• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    নীলফামারী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম সরকার

    আল ইমরান : | ১৯ অক্টোবর ২০১৮ | ৮:০৯ অপরাহ্ণ

    নীলফামারী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম সরকার

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন গণ-মানুষের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম সরকার। ইতোমধ্যে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় মহলে যোগাযোগ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। ক্লিন ইমেজের অধিকারী এ নেতার দল থেকে নমিনেশন দিতে জোর আলোচনা চলছে সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ আসনের সর্বস্তরের জনগনের মাঝে। এলাকার ভোটারদের প্রত্যাশা এমন একজনকে জণপ্রতিনিধি হিসেবে পেলে অবহেলিত অঞ্চলটির জণগন আশার আলো পাবে।


    ইতিমধ্যে তিনি দুই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পথসভায় জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ ও নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। তিনি সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জে কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন।


    মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম মনে করেন, রাজনীতি হচ্ছে এমন এক ‘নীতি’ যা কোন দেশের সার্বভৌমত্ব, সংবিধানকে অবিচল রেখে দেশের নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জাতীয় অর্থনীতিকে বেগবান করে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের জাতীয়তাকে প্রতিষ্ঠিত করা। রাজনীতি হচ্ছে অত্যন্ত সচেতন, মার্জিত, শিক্ষিত এবং দ্বায়িত্বশীল মানুষের কাজ। আর এ কাজটিই দায়িত্বশীলতার সহিত করতে চান তিনি।

    মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলামের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গণসংযোগ করে চলছেন। মুক্তিযুদ্ধের এই অবিকল্প সারথি ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কারাগার থেকে মুক্ত করার আন্দোলনের মধ্যদিয়ে আ’লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন। এরপর জাতির পিতার ডাকে ১৯৭১ এ রনাঙ্গনে থেকে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। এছাড়া যুদ্ধ পরবর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় শেখ কামালের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে।

    সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে দলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। এতে করে ঐ এলাকার ভোটারদের মাঝে প্রাণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ভোটারদের চাওয়া: বড়দল থেকে একজন প্রতিশ্রুতিশীল মানুষ পাওয়া যিনি এই এলাকাটির উন্নয়ন সাধন করবে। তবে, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম সরকারের চাওয়া বাকিটা জীবন জণগনের জন্য কিছু করে যাওয়া। তিনি বলেন, আমি জণগনের জন্য কাজ করতে চাই, জণগনের কাছে থাকতে চাই। আমার এই সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ এলাকার মানুষ আমরা সবাই ভাই ভাই।

    বিভিন্ন ইউনিয়নের ভোটারদের সাথে আলাপ করে দেখা গেছে, এখানে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে যে কয়েকজন দৌঁড়ে রয়েছেন তার মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন প্রবীন এ মুক্তিযোদ্ধা। সৈয়দপুর উপজেলার বতলাগাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক আজকের অগ্রবানীকে বলেন, আমরা এমন এক নেতা চাই যিনি গণ-মানুষের কথা বলবে। যার কাছে সাধারণ মানুষ অনায়াসে পৌঁছাতে পারবে, তেমনি একজন নেতা আমিনুল ইসলাম। তার নিকট গরীব-ধনী বলতে কেউ নেই সবাই মানুষ। সকলকে তিনি একই চোঁখে দেখেন।

    তবে বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের অভিযোগ এই এলাকা থেকে যিনি জণপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন তারা জণগন থেকে দূরে চলে যান। এ কারণে এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সুষম উন্নয়ন হয়না। আমরা এমন একজন আস্থাশীল নেতা চাই, যার কাছে আমাদের অভিযোগ জানাতে পারবো।

    কিশোরগঞ্জের ভোটার এনামুল হক বলেন, এ আসনে একজন শক্তিশালী পরিচিত এ নেতার বিকল্প নেই। যিনি দীর্ঘদিন যাবৎ দলের নেতাকর্মীদের মাঠ পার্যায়ে বিভিন্ন ধরণের সহযোগীতার সহযোগীতার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন। এমন একজনকে জণপ্রতিনিধি হিসেবে পেলে এলাকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে বলে আশা করছি।

    কেন নির্বাচন করতে চান এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন স্বাধীন দেশের মানুষ অর্থনৈতিক মুক্তি চায়। আর বঙ্গবন্ধুর সেই লক্ষ্য পূরণে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা। নেত্রীর সেই পরিশ্রমকে স্বার্থক করতে দেশের উন্নয়ন কাজের সারথী হতেই আমার নির্বাচন করতে চাওয়া।

    তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে সরকার যে উন্নয়ন কাজ করেছে, আর আগামীতে নেত্রীর যে প্রোগ্রাম রয়েছে সেগুলোর সুফল যেন সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জের মানুষ পায় এজন্যই সারা দেশের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রচারনায় নেমেছি।

    ভোটারদের মধ্য একই কথা, তারা চায় একজন সজ্জন ব্যাক্তি। সৈয়দপুরের রিক্সা চালক খায়রুজ্জামান মনে করেন, হামরা আর কিছুই চাইনা হামরা চাই ভালো লোক, যারা হামার সাথে কতা কবে। আর এলাকাত আস্তাঘাট ভালো করে দিবে।

    বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নই আমিনুল ইসলাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন-২০২১ এবং ২০৪১ এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বঙ্গবন্ধু পৌত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই বিশ্বে অনন্য নজির স্থাপন সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘এলাকার প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে নিজেকে জড়িত রাখার চেষ্টা করেছি। আমার নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি জায়গায় আমার পদচারণ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি সম্পর্ক রয়েছে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে। তরুণদের এগিয়ে নিতেই আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাই। তবে মাননীয় নেত্রী আমাকে যেই দায়িত্ব দিবেন সেই অনুযায়ী কাজ করবো।’

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669