• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    নির্বাচনে বিএনপির তিন কেন্দ্রীয় নেতা

    অনলাইন ডেস্ক | ২৯ জুলাই ২০১৭ | ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ

    নির্বাচনে বিএনপির তিন কেন্দ্রীয় নেতা

    খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তিন সদস্য মনোনয়ন যুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। বর্তমান মেয়র খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্তজা। তার নিজ নিজ কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। বর্তমান মেয়র একের পর এক হামলা-মামলা সামলাতে গিয়ে পার করেছেন চার বছরের বেশি সময়। পদচ্যুতও হয়ে ছিলেন প্রায় এক বছর। আগামী নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা
    নিশ্চিতে ব্যাপক তৎপরতাও চালাচ্ছেন মেয়র মনিরুজ্জামান মনি। তবে এবার দলের মধ্যে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে প্রার্থিতা ঘোষণা দিয়েছেন শফিকুল আলম মনা ও সাহারুজ্জামান মোর্তজা। এ নিয়ে বিএনপির মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।
    ২০১৩ সালে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এক লাখ ৮০ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন মনিরুজ্জামান মনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগর সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছিলেন এক লাখ ১৯ হাজার ৪২২ ভোট। সৎ মানুষ হিসাবে নগর জুড়ে তার একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে গত চার বছরে কেসিসির দলীয় কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে অনেকটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
    বিগত ২০১৩ সালের নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন জেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি ও ২২নং ওয়ার্ডের টানা ১৪ বছরের কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা। আসন্ন নির্বাচনেও তিনি মনোনয়ন চাইবেন। জেলা বিএনপির সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘ দিন কেসিসির কাউন্সিলর থাকার কারণে নগরীর মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে তার সুসম্পর্ক।
    বিগত সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন সাহারুজ্জামান মোর্তজা। তিনি দীর্ঘদিন খুলনা চেম্বার অব কমার্স ও খুলনা বিভাগীয় মিনিবাস সমিতির সভাপতি ছিলেন। বিএনপির একটি অংশ তার পক্ষে ইতিমধ্যেই প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে।
    শফিকুল আমল মনা বলেন, গত সিটি নির্বাচনে চেয়ারপারসন বলেছিলেন, এবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করো, আগামীতে তোমার বিষয়টা দেখব। এ ছাড়া এবার নেতাকর্মীরাও প্রার্থী হতে চাপ দিচ্ছেন। দলীয় চেয়ারপারসন তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত ও খুলনার সাধারণ মানুষের সেন্টিমেন্টের কথা বিবেচনা করলে আমি দলীয় মনোনয়ন পাবো। তিনি বলেন, দলের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ত্যাগ স্বীকার করছি। এখন জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মূল্যায়ন চাই।
    মেয়র মনিরুজ্জামান মনি বলেন, সবাই আমার কাছে আসেন। আমি তাদের কাজই করি। ভুল বোঝাবুঝি হয়, তা ঠিকও হয়ে যায়। নির্বাচনের সময় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে থাকা সকল ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে। আবারও নির্বাচন করার ইচ্ছা আছে। দলের ভেতরেও বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
    সাহারুজ্জামান মোর্তজা বলেন, বিএনপির জন্মলগ্ন থেকে অত্যাচার নির্যাতন উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম, আছি। ওয়ান ইলেভেনের সময় নেতাকর্মীদের ফেলে অনেকেই তৎকালীন সরকারের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছিল। আমরা বেগম খালেজা জিয়াকে ছেড়ে কখনও যাইনি। নগরীর তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এমন মেয়র চায় যার কাছে তাদের সুখ-দুঃখের কথা যখন-তখন বলতে পারে। তাই নেতাকর্মীদের দাবির মুখেই আমি প্রার্থী হতে চাচ্ছি।


    Facebook Comments


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755