• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    দ্বারে দ্বারে ‍ঘুরেও হলো না সৎকার, বাড়িতেই পড়ে রইল ২১ ঘণ্টা!

    | ০৫ মে ২০২১ | ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ

    দ্বারে দ্বারে ‍ঘুরেও হলো না সৎকার, বাড়িতেই পড়ে রইল ২১ ঘণ্টা!

    ভারতে কোভিডে মৃতদের দেহ সৎকার নিয়ে গত কয়েক দিনে একের পর এক অভিযোগ এসেছে। রোববারও বেহালায় তার ব্যতিক্রম হলো না। করোনা আক্রান্ত হয়ে ছেলের মৃত্যুর ২১ ঘণ্টা পর পৌরসভা সৎকারের ব্যবস্থা করে।  


    তার আগে, ছেলের দেহ নিয়ে অসহায়ভাবে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন বাবা। কিন্তু কোথাও সৎকারের ব্যবস্থা করতে পারেননি। এমনকি পৌরসভার হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করেও কাজ হয়নি।

    ajkerograbani.com

    দেশটির সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, প্রবীর চট্টোপাধ্যায় নামে ৪৫ বছর এর এক ব্যক্তির মৃতদেহ রোববার (২ মে) বিকেল তিনটা থেকে তার বাড়িতেই পড়ে ছিল। তার বাড়ি বেহালার বৈশালীপাড়ার হরিদেবপুর থানার ভূবন মোহন রায় রোডে। তিনি পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    গত সপ্তাহে অস্ত্রোপচার করাতে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। কিন্তু অস্ত্রোপচারের আগে তার কোভিড পরীক্ষা করানো হলে রিপোর্ট পজেটিভ আসে। ফলে অস্ত্রোপচার না করিয়েই তাকে বাড়ি পাঠানো হয়। কোভিড হাসপাতাল থেকেও তাকে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    এর পরে গত রোববার দুপুরে ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ঘরের মধ্যে তিনি পড়ে যান। সে সময়ে তার বৃদ্ধ বাবার পক্ষে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে দুপুর তিনটার দিকে বাড়িতেই মৃত্যু হয় ছেলের। চিকিৎসককে খবর দেওয়া হলে তিনি নিয়ম মেনে ডেথ সার্টিফিকেটও দিয়ে দেন।

    এর পরে মৃতদেহ সৎকার করানোর জন্য থানায় খবর দেন মৃতের বাবা। এরপর পুলিশ পৌরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে এবং একটি ফোন নম্বর দেয়। কিন্তু পৌরসভার সেই হেল্পলাইন নম্বরে একাধিক বার ফোন করেও দীর্ঘক্ষণ যোগাযোগ করা যায়নি। প্রায় ২১ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও তা সৎকারের কোনো ব্যবস্থা হয়নি।

    করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ পড়ে থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। অবশেষে সোমবার (৩ মে) বেলা ১২টার পর সেই দেহ নিয়ে যায় পৌরসভার গাড়ি।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757