• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    নারীর সাফল্য যাত্রায় ভূমিকা রাখছেন নারীরাই

    | ০৮ মার্চ ২০২১ | ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ

    নারীর সাফল্য যাত্রায় ভূমিকা রাখছেন নারীরাই

    দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এগিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। তাদের পদচারনা আজ বিশ্বমঞ্চে। বাঁধার প্রাচীর ভেঙ্গে নারী এগিয়ে যাচ্ছেন বীরদর্পে। তবে, নারীদের সাফল্য-যাত্রায় কখনো সঙ্গী হয়েছেন মা, কখনো আবার স্বামী। তাদের সহায়তা ছাড়া এগিয়ে চলা কঠিন। একজন ক্রীড়াবিদের এগিয়ে চলার পথে মায়ের ভূমিকার পাশাপাশি বিয়ের পর, তার শ্বশুর বাড়ি থেকেও প্রয়োজন সমান সহযোগিতা। তা নাহলে শেষ হয়ে যায় প্রতিভা বিকাশের সুযোগ।


    নারী দুই অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ। সমাজের নানা শৃঙ্খল ভেঙ্গে সব সময় ঘুরে দাঁড়ানোর নাম নারী। বাঁধা পেরিয়ে অসাধ্য সাধনের নাম নারী। সমাজে একজন নারী কখনো মা, কখনো স্ত্রী কিংবা কখনো একজন শাশুড়ি। সব বয়সেই নানা ভূমিকা পালন করতে হয় নারীকে।

    ajkerograbani.com

    শুধু নিজের বা সন্তানের জন্য নয়, নিজেকে বিলিয়ে দিতে কার্পণ্য করেন না। অন্যের সাফল্যেও পেছনে থেকে ভূমিকা রাখেন নারী। এই যেমন কারাতে খেলোয়াড় হুমায়রা আকতার অন্তরার কথাই ধরা যাক। ছোটবেলা থেকে মায়ের হাত ধরে করাতে শিখেছেন। ২০১৯ সালে এস এ গেমসে স্বর্ণ জয়ের পেছনে অন্তরার মায়ের অবদানই ছিলো সবচেয়ে বেশি।

    গেল বছর বিয়ের পর মায়ের ঘর ছেড়ে অন্তরার নতুন ঠিকানা পুরনো ঢাকার শ্বশুর বাড়িতে। শুরুতে মনের কোনে লুকিয়ে ছিলো ভয়? শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে কি মিলবে সে স্বাধীনতা। কারাতের প্রতি যে অদম্য ভালবাসা, সেটা কি জিইয়ে রাখা যাবে শ্বশুর বাড়িতে। বিয়ের পরই সে ভয় পালিয়েছে জানালা দিয়ে। সেখানেও তার জন্য আছেন আরো একজন মা। সংসারের সব বোঝা একাই সামাল দেন অন্তরার শাশুড়ি হোসনে আরা।

    শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পর অনেক সময় প্রতিভা জলাঞ্জলি দিয়ে সংসারের বোঝা মাথা পেতে নিতে হয় নারীকে। কিন্তু অন্তরার ক্ষেত্রে হয়েছে তার উল্টো। দুই ছেলের মত অন্তরাকেও সাফল্যের পেছনেও কাণ্ডারি হয়ে থাকতে চান তার শাশুড়ি। অন্তরাও খুশি দুই মায়ের কাছে থেকে সমান সহযোগিতা পেয়ে।

    অন্তরার শাশুড়ি হোসনে আরা বলেন, আমার দুই ছেলে ও মেয়ের মত অন্তরাও আমার সন্তান। আমি কখনোই তাকে ছেলের বউ হিসেবে ভাবিনি। ওর খেলাধুলায় আমার সহযোগিতা সব সময়েই থাকবে। আমি চাই ও অনেকদূর যাক। আমি আশা করি দেশের হয়ে আরো পদক জিতবে।

    অন্তরা বলেন, বিয়ের পর সংসারে মেয়েদের নানা ভূমিকা পালন করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে আমার শাশুড়িও আমাকে অনেক সাহায্য করেন। দিনে দুই বেলা অনুশীলনে যেতে হয় আমাকে। এ সময়ে আমার শাশুড়ি আমাকে সব ধরণের সহায়তা করে।

    অন্তরার মতই দেশের টেবিল টেনিসের দুই কন্যা সোমা ও মাহীর সাফল্যের পেছনেও অবদান তাদের মায়ের। তবে, বিয়ের পর সোমার কাঁধে সংসারের বোঝা চাপিয়ে দেননি স্বামী মোহাম্মদ আলী। টেবিল টেনিসে স্ত্রীর প্রতিটা অর্জনেই রয়েছে তার অবদান।

    সোনাম সুলতানা সোমা বলেন, টেবিল টেনিসের শুরুটা আমার মায়ের হাত ধরে। গ্রামের মেঠো পথ পেরিয়ে অনেক কষ্ট করে আমার মা আমাকে অনুশীলনে নিয়ে যেতেন। আমাদের দু’বোনের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তিনি। বিয়ের পর আমাকে আমার মায়ের মতই আগলে রেখেছেন আমার স্বামী। আমার চলার পথে সব সময়ই সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন। তাদের ছাড়া কোনভাবেই আমি সোমা হতে পারতাম না।

    এভাবেই নারীরা নারীদের সাফল্য-যাত্রায় নিরলস ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757