• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    নবীউল্লাহ নবীকে কেন অপেক্ষায় থাকতে হবে?

    বিশেষ প্রতিবেদক | ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৩:১৭ অপরাহ্ণ

    নবীউল্লাহ নবীকে কেন অপেক্ষায় থাকতে হবে?

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে গতকাল ২০২ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। কিন্তু ঢাকায় কয়েকটি আসনে এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়নি। এর মধ্যে মহানগরের অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী নবীউল্লাহ নবীকেও অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। তিনি ঢাকা-৫ আসন থেকে বিএনপি মনোনীয়ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কিন্তু অপেক্ষায় রয়েছেন চূড়ান্ত মনোনয়নের জন্য। তাই স্থানীয় জনগণ এবং মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন রাজপথ কাঁপানো এই নেতাকেও কেন অপেক্ষার প্রহর গুণতে হচ্ছে। এদিকে, নবীউল্লাহ নবীর বাইরে এই আসনটিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টেরও বড় কোনো প্রার্থী নেই। ঐক্যফ্রন্টের যে কয়েকজনের নাম মহানগরের জন্য উচ্চারিত হচ্ছিলো তাদের মধ্যে গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মন্টুকে ঢাকা-৭ এবং সুব্রত রায় চৌধুরীকে ঢাকা-৬ আসনের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া,ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে গণফোরামের মেজর (অব.) আমিন আহমেদ আফসারীকে। গতকাল মধ্যরাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তারপরও নবীউল্লাহর মতো একজন ত্যাগী ও কারা নির্যাতিত নেতাকে অপেক্ষায় রাখা নিয়ে মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।


    সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন নেতা হিসেবে পরিচিত মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি এবং যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির সভাপতি নবিউল্লাহ নবী। অবিভক্ত ঢাকার সাবেক ভারপ্রাপ্ত এই মেয়র বহুবার কারাবরণ করেছেন। এমনকি হলফনামা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২২১টি মামলা রয়েছে। বর্তমানে উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিনে রয়েছেন। এছাড়া বিএনপির যে কোনো কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন দিতে দেখা গেছে তাকে। তারপরও নবীউল্লাহ নবীকে অপেক্ষায় রাখা মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।


    অন্যদিকে, এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লাকে। তিনি ১৯৯৬, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের নির্বাচিত এমপি। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, আসনটি পুনরুদ্ধার করতে হলে নবীউল্লাহ নবীর বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে শুধু পরাজয়ই হবে না, ভরাডুবি হবে। তাদের দাবি, পোড়খাওয়া রাজনীতিক নবীউল্লাহ নবী স্থানীয় রাজনীতিতে বেশ প্রভাবশালী এবং গত চার দশক বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।। তাছাড়া এলাকার মানুষের কাছে একটা স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে তার।

    এজন্য নবীউল্লাহ নবীকে অপেক্ষায় রাখা মেনে নিতে পারছেন নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মহানগর বিএনপি নেতা বলেছেন, স্থানীয় প্রার্থী হিসেবে নবিউল্লাহ নবী মনোনয়ন পেলে বিএনপির জন্য জয়ী হওয়া সহজ হবে। কিন্তু এলাকার অপরিচিত প্রার্থী দিলে সেটার ফল ভালো নাও হতে পারে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673