংশ দোকানি বলেন,দেশে তৈরী ফুটবল এখন সোনার হরিণ। কোথাও পাবেন না!আর মিলবেই বা কোথায়? অনেক আগে থেকেই তালা ঝুলছে ক্রীড়াসামগ্রী তৈরির দেশীয় কারখানাগুলোতে।
    পুরনো ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তৈরি হওয়া হাতে সেলাই করা সেই বল গ্রামগঞ্জ তো বটেই জাতীয় পর্যায়েও ব্যবহৃত হতো ।


    সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যবসায়ীরা ঝুঁকেছেন আমদানি পণ্যের দিকে। তা বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ক্রীড়াসামগ্রীর ৮৫ শতাংশই আসছে বাইরে থেকে।
    ‘শিশুদের জন্য দেড়শ’ টাকায় যে ফুটবল কিনছেন তাও চীন থেকে আমদানি করা। ভলিবল, বাস্কেটবল, হ্যান্ডবল, রাগবি বল সবই চীন থেকে আসছে।

    একসময় বাংলাদেশের বাজারে দাপট ছিল পাকিস্তানি ক্রীড়া পণ্যের। তারপরেই অবস্থান ছিল ভারতীয় পণ্যের।
    কিন্তু বর্তমানে ‘চীনা আগ্রাসন’ বাজার ছাড়তে বাধ্য করেছে প্রতিবেশী দুই দেশকে। ‘ক্রীড়া পণ্যের ৮০ ভাগের বেশি বিদেশীনির্ভর। অধিকাংশ পণ্য আমদানি হচ্ছে চীন থেকে। পাশাপাশি পাকিস্তান ও ভারতের কিছু পণ্য আসছে। ক্রমেই প্রতিবেশী দুই দেশের পণ্যের চাহিদা কমে যাচ্ছে।
    বিদেশী ক্রীড়া পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের মতামত ‘কিছু ক্ষেত্রে পণ্যের গুণগত মান ও দামের কারণে এমনটা হচ্ছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে আমাদের মানসিকতাও দায়ী। দেখা গেছে, বাংলাদেশী পণ্য দামে কম ও মানে ভালো হলেও অনেক ক্রেতা তা নিতে চান না।

    ঠিক এ অবস্থায় ক্রীড়া সামগ্রীর নির্মানের কারখানা গড়ে তোলা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ সেটা সহজেই অনুমেয়। তবুও আসওয়াদ স্পোর্টসের স্বত্বাধিকারী সাবেক জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য ফাহিম মুনতাসির সুমিত বলেন জীবনে ঝুকি না নিলে বড় কিছু পাওয়া অসম্ভব।আমার বিশ্বাস ইনশায়াল্লাহ দেশের বাজার ছাড়িয়ে আসওয়াদ স্পোর্টসের পণ্য একদিন বিশ্ববাজারে রপ্তানি হবে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669